channel 24

সর্বশেষ

  • করোনায় বিবর্ণ বৈশাখের রং, ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা

  • গ্রেপ্তার এড়াতে নিজেকে করোনায় আক্রান্ত বললো আসামি!

  • করোনায় ঘরবন্দি কোটি কোটি মানুষ, বাড়ছে পারিবারিক সহিংসতা

  • শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মধ্যে রাখতে বিকল্প পথ খোঁজার পরামর্শ

  • চট্টগ্রামে সরকারি চালের বস্তা পরিবর্তন করে কারসাজি

  • লিগ পূর্ণাঙ্গ না হলে ইপিএলে বিলিয়ন ডলার ক্ষতির শঙ্কা

  • করোনা সংক্রমণ রোধে মাঠে নেমেছে রংপুরের তরুণ সমাজ

  • পর্যটন নগরী কক্সবাজার লকডাউন

  • রাষ্ট্রপতির কাছে বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদন

  • ফুটবলারদের চুক্তি বৃদ্ধি ও গ্রীষ্মকালীন দলবদল স্থিতিশীল রাখার প্রস্তাব ফিফার

  • দুস্থ ও খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন অনেকেই

  • বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের গ্রেপ্তারে গোটা জাতি উল্লসিত: তোফায়েল

  • করোনায় বিপাকে পাবনার দুগ্ধ খামারীরা, নামমাত্র মূল্যে বিক্রি

  • করোনায় বদলে গেছে বাজার চিত্র, রমজান উপলক্ষ্যে চাপ নেই কেনাকাটায়

  • করোনায় অদ্ভুত আঁধারে বিশ্ব

২০২৫ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে চাহিদার দ্বিগুণ, পরিকল্পনা কতোটা যৌক্তিক?

২০২৫ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে চাহিদার দ্বিগুণ, পরিকল্পনা কতোটা যৌক্তিক?

উদ্বৃত্ত পড়ে আছে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ। চাহিদা না থাকায় উৎপাদনও করা যাচ্ছে না সর্বোচ্চ ক্ষমতায়। তারপরও আগামী পাঁচ বছরে আরো সাড়ে উনিশ হাজার মেগাওয়াট যুক্ত করার পথে সরকার। ফলে ২০২৫ সালে গিয়ে মোট ক্ষমতা দাঁড়াবে ৪০ হাজারে। বিপরীতে সর্বোচ্চ চাহিদা থাকবে তার অর্ধেক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিকল্পনার যৌক্তিকভাবে বিচার-বিশ্লেষণ দরকার।

এগার বছরে বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা বেড়েছে চারগুণের বেশি। কিন্তু, শীতকালজুড়ে প্রকৃত উৎপাদন ছিল, অর্ধেকের নিচে। কারণ সমান্তরালে বাড়েনি চাহিদা। বিশেষ করে, বড় শিল্প কারখানায় সংযোগ নিতে আগ্রহী ছিলেন না উদ্যোক্তারা। অথচ চাহিদা মিটিয়েছেন ক্যাপটিভসহ তুলনামূলক দামি এবং বিকল্প ব্যবস্থায়।

ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি আবুল কাশেম খান বলেন, নিরবচ্ছিন্ন এবং গুণগত মানের প্রশ্নে এই খাতের সাফল্য তুলনামূলক কম।

বিদ্যুৎ বিভাগের হিসাবে, বিশ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার বিপরীতে গেলো বছর মে মাসে সর্বোচ্চ  উৎপাদন ছিল তের হাজারের কম। অর্থাৎ, চলমান ব্যবস্থা থেকেই আরো ৩ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন সম্ভব। যা আগামী বছর দুয়েকের বাড়তি চাহিদা মেটাতে সক্ষম। অথচ তারওপর নতুন করে, পাঁচ বছরে আরো সাড়ে উনিশ হাজার যুক্ত করার লক্ষ্য অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায়।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, সব সময়ের জন্যই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ মজুদ থাকবে। শীত এবং গরমের সময় পাওয়ারের সমন্বয়ের জন্যই তা করতে হবে।

২০১৬ সালের মহাপরিকল্পনায়, ২০৩০-এ উৎপাদন ক্ষমতা হওয়ার কথা ৪০ হাজার মেগাওয়াট। যা সরকার অর্জন করতে চাইছে পাঁচ বছর আগেই। অথচ, ২০২৫ সালে সর্বোচ্চ চাহিদার প্রাক্কলন ক্ষমতার অর্ধেক ২০ হাজার মেগাওয়াট। তার মানে সে সময়ও কয়েকগুণ বেড়ে যাবে অবব্যহৃত বিদ্যুতের পরিমাণ। এই পরিকল্পনা কতোটা যৌক্তিক?

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম তামিম বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে সঠিক পরিকল্পনা থাকতে হবে যাতে করে ভবিষ্যতে উৎপাদিত বিদ্যুতের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়।

বর্তমানে ক্যাপটিভে ব্যবহৃত জ্বালানি দিয়েই অন্তত এক হাজার মেগাওয়াট বেশি উৎপাদন করা সম্ভব গ্রিড বিদ্যুৎ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর