channel 24

সর্বশেষ

  • উম্মুল কোরা বিশ্ববিদ্যালয় রেক্টরের সঙ্গে সৌদিতে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

  • সিরাজগঞ্জে বাসাবাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৬ জন দগ্ধ

  • কাল শুরু বাংলাদেশের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান; প্রতিপক্ষ ভারত

  • চীনের বাইরে ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে করোনা; আক্রান্ত ১ হাজার ৭১২ জন

  • জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৫ সদস্যের ওয়ানডে দল ঘোষণা

  • গাইবান্ধা-৩ ও বাগেরহাট-৪ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহানন্দা নদী তীরবর্তী এলাকায় পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণ বেআইনি

  • অর্থপাচার মামলায় আটক পাপিয়াকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার

  • স্বামীর দেয়া আগুনে দগ্ধ অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর মৃত্যু

  • দুদিনের সফরে কাল ভারত আসছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

  • নির্বাচনি প্রচারণায় আসছে নানা বিধিনিষেধ; যত্রতত্র পোস্টার-মাইকিং নয়

  • উন্নয়ন পরিকল্পনা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে দুর্ভোগে পড়তে হয় জনগণকে

  • দেশের পুঁজিবাজারে আজও সূচকের পতন

  • আন্তর্জাতিক জ্বালানি খাতে নিজেদের আধিপত্য বাড়াতে চায় সৌদি আরব

  • ভুতুড়ে বিল বন্ধ করতে প্রযুক্তি ব্যবহারের বিকল্প নেই: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

বৈশ্বিক অস্থিরতায় জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ে শঙ্কা

বৈশ্বিক অস্থিরতায় জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ে শঙ্কা

ইরাক, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন রাজনৈতিক টানাপোড়েনে জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতার শঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। দীর্ঘমেয়াদে যার প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশেও। যদিও এখন পর্যন্ত তেমন কোনো আভাস পাচ্ছে না আমদানির দায়িত্বে থাকা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান--বিপিসি।

যুক্তরাষ্ট্র, ইরাক এবং ইরান। ২০১৮ সালের পুরো বিশ্বে উৎপাদিত জ্বালানির তেলের প্রায় ৩০ শতাংশ দখলে রেখেছিল এই তিন দেশ। যেখানে কেবল আমেরিকার উৎপাদন ছিল দৈনিক এক কোটি ৮০ লাখ ব্যারেল হারে। কিন্তু নতুন করে রাজনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হওয়ায় অস্থিরতার শঙ্কায় এই পণ্যের বাজার।

এ প্রসঙ্গে বিপিসির চেয়ারম্যান বলেন, দাম না বাড়িয়ে সরবরাহ নিশ্চিতে যথেষ্ট পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি রয়েছে সরকারের।   

বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বাড়লে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয় বাংলাদেশের জন্য। কেননা এই পণ্যে এখনো নির্ভরতা প্রায় শতভাগ। ফলে ভবিষ্যতের জন্য হিসাব নিকাশ কষতে শুরু করেছে আমদানির দায়িত্বে থাকা রাষ্ট্রীয় করপোরেশন বিপিসি।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম. তামিম বলেন, তেলের দর যদি ৮০ ডলারের উপরে হয়ে যায় তবে মারাত্বক ঝুঁকির সৃষ্টি করতে পারে। তেলের উপর বাংলাদেশের নির্ভরশীলতা থাকায় কিছুটা প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম. তামিম।  

দেশের বাজারে প্রতি মাসে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকার তেল বেচাকেনা করে বিপিসি। যার ৬৫ শতাংশ ডিজেল। আর সিংহভাগই আমদানি হয় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে। ২০১৩ সালের পর আন্তর্জাতিক বাজারের পড়তি দামে কয়েক বছরে মোটা অঙ্কের মুনাফা করে করপোরেশন।

সে কারণে ২০১৬ সালে দেশীয় বাজারেও দাম সমন্বয় করা হয় কিছুটা। তাদের হিসেবে, প্রতি ব্যারেল ডিজেল সর্বোচ্চ ৭৪ ডলারে কেনা গেলে কোনো লোকসান গুণতে হয় না করপোরেশনকে। কিন্তু বর্তমানে সেই দাম ঠেকেছে ৮০ ডলারে।

বাজার আরো খানিকটা ঊধ্বমুখী হলেও ভোক্তাদের ওপর চাপ না বাড়িয়ে বরং ভর্তুকির মাধ্যমে বাজার ঠিক রাখবে সরকার। এমন বাস্তবতায় তেলের বিকল্প জ্বালানিতে আরো মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর