channel 24

সর্বশেষ

  • ক্রমেই অসহায় হয়ে উঠছে বিশ্ব

  • স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা সরঞ্জাম দিলো স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস

  • আকিজ গ্রুপের হাসপাতাল তৈরিতে জনতার ক্ষোভ

  • জনগণকে সচেতন হবার আহ্বান জানিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ

  • শৈশব থেকেই বলিষ্ঠ নেতৃত্বের অধিকারী ছিলেন বঙ্গবন্ধু

  • স্পেনে আরও ৮৩২ জনের প্রাণহানি

  • কাল থেকে সংসদ টেলিভিশনে শ্রেণী ভিত্তিক পাঠদান চলবে

  • ৭ দিন নিষেধাজ্ঞা বাড়লো বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচলের

  • রাঙ্গামাটিতে জীবাণুনাশক ছিটিয়েছে সেনাবাহিনী

  • ফাঁকা ঢাকা; মানুষের সচেতনতায় কাজ করছে সেনা সদস্যরা

  • শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে স্বাবলম্বী লালমনিরহাটের হাফিজুর

  • 'অর্থনীতি পুনরুদ্ধার প্যাকেজ' বিলে সই করেছেন ট্রাম্প

  • মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নাগরিকের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ করার নির্দেশ

  • বন্ধ হচ্ছে কারখানা; চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে ২০ লাখ শ্রমিক

  • চট্টগ্রামে করোনা প্রতিরোধে সেনাবাহিনী ও জেলা প্রশাসনের অভিযান

নভেম্বরের স্থিতাবস্থা ডিসেম্বরে এসেই অস্থির পুঁজিবাজার

নভেম্বরের স্থিতাবস্থা ডিসেম্বরে এসেই অস্থির পুঁজিবাজার

দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের অস্বস্তি কাটছেই না। নভেম্বরের স্থিতাবস্থা, ডিসেম্বরে এসেই নেতিবাচক ধারায়। বিশ্লেষকরা বলছেন, নেতিবাচক অর্থনীতি সূচকের খবর এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বছর সমাপনি ঘিরে শেয়ার বিক্রির চাপে এই বড় দরপতনের কারণ। দ্রুত বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফেরানোর তাগিদ বিশ্লেষকদের।

আবারও বড় দরপতনে দেশের পুঁজিবাজার। গেলো নভেম্বরের জুড়ে বাজারে কিছুটা স্থিতিবস্থা ফিরলেও, ডিসেম্বরে এসেই আবারও সেই পতনের ধারায়।

চলতি মাসের ৬ কর্মদিবসে ডিএসইর প্রধান সূচক কমেছে ১৯৮ পয়েন্ট। সাড়ে ৪শ কোটির টাকার লেনদেনও কমে, নেমে এসেছে ৩শ কোটির ঘরে। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক কমেছে ৪৮৯ পয়েন্ট।

বিশ্লেষক ও ডিবিএ এর সাবেক সভাপতি বলছেন, দেশের অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকের নেতিবাচক খবরে, নতুন করে আস্থার সংকটে বিনিয়োগকারীরা। সেইসাথে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ডিসেম্বরের হিসাব সমাপনীকে ঘিরে শেয়ার বিক্রির চাপে বাজার নিম্নমুখি।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আওবু আহমেদ বলেন, ইকনোমিক ইন্ডিকেটরসগুলোর নেতিবাচক খবরে আমাদের পক্ষে যাচ্ছে না কিছুই।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট কাটাতে হবে আগে। এজন্য পরিচালকদের এককভাবে ২ শতাংশ ও সম্মিলিত ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণ নীতিসহ বিদ্যমান আইনগুলো বাস্তবায়ন জরুরি। এছাড়াও আর্থিক হিসাবে স্বচ্ছতা নিশ্চিতেরও তাগিদ তাদের।  

এওএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী মাহবুব এইচ মজুমদার বলেন, সমসাময়ক অঞ্চলের মধ্যে যদি বলেন, মার্কেট পির রেশিও কম আর মার্কেট পির রেশিও কম মানেই হচ্ছে ইনভেস্টমেন্ট গ্রেডে আছে আপনার শেয়ার। তাহলে বিদেশিরা কেন চলে যাবে, কেন বিদেশি আরও ইনভেস্টমেন্ট আসছে না। সেটা আসছে না আতংকের কারণে, না বুঝে কথা বলার কারণে। সাধারণ বিনিয়োগকারীরা যেমন দূরে সরে যাচ্ছে।

এদিকে পুঁজিবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আওবু আহমেদ বলেন, কৃষি উদ্যোক্তা প্রতারণা করেছে, কেউ নোটিশ দিয়ে বিক্রি করেছে আবার কেউ নোটিশ ছাড়াই বিক্রি করেছে। সত্যি কথা বলতে সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন সিরিয়াস না এসব ব্যাপারে। তাদের ম্যানেজমেন্ট থেকে সরায় দেওয়া হোক।
 
এদিকে দরপতন ঠেকাতে অর্থমন্ত্রী ও গভর্নরের সাথে বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ডিএসই।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর