channel 24

সর্বশেষ

  • পাকিস্তানে ফিরলো টেস্ট ক্রিকেট

  • চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: রাতে মুখোমুখি বায়ার্ন মিউনিখ-টটেনহ্যাম

  • আইসিজেতে মামলার এখতিয়ার নেই গাম্বিয়ার: মিয়ানমারের আইনজীবী

  • নাগরিকত্ব বিল ঘিরে উত্তপ্ত ভারতের রাজ্যসভাও

  • বিজয়ীর বেশে দেশে ফিরলো দশ স্বর্ণজয়ী আর্চারি দল

  • খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে জমা; জামিন শুনানি কাল

  • গরু ছাগল চিনলেই চালক, দায়িত্বশীলদের কথা এমন হতে পারে না: হাইকোর্ট

  • আখাউড়া সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ৯ রোহিঙ্গা আটক

  • বনানীতে মাটি চাপা অবস্থায় চীনা নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার

  • চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপ-নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

  • কেরানীগঞ্জে অগ্নিদগ্ধ ৩৩ জন ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি, কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

  • খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি ঘিরে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার

  • ইলিয়াস কাঞ্চনের বিরুদ্ধে শ্রমিকদের আন্দোলন নোংরামি: হাইকোর্ট

  • শারীরিক প্রতিবন্ধকতা দমাতে পারেনি দুই ভাই-বোনকে

  • শহরগুলোকে স্মার্ট করতে প্রয়োজন প্রশাসনের বিকেন্দ্রীকরণ: মুহিত

প্রয়োজনের অতিরিক্ত শ্রমিক পুষে মোটা লোকসানে পাটকল করপোরেশন

প্রয়োজনের অতিরিক্ত শ্রমিক পুষে মোটা লোকসানে পাটকল করপোরেশন

এক বছরে চালু তাঁতের সংখ্যা কমেছে দেড় হাজার। উৎপাদনও হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেক। অথচ, প্রয়োজনের অতিরিক্ত শ্রমিক পুষতে হয়েছে নয় হাজারের উপরে। যাদের পেছনে বাড়তি খরচ গেছে ৪৫ কোটি টাকা। ফলে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় ২২ পাটকলে শতকোটি টাকা লোকসান বেড়ে তা ছাড়িয়েছে পৌনে ছয়শ কোটি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, রুগ্ন প্রতিষ্ঠানের পেছনে করের টাকা না ঢেলে এখনই উচিত তা বন্ধ করে দেয়া।

সারিবদ্ধ তাঁতঘরে যন্ত্রের শশব্দ আওয়াজ বেশ খানিকটা ফিকে হয়ে গেছে লতিফ বাওয়ানী জুট মিলে। পরিত্যক্ত হয়ে আছে বহু তাঁত। জমাট বাঁধা ধুলোয়, কোনোটিকে চেনাও এখন দুঃসাধ্য। ১৯৫৬ থেকে উৎপাদন চললেও বর্তমানে সাড়ে আটশ যন্ত্রের মধ্যে চালু মাত্র ৩৮৮টি। অথচ, এর বিপরীতে শ্রমিক কাজ করেছে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি। যারা পণ্য উৎপাদন করতে পারেনি লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকও। 

প্রায় একই অবস্থা, বিজেএমসির অন্য কলগুলোর। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে করপোরেশনের ২২ কলে মোট তাঁত চলেছে চার হাজারের কিছু বেশি। যা আগের বছর থেকে কমেছে দেড় হাজার। অথচ ৩৯ হাজার স্থায়ী শ্রমিকের বিপরীতে কাজ করেছে ৫৯ হাজার। ফলে, বাড়তি শ্রমিক পুষতে গিয়ে অতিরিক্ত লোকসান দিতে হয়েছে ৪৫ কোটি টাকা।

আরো ভয়াবহ অবস্থা ছিল উৎপাদন পর্যায়ে। কারণ, দৈনিক ৪শ টন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে পণ্য পাওয়া গেছে আড়াইশ টনের কম। তাই, সক্ষমতা অনুযায়ী উৎপাদন না হওয়ায়, সেখানে ক্ষতি গেছে ৩৩৪ কোটি টাকা। উৎপাদন করতে না পারার পেছনে বড় যুক্তি ছিল, কাঁচা পাটের অভাব। নগদ টাকা না থাকায় যা সময়মতো কিনতে পারেনি কলগুলো। এছাড়া, বহু অপ্রত্যাশিত খরচে ভারি ছিল আয় ব্যয়ের খাতা। যে কারণে, এক বছরের ব্যবধানে ৫০ কোটি টাকা লোকসান বেড়ে দাঁড়িয়েছে পৌনে ছয়শ কোটিতে।

উৎপাদনের বাইরে রপ্তানি বাজারেও দুরবস্থায় পড়েছে করপোরেশন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর