channel 24

সর্বশেষ

  • ইরানের সাধারণ নির্বাচন: দুর্নীতির দায়ে ৯০ এমপিসহ ৭ হাজারের প্রার্থীতা বাতিল

  • 'আমাকে বাঁচান, আমি সৌদি থেকে বলছি'

  • প্রিয়জন হারানোর ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছেন চুড়িহাট্টাবাসী

  • চীনে করোনাভাইরাসে প্রাণ গেছে আরো ১১৪ জনের, মোট ২১১৮

  • জার্মানিতে দুটি শিশা বারে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৮

  • ওয়েস্ট হ্যামকে ২-০ গোলে হারিয়ে ম্যানচেস্টার সিটির জয়

  • ইউরোপা লিগে আজকের খেলা

  • চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন: আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর প্রার্থী যারা

  • দিনাজপুরে গোলাগুলিতে ২ ডাকাত নিহত, আহত ৪ পুলিশ

  • টটেনহ্যামের মাঠে জয় লাইপজিগের

  • ভ্যালেন্সিয়াকে বিধ্বস্ত করলো আটালান্টা

  • কাল শুরু হচ্ছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

  • ফের স্বর্ণের দাম বাড়ায় হতাশ ক্রেতা-বিক্রেতারা

  • চট্টগ্রাম সিটিতে কাউন্সিলর প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে আ.লীগ

  • অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপনে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

বাণিজ্য মেলায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে পাটজাত পণ্যের চাহিদা

বাণিজ্য মেলায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে পাটজাত পণ্যের চাহিদা

প্রতিনিয়ত বাড়ছে পাটজাত পণ্যের চাহিদা। ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার স্টলগুলোতেও ক্রেতাদের ভিড় পাটপণ্য কিনতে। পাটের ব্যাগ, শো-পিস, শতরঞ্জী, কার্পেট, পাটজাত পণ্যের উপর রয়েছে নানা অফার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রপ্তানিতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পাটজাতপণ্য। তাই এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে, তৈরি করতে হবে আরো নতুন উদ্যোক্তা।

এক সময়ের পাটশিল্প উৎপাদন ও রপ্তানিতে ছিলো দেশের সবচেয়ে বড়খাত। সোনালী সে সময় ফুরিয়ে গেলেও, বর্তমানে বিশ্ববাজারে বাড়ছে, পাটজাত পণ্যের চাহিদা।

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলাতেও, পাটজাত পণ্যের স্টলগুলোতে ভিড় চোখে পড়ার মতো। বৈচিত্র আর ভিন্ন আমেজ নিয়ে আসায়, বেড়েছে পাটজাত পণ্যের চাহিদা।

ক্রেতারা বলছেন, আমাদের দেশীয় পণ্য তাই এটার প্রতি আমাদের আগ্রহ একটু বেশি। আর দামও হাতের নাগালে। সব থেকে বড় ব্যাপার তাঁদের পণ্যের মান দিনদিন বাড়ছে।

পাটের ব্যাগ, সো পিস, শতরঞ্জী, কার্পেট, পাটজাত পণ্যের মূল আকর্ষণ। এসব পণ্যের উপর রয়েছে নানা অফার। দামও ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই। তাই বিক্রিও হচ্ছে ভালো।

বিক্রেতারা বলছেন, মেলা জমে গেছে। ক্রেতা আসছেন ভালই আর সেই সাথে আমাদের বিভিন্ন অফার তো আছেই।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রপ্তানিতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পাটজাতপণ্য। এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে দরকার প্রশিক্ষণ। তৈরী করতে হবে আরো নতুন উদ্যোক্তা।

জেডিপিসির প্রশাসনিক কর্মকর্তা মফিজুল ইসলাম আখন্দ বলেন, আসলে এই জায়গাটাকে অনেকদূর নিয়ে যাওয়া সম্ভব। প্রতিবছরই এটার রপ্তানি বাড়ছে। আমরা তো আছি সরকার যদি আমাদের আরও সহায়তা করেন আমরা আরো অনেকদূর এগিয়ে যেতে পারবো।

সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে পাটশিল্পে সোনালী দিন ফিরে আসবে প্রত্যাশা ব্যবসায়ীদের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর