channel 24

সর্বশেষ

  • ফের স্বর্ণের দাম বাড়ায় হতাশ ক্রেতা-বিক্রেতারা

  • চট্টগ্রাম সিটিতে কাউন্সিলর প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে আ.লীগ

  • অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপনে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

  • করোনা ভাইরাসে প্রাণহানি কিছুটা বেড়েছে, তবে কমেছে আক্রান্তের হার

  • 'বর্ণবাদের' অভিযোগ তিন সাংবাদিককে বহিষ্কার করলো চীন

  • ডাকঘর সঞ্চয়ের সুদহার পুনঃমূল্যায়নের চিন্তা করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী

  • ঢাকার চারপাশে নদীপাড়ে ধর্মীয় স্থাপনা না ভেঙে সংস্কার করবে সরকার

  • ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়: ওসিসহ ৭ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

  • চুড়িহাট্টায় আগুনে মারা যাওয়া ৩ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি

  • পরীক্ষা হলে সাহায্য না করায় সহপাঠীকে ছুরিকাঘাত, আটক ১

  • তুরাগের ধৌড় এলাকায় বিআইডব্লিউটিএ'র উচ্ছেদ অভিযান

  • সার্ভেয়ারের বাসা থেকে ঘুষের ৯৩ লাখ টাকা উদ্ধার, আটক ১

  • শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় তাপস পালকে শেষ বিদায়

  • বঙ্গোপসাগরে দুটি ট্রলারডুবে ৪ জনের মৃত্যু

  • এনামুল বাছিরের মহাপরিচালক পদে পদোন্নতির মামলা খারিজ

আর্থিক খাতে ধারাবাহিক লুটপাটের আরেক নজির প্রশান্ত কুমার

আর্থিক খাতে ধারাবাহিক লুটপাটের আরেক নজির প্রশান্ত কুমার

অভিনব, অসম্ভব, আর অনন্য আর্থিক প্রতারণার নতুন চরিত্রের নাম প্রশান্ত কুমার হালদার। যিনি এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকার সময় আইনের ফাঁক গলে অর্জন করেছেন পৌনে তিনশো কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ। যার বেশির ভাগই পাচার করেছেন বিদেশে। বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের আর্থিক খাতে যে লুটপাট চলছে, প্রশান্ত কুমার হালদারের ঘটনাটি তারই ধারাবাহিকতা মাত্র।

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকে সবশেষ ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্বপালন করেন প্রশান্তকুমাল হালদার, যিনি পিকে হালদার নামেই ব্যাংকগুলোর কাছে পরিচিত। যার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত ৮ জানুয়ারি মামলা করেছে দুদক।

এজহারে বলা হয়েছে, বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তা থাকা অবস্থায় ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মাধ্যমে এ টাকার মালিকানা অর্জন করেছেন। শুধু তাই নয়, অনুসন্ধানে দেখা যায়, পিকে বেনামে অসংখ্য কোম্পানি খুলে পুঁজিবাজার থেকে বিপুল পরিমান শেয়ার কিনে ইন্টারন্যাশনার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, পিপলস লিজিং, এফএএস ফাইন্যান্স ও বিআইএফসি দখল করে ঋণের নামে হাতিয়ে নিয়েছেন শত শত কোটি টাকা।

প্রশান্ত কুমার হালদার বিগত দিনে বহাল তবিয়তে থাকলেও সম্প্রতি ক্যাসিনোবিরোধী শুদ্ধি অভিযানে সামনে আসে তার নাম। ৩ অক্টোবর তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়ে ১৪ নভেম্বর দুদকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিলেও, রহস্যজনকভাবে ইমিগ্রেশনের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে যান বিদেশে।

ট্রন্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআইবি) বলছে, দেশের ব্যাংকিং খাতে যে লুটপাটের মহাউৎসব চলছে তার একটি উদাহরণ প্রশান্ত কুমার হালদার। এই দুর্নীতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সরকারের বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা জড়িত বলে দাবি করছে টিআইবি।

অর্থিক খাতের অনিয়ম ঠেকাতে ব্যর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংক এমনটাই বলছেন, সাবেক ডেপুটি গর্ভনর খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ। এ অনিয়মে সহযোগিতাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার পরামর্শ দেন তিনি।

তবে এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হয়নি বাংলাদেশ ব্যাংক ও দুদক।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর