channel 24

সর্বশেষ

  • বিড়াল উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস!

  • মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে সুপ্রিমকোর্টে ক্ষণ গণনার ঘড়ি উদ্বোধন

  • করোনা ভাইরাস: শাহজালাল বিমানবন্দরে বসানো হয়েছে স্ক্যানিং মেশিন

  • শেষ হল নারী ফুটবল লিগের দলবদল

  • নড়াইলে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ষাঁড়ের লড়াই

  • মৌলভীবাজার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে তিনদিন ধরে সার্ভারে সমস্যা

  • এক নারীকে নির্যাতনের পর পিকআপ থেকে ফেলে দেয়ার অভিযোগ

  • মিথ্যা ঘোষণায় আনা ১ কন্টেইনার সিগারেট জব্দ

  • বাংলাদেশকে অন্ধকার থেকে আলোতে এনেছে আ.লীগ: পরিকল্পনামন্ত্রী

  • কলেজছাত্রী হত্যা মামলায় প্রভাষকের মৃত্যুদণ্ড, এডভোকেটের যাবজ্জীবন

  • তেঁতুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অর্ধশতাধিক

  • হামলা-মামলার বিষয়ে কূটনীতিকদের অবহিত করলো বিএনপি

  • নিখুঁতভাবে কৃষিকাজ করছে রোবট

  • ইলিশের পুষ্টিগুণ, ডিমছাড়া নাকি ডিমওয়ালা ইলিশটি বেশি স্বাদের?

  • মাছকে খাবার দিবে যন্ত্র! দেশেও শুরু হয়েছে এই প্রযুক্তি

বাজারে পেঁয়াজের দাম কমলেও বাড়ছে চালের দাম

বাজারে পেঁয়াজের দাম কমলেও বাড়ছে চালের দাম

রাজধানীর বাজারে এক মাসের ব্যবধানে চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ছয় থেকে সাত টাকা পর্যন্ত। মিল মালিকরা সিন্ডিকেট করে চালের দাম বাড়াচ্ছে বলে অভিযোগ, ক্রেতা-বিক্রেতাদের। তবে বাজারে কমছে আমদানি করা পেঁয়াজ ও আদার দাম।

কৃষকের ঘরে এখন নতুন ধানের মৌ মৌ গন্ধ। অতীত অভিজ্ঞতা বলে, এ সময় চালের দাম কম থাকে। কিন্তু উল্টো চিত্র রাজধানীর বাজারে। এখনও চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে, বাঙালির প্রধান এ খাদ্যদ্রব্য।

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবি তথ্য বলছে, গেল এক মাসে সব ধরনের চালের দাম গড়ে বেড়েছে, সাড়ে ৭ শতাংশের মতো। বাজারে এখন মিনিকেট চাল ৪৬ থেকে ৪৮, নাজিরশাইল মানভেদে ৪৮ থেকে ৬০ আর মোটা চাল বিআর আটাশ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকায়।

এমনিতেই দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাস ওঠা ক্রেতাদের কাছে, বাড়তি বোঝা হয়ে এসেছে চালের দাম বৃদ্ধি। আর এজন্য মিল মালিকদের দুষছেন খুচরা বিক্রেতারা। তাঁরা বলছেন, যারা মিল মালিক তাদের একটা সিন্ডিকেটের কারণে চালের দামটা বাড়ছে। তাছাড়া চালের দাম এখন কিছুতেই বাড়ার কথা না। দেশে তো ধান চালের কোন অভাব নাই।

অবশ্য কিছুটা স্বস্তির খবর পেঁয়াজের বাজারে। দেশিটা এখনও ২৫০ থেকে ২৬০ টাকায় বিক্রি হলেও, কমতে শুরু করেছে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম। প্রতি কেজি চায়না পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, মিশরেরটা ১২০ আর পাকিস্তানি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়। বিক্রেতারা বলছেন, জোগান না বাড়লে, শিগগিরই কমবে না দেশি পেঁয়াজের দাম।

বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ থাকলে আরও দাম করবে। আর ক্রেতারা বলছেন, সাধারণ মানুষ কিনতে সাহস পাবে নাকি ২৫০টাকা কেজি পেঁয়াজ।

এক মাসের ব্যবধানে আদার দাম কমেছে ২০ শতাংশেরও বেশি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর