channel 24

সর্বশেষ

  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে আ.লীগ-বিএনপির শ্রদ্ধা

  • বিনম্র শ্রদ্ধায় দেশব্যাপী ভাষা শহীদদের স্মরণ

  • লন্ডনে মসজিদে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে মুয়াজ্জিন আহত

  • ডাকঘরে সঞ্চয় স্কিমে সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্তে দুশ্চিন্তায় নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা

  • গানে গানে বাংলা ভাষাকে ছড়িয়ে দিচ্ছেন দুই জাপানিজ

  • করোনা আতঙ্কে ভুতুড়ে নগরী দক্ষিণ কোরিয়ার দায়েগু

  • দৌলতদিয়াতে আরেক যৌনকর্মীর জানাজা অনু‌ষ্ঠিত

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধর্ষণ ও হত্যায় অভিযুক্ত বন্দুকযুদ্ধে নিহত

  • কল্পনার রং আর নকশার কারুকাজে শহীদ মিনারের প্রতিটি সড়ক একেকটি ক্যানভাস

  • মাগুরায় ছাত্রলীগ-ছাত্রদলের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

  • একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

  • নারীর গৃহস্থালী কাজকে সরাসরি জাতীয় আয়ে যুক্ত করার সুযোগ এখনো নেই: অর্থমন্ত্রী

  • শুক্রবার থেকে পাওয়া যাবে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে টেস্ট টিকিট

  • ফরিদপুরে ওবায়দুর রহমানের আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া মাহফিল

  • ফের ঢাকার বাতাস বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত

ছয়-নয় সুদহারের সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত গোটা অর্থনীতি

ছয়-নয় সুদহারের সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত গোটা অর্থনীতি

আমানতের সুদহার ৬ ও ঋণের ৯ শতাংশ করতে বদ্ধপরিকর অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারের এমন সিদ্ধান্তে হিতে-বিপরীত হবে। তাদের মতে, এতে লাভবান হবেন, গুটিকয়েক ব্যবসায়ী; আর ক্ষতিগ্রস্ত হবে সাধারণ মানুষ ও গোটা অর্থনীতি। এমনকি তীব্র নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, বেসরকারি খাতের বিনিয়োগে।

বার বার সিদ্ধান্তটা আসছে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর বৈঠক থেকেই। আর সেটা ব্যাংক মালিকদের সংগঠন ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ- বিএবি। সংগঠনটির সব শেষ বৈঠকে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ অর্থমন্ত্রীকে দেয়া সংবর্ধনায় নতুন ঘোষণা আসে, এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে, ব্যাংক খাতে ছয়-নয় সুদহার।

সরকারের এমন সিদ্ধান্ত কার্যকরে সরকারি ব্যাংকগুলোর তেমন লোকসান না হলেও ভাবাচ্ছে বেসরকারি ব্যাংকগুলোকে।

অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শামস-উল-ইসলাম বলেন, সরকারি ব্যাংক আমরা, আমাদের ডিপোজিট ১০০ ভাগ গ্যারান্টি দেয়া সরকারের। এই মাইলেজটা তো আমারা নিতে পারি। গ্রাহকরা অবশ্যই বুঝবেন যে কোথায় টাকা রাখলে তাঁদের

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এবিবি ও সিইও সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, সিদ্ধান্তগুলো হচ্ছে শুধুমাত্র সরকারি ডিপোজিটকে কেন্দ্র করে। সরকারি ডিপোজিট টোটাল ডিপিজিট থেকে ২০-২২ শতাংশ, বাকিগুলো সবই প্রাইভেট সেক্টর বা ইন্ডিভিজুয়াল। তো এই বাকিটা অ্যাডজাস্ট করতে হবে, যদি এটা অ্যাডজাস্ট করা না যায় তবে অনেক প্রাইভেট ব্যাংক ইতিমধ্যেই ট্রেজারি বন্ডে ইনভেস্ট করছে।

কিন্তু সরকারের এমন সিদ্ধান্ত কতটুকু বাস্তবসম্মত! যাদের সংসার চলে ব্যাংক আমানতের লাভ দিয়ে- তারাই বা কী ভাবছেন?

সাধারণ মানুষ বলছেন, জীবনযাত্রার ব্যয় দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে অথচ মুনাফা কমে যাচ্ছে। আমাদের কথা চিন্তা করে যেন এটা বাস্তবায়ন করা হয় তাই প্রত্যাশা।

বাস্তবতা হলো, অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসেই সরকারের ঋণ পুরো বছরের প্রাক্কলনকে ছাড়িয়ে গেছে। সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত সরকারি বিল বন্ডের সুদহার যেখানে ৮ শতাংশের বেশি সেখানে ঝুঁকি নিয়ে শতাংশ সুদে ঋণ দিতে ব্যাংকগুলো আগ্রহী হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা মির্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, যদি ৬ শতাংশ ঋণ হয় তবে ইনফ্লেশন রেটও ৬ শতাংশ। তাহলে ব্যাংকে টাকা রাখলে তো আমার কোন লাভ হচ্ছে না।

এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, প্রকৃতপক্ষে সে যে টাকাটা রাখছে এফডিয়ারে, সে টাকাটা আরও কমে যাচ্ছে। সুতরাং এটা বাস্তবায়ন যোগ্য কিনা সে বিষয়ে একটা প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

অর্থমন্ত্রীর এমন সিদ্ধান্ত গোটা অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত বলে মনে করছেন অর্থনীতি বিশ্লেষক আহসান এইচ মনসুর। তার মতে, গুটি কয়েক মানুষের পরামর্শে এমন সিদ্ধান্ত হঠকারীতার সামিল। তিনি বলেন, ব্যাংকের ডিপোজিট কমে যাবে, ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা কমে যাবে। যেটুকু ঋণ দেওয়া হবে সেটা শুধু বড় বড় উদ্যোক্তারাই পাবে। বা যারা নিজেরাই ব্যাংকের মালিক তাঁরা একজন আরেকজনকে দিবে।

সুদহার কমানোর বিকল্প হতে পারে বিদেশি ঋণ। কিন্তু সেখানে ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন আতংকে উৎসাহী হচ্ছেন না উদ্যোক্তারা।

শিগগির অবমূল্যায়নই পারে সুদহারসহ অনেক সমস্যার সমাধান।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর