channel 24

সর্বশেষ

  • উম্মুল কোরা বিশ্ববিদ্যালয় রেক্টরের সঙ্গে সৌদিতে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

  • সিরাজগঞ্জে বাসাবাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৬ জন দগ্ধ

  • কাল শুরু বাংলাদেশের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান; প্রতিপক্ষ ভারত

  • চীনের বাইরে ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে করোনা; আক্রান্ত ১ হাজার ৭১২ জন

  • জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৫ সদস্যের ওয়ানডে দল ঘোষণা

  • গাইবান্ধা-৩ ও বাগেরহাট-৪ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহানন্দা নদী তীরবর্তী এলাকায় পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণ বেআইনি

  • অর্থপাচার মামলায় আটক পাপিয়াকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার

  • স্বামীর দেয়া আগুনে দগ্ধ অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর মৃত্যু

  • দুদিনের সফরে কাল ভারত আসছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

  • নির্বাচনি প্রচারণায় আসছে নানা বিধিনিষেধ; যত্রতত্র পোস্টার-মাইকিং নয়

  • উন্নয়ন পরিকল্পনা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে দুর্ভোগে পড়তে হয় জনগণকে

  • দেশের পুঁজিবাজারে আজও সূচকের পতন

  • আন্তর্জাতিক জ্বালানি খাতে নিজেদের আধিপত্য বাড়াতে চায় সৌদি আরব

  • ভুতুড়ে বিল বন্ধ করতে প্রযুক্তি ব্যবহারের বিকল্প নেই: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

রেকর্ড জিডিপি প্রবৃদ্ধির উৎস নিয়ে প্রশ্ন

রেকর্ড জিডিপি প্রবৃদ্ধির উৎস নিয়ে প্রশ্ন

সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার শেষ অর্থবছরে বাংলাদেশ। অথচ বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য অর্জনের ব্যর্থতা রূপ নিয়েছে নতুন মাত্রায়। এরপরও সরকারের সাফল্য রেকর্ড জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে। যার উৎস নিয়ে স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে নানা মহলে। সরকারই স্বীকার করছে ব্যবস্থাপনা ও সুশাসন নিশ্চিত করা গেলে অর্থনীতির চিত্র হতে পারতো খানিকটা ভিন্ন।

মধ্য মেয়াদে অর্থনীতির কাঠামো, গতিপ্রকৃতি এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা ধার্য করে সরকার। স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত সে সংখ্যা ৭। ২০১৫-১৬ থেকে বাস্তবায়ন শুরু হওয়া চলতি পরিকল্পনা শেষ হচ্ছে চলতি অর্থবছরে।

সবশেষ এই পরিকল্পনায় সরকারের বড় সাফল্য প্রবৃদ্ধির রেকর্ড। কারণ, সবশেষ চার অর্থবছরে ৭ দশমিক ৩ গড় লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে অর্জিত হয়েছে ৭ দশমিক ৬। সবশেষ অর্থবছরে যা ছাড়িয়েছে সর্বকালের রেকর্ড। যদিও প্রবৃদ্ধির এই অর্জনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না অন্য সূচকগুলো। ফলে এর স্থায়িত্ব এবং মান নিয়ে প্রশ্ন বহুদিনের।

পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, যেসকল নিয়মগুলো চলে আসছে তা প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে। অনেকগুলোই রয়ে গেছে আমাদের চোখের আড়ালে।

সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজ বলেন, অর্থনীতি যত বড় হচ্ছে এটার ব্যবস্থাপনা ততবেশি চ্যালেঞ্জিং হচ্ছে। ইতিবাচক ফলাফলগুলি সুষ্ঠ এবং কার্যকর অর্থনীতি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অর্জন করার কথা ছিল। সে জায়গাটাতে আমাদের আরো কাজ করার একটা জায়গা দেখা দিয়েছে।

টানা কয়েক বছরের প্রবৃদ্ধির সাফল্যকে মলিন করেছে বেসরকারি বিনিয়োগ। কারণ, চলতি অর্থবছরে এই হার জিডিপির ২৬ দশমিক ৬ শতাংশে নেয়ার কথা থাকলেও, ১৮-১৯ পর্যন্ত অর্জন সাড়ে তেইশের নিচে। এছাড়া, রাজস্ব আয়ের অবস্থা আরো ভয়াবহ। শেষ বছরে জিডিপির ১৬ শতাংশের ওপরে এই আয় নেয়ার লক্ষ্য থাকলেও, রয়ে গেছে ১০ শতাংশের নিচে। লক্ষ্য অর্জিত হয়নি রপ্তানি আয়েও। আর্থিক খাত, ব্যবসায় পরিবেশ এবং সুশাসন, ইস্যুতেও খুব বেশি সাফল্য আসেনি এই সময়ে।

পরিকল্পনা কমিশনের সিনিয়র সচিব শামসুল আলম বলেন, ব্যবস্থাপনা যদি কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে যেত, বেসরকারি বিনিয়োগ আরও বেশি হতো অবশ্যই এবং সেটা হলে প্রবৃদ্ধির আরো আরও পেতাম। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ছিল কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে দেশের বিনিয়োগ কারীদের আস্থা আমরা পেয়েছি। সেই আস্থাশীলতার বিষয়ে আমাদের অর্থনৈতিক সুশাসনকে এখন অনেক বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজ বলেন, আমাদের যে টার্গেট ছিল বছর শেষে দেখা গেলো যে আমাদের সেই টার্গেটের সাথে বেশ কিছু জায়গায় বড় ধরণের বিচ্যুতি হচ্ছে।

বৈষম্য কমিয়ে সুষম উন্নয়নের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করার কথা ছিল সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায়। কিন্তু, সেখানেও সাফল্য প্রায় শূন্য।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর