channel 24

সর্বশেষ

  • সশস্ত্র বাহিনীকে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়...

  • সক্ষম করে তুলতে কার্যকর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী...

  • সেনাকুঞ্জের সম্প্রসারিত ও পুনর্নির্মিত ভবন উদ্বোধন

  • ইমার্জিং এশিয়া কাপ: আফগানিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে...

  • ফাইনালে বাংলাদেশ; শনিবার প্রতিপক্ষ পাকিস্তান...

  • আফগানিস্তান ২২৮/৯ (দারউইশ ১১৪), বাংলাদেশ ২২৯/৩ (সৌম্য ৬১)

  • অন্ধকার যুগ পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ: প্রধানমন্ত্রী

  • বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যা: প্রসিকিউশন টিমে...

  • পরিবারের পছন্দ অনুযায়ী দুজন আইনজীবী রাখা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

  • চালের দাম বৃদ্ধির কারণ বোধগম্য নয়: কৃষিমন্ত্রী...

  • ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেলে একজনের মৃত্যু

  • খুলনাসহ বিভিন্ন জেলায় এখনও বাস চলাচল বন্ধ...

  • সড়ক আইনের কিছু বিষয় নিয়ে চিন্তা করছেন প্রধানমন্ত্রী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী...

  • যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটার কোনো কারণ নেই: ওবায়দুল কাদের

  • বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকীর ছেলে জুম্মান সিদ্দিকীকে...

  • বিশেষ বিবেচনায় হাইকোর্টে সনদ দেয়ার ঘটনা চ্যালেঞ্জ করে রিট

  • অর্থপাচার: ইটিভির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস সালামের মামলা...

  • বাতিল করেছেন হাইকোর্ট; আপিল করবে দুদক: আইনজীবী

  • সশস্ত্র বাহিনী দিবস: শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা...

  • বীরশ্রেষ্ঠসহ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা

  • বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকীর ছেলে জুম্মান সিদ্দিকীকে...

  • বিশেষ বিবেচনায় হাইকোর্টে সনদ দেয়ার ঘটনা চ্যালেঞ্জ করে রিট

  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসে পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার...

  • খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এখনও বাস চলাচল বন্ধ

পাটকল করপোরেশন থেকে রপ্তানি নেমেছে তিন ভাগের একভাগে

পাটকল করপোরেশন থেকে রপ্তানি নেমেছে তিন ভাগের একভাগে

বছর ব্যবধানে পাটকল করপোরেশন থেকে রপ্তানি নেমেছে তিন ভাগের একভাগে। ফলে, সার্বিক আয়ে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে, করপোরেশন। এ জন্য দায়ী করা হচ্ছে, রপ্তানি বাজারের অ্যান্টি ডাম্পিং ইস্যুকে। তবে, বিশ্লেষকরা মনে করেন, সময় এসেছে সংস্থাটিকে একেবারে গুটিয়ে ফেলার। সেই সাথে, তাদের অধীনে থাকা ২৫ হাজার কোটি টাকার সম্পদ কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেয়ার পরামর্শও তাদের।

দীর্ঘদিন ধরে এক রকম খুঁড়িয়ে চলা বিজেএমসির ২২ কলে মূল উৎপাদনী পণ্য পাটের সুতা, চট এবং বস্তা। যার বড় একটা অংশ ব্যবহৃত হয় দেশের ভেতরে। এছাড়া, রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে অন্যতম নির্ভরতা ভারত। কিন্তু, অ্যান্টি ডাম্পিং শুল্ক আরোপ হওয়ায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মারাত্মকভাবে রপ্তানি কমেছে সেখানে। আর মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি বাজারেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ পাটকল করপোরেশন। যার ফলে, এক বছরের ব্যবধানে সার্বিক আয় সাড়ে ১১শ কোটি থেকে নেমে এসেছে ৫শ ৯২ কোটিতে।

২০০১-০২ থেকে সবশেষ অর্থবছর পর্যন্ত, বরাবরই দেশীয় বাজার থেকে কয়েকগুণ বেশি ছিল রপ্তানি আয়। এই সময়ে, ধারাবাহিকতায়ও বজায় ছিল কম বেশি। কিন্তু, ১৮-১৯ এর চিত্র হতাশ করেছে একেবারেই। রপ্তানি করা গেছে মাত্র আড়াইশ কোটি টাকার পণ্য। যা আগের বছর ছিল ৮৩৫ কোটি।

বিজেএমসি এর চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ নাছিম বলেন, গত এক দেড়মাসে আমাদের খুব ভালো ভালো কিছু বায়ার সিরিয়া, জর্ডান এমনকি সুডান থেকেও পেয়েছি। এগুলো যদি আমরা খুব ভালো ভাবে সেলয়াউট করতে পারি তাহলে বর্তমান অবস্থা আমরা খুব তারাতারি পরিবর্তন করতে পারবো।

এদিকে সিপিডির গবেষোণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বিজেএমসি কোনভাবেই তার বর্তমান কাঠামোতে এই ব্যয়ভারকে উৎপাদন মূল্যের চেয়ে কমিয়ে এনে লাভজনক ভাবে বিক্রি করার মত অবস্থায় নেই।  

আয়ে ধস নামলেও, সমানতালে ব্যয় কমাতে ব্যর্থ হয়েছে বিজেএমসি। উল্টো পণ্য উৎপাদন করতে না পারার কারণে লোকসান বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। যদিও কিছুটা কমেছে সার্বিক শ্রম খরচ। আর এই সঙ্কট সামাল দিতে প্রতি বছর গড়ে ৫ থেকে ৬শ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে করপোরেশনকে। যা চাপ বাড়িয়েছে রাষ্ট্রের আর্থিক ব্যস্থাপনায়। যদিও করপোরেশনের অধীনে থাকা ২৫ হাজার কোটি টাকার সম্পদকে কাজে লাগানোর উদ্যোগ দেখা যায়নি কখনোই।

সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ভুর্তুকি দিয়ে যদি আমরা এটাকে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করি তাহলে এটা আমাদের বাজেটের দিক থেকেও এটা ঠিক হয় না এবং অন্যদিক থেকে এটার অল্টারনেটিভ যেটা নাকি আমরা বিনিয়োগ করতে পারতাম সেটাও হচ্ছে না।

হাজার হাজার একর জমি আছে যেগুলোকে আমরা ইকনোমিক জোনে পরিবর্তন করে আমরা প্রতিটা থেকে ২/১ বিলিয়ন ডলারের এক্সপোর্ট আনতে পারি। কিন্তু সেটা আমারা নিচ্ছি না। শুধুমাত্র কতিপয় স্বার্থান্বেষি মহলের স্বার্থের যোগান দেওয়ার জন্য।

অবশ্য বাধ্যতামূলক প্যাকেজিং আইনের পূর্ণ বাস্তবায়ন আর্থিক সঙ্কট কাটাতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করে করপোরেশন।

রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর লোকসানের পিছনে অনেক ক্ষেত্রেই দায়ী করা হয় অপচয়, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা এবং দূর্নীতিকে। অথচ এটি বন্ধে কার্যকর কোনো উদ্দেগ দেখা যায় না কখনই। উলটো জনগণের টাকা দিয়ে বাঁচিয়ে রাখা হয় প্রতিবছরই বিপুল পরিমান ভুর্তুকির মাধ্যমে। তাই অনেকের মত্যে এই প্রবণতা বন্ধ করতে দরকার সঠিক, সময় উপযোগী এবং কঠোর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর