channel 24

সর্বশেষ

  • পদ্মাসেতুর রেল প্রকল্পে পিলারের উচ্চতা ও রাস্তার প্রশস্ততায় ত্রুটি

  • সিনহা হত্যার পর ঢেলে সাজানো হচ্ছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ

  • ধরিত্রীকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর ৫ পরামর্শ

  • ২৯ ও ৩০ সেপ্টেম্বর বিমানের বিশেষ ফ্লাইট

  • ফুটবল নির্বাচন: ঢাকায় ভোট চেয়েছেন আসলাম-জনির সমন্বয় পরিষদ

  • অনিশ্চিত শ্রীলঙ্কা সফর, বন্ধ ক্রিকেটারদের করোনা পরীক্ষা

  • আশুলিয়ার বিএসটিআইয়ের অভিযানে নকল পণ্য জব্দ, কোম্পানি সিলগালা

  • লক্ষ্মীপুরে কলেজ ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

  • দিনভর ভোগান্তির পর সৌদির টিকিট পেয়ে কারও কারও স্বস্তি

  • আইনজীবী সেজে বৃদ্ধ কৃষকের গরু বেচা টাকা আত্মসাৎ!

  • হাসপাতালের বর্জ্য নিয়ে ঢাকার দুই সিটি মেয়রের ক্ষোভ

  • মসজিদে বিস্ফোরণে হতাহত পরিবারকে ৫ লাখ টাকা করে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা

  • না ফেরার দেশে চলে গেলেন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ডিন জোনস

  • অটোপাশ নয়, স্কুলের মূল্যায়নে নবম শ্রেণিতে উঠবে জেএসসি শিক্ষার্থীরা

  • মাদারীপুরে পিতার স্বীকৃতি চেয়ে মামলায় আসামীর ১০ বছরের সাজা

রোহিঙ্গা ইস্যুতে কোনঠাসা পরিস্থিতিতেও চীন-মিয়ানমার ৩৩টি চুক্তি

রোহিঙ্গা ইস্যুতে কোনঠাসা পরিস্থিতিতেও চীন-মিয়ানমার ৩৩টি চুক্তি

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমার যখন কোনঠাসা, তখনি দেশটির সাথে ৩৩টি চুক্তি ও সমঝোতা সই করে চীন। এর আওতায়, মিয়ানমারে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, গভীর সুমদ্রবন্দর নির্মাণ প্রকল্পে বিনিয়োগ করবে বেইজিং। এছাড়া নিজেদের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং।

মিয়ানমার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে, দেশটিতে সফর করেন, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। তার উপস্থিতিতে নেপিদোর সঙ্গে, ৩৩টি চুক্তি ও সমঝোতা সই করে বেইজিং। এর আওতায় রয়েছে, মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, রাখাইনে গভীর সমুদ্রবন্দর ও ইয়াঙ্গুনে নতুন শহর প্রতিষ্ঠা প্রকল্প। অন্যান্য খাতেও বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন চিন পিং। 

বাণিজ্য বিশ্লেষকরা বলছেন, এতে মিয়ানমারের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামো উন্নয়ন বেশ তরান্বিত হবে। বাড়বে স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের সুযোগও।

লাওস ন্যাশনাল রেডিও'র উপপরিচালক সাঙ্গানি চৌম্কামপন বলেন, মিয়ানমারের অর্থনীতিতে দারুণ ভূমিকা রাখবে চীনা প্রেসিডেন্টের এ সফর। দুই দেশের মধ্যে বাড়বে বাণিজ্য। উন্নতি হবে আশিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্কেরও।

লাওস-চীন ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সিখৌন বনভিলে বলেন, চীনের সহযোগিতায় মিয়ানমারসহ এ অঞ্চলের সব দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব। বিশ্বে আশিয়ানভুক্ত দেশে উৎপাদিত পণ্যের বাজার আরো বড় হবে।

এশিয়ার অন্যান্য দেশের সার্বিক উন্নয়নে, চীনকেই পথপ্রদর্শক হিসেবে অনুসরণের পরামর্শ, মিয়ানমারের ব্যবসায়ীদের।

মিয়ানমার ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টারের উপপরিচালক ড. থেট লিউন বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের সবচেয়ে সফল উদাহরণ চীন। প্রত্যন্ত অঞ্চলের উন্নয়নে দারুণ সব প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে দেশটির সরকার। তাদের অভিজ্ঞতাকে কাজ লাগাতে পারে এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলো। মিয়ানমারের সার্বিক উন্নয়নে দারুণ ভূমিকা রাখতে পারে বেইজিং।

চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের সঙ্গে মিয়ানমারকে সংযুক্তির ঘোষণাও দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। তবে কাচিন রাজ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া ৩৬০ কোটি মার্কিন ডলারের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর