channel 24

সর্বশেষ

  • ট্রেনে কিছুটা মানলেও লঞ্চে উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি

  • দীর্ঘতম ছুটি শেষে স্বরূপে রাজধানী

  • সাতক্ষীরায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে ১ জনের মৃত্যু, আহত ২ শিশু

  • খুলনায় প্লাজমা থেরাপি দেয়া করোনা রোগীর মৃত্যু

  • বিদ্যুতের বাড়তি বিল হলে পরবর্তীতে সমন্বয় করা হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

  • ২ মাস পর চালু হল পুঁজিবাজারে লেনদেন; সূচকে ইতিবাচক ধারা

  • কুষ্টিয়ায় নিজে রান্না করে অসহায় মানুষকে খাবার দিচ্ছেন কলেজ ছাত্রী

  • জিপিএ-৫ না পাওয়ায় ছাত্রীর আত্মহত্যা

  • স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন চলাচল শুরু

  • এসএসসির ফলাফল এসএমএস ও অনলাইনে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেই উল্লাসের রঙ

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রিভলবার ও গুলিসহ যুবলীগ নেতা আটক

  • চট্টগ্রামে রাস্তায় নেমেছে বাস; বাড়তি ভাড়া আদায়

  • ঝিনাইদহে পুকুর থেকে দুই ভাই বোনের মৃতদেহ উদ্ধার

  • চট্টগ্রামে চিকিৎসা না পেয়ে মারা গেলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

  • রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় ফাঁসি মওকুফ পাওয়া আসলাম আবারও হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার

প্রয়োজনের অতিরিক্ত শ্রমিক পুষে মোটা লোকসানে পাটকল করপোরেশন

প্রয়োজনের অতিরিক্ত শ্রমিক পুষে মোটা লোকসানে পাটকল করপোরেশন

এক বছরে চালু তাঁতের সংখ্যা কমেছে দেড় হাজার। উৎপাদনও হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেক। অথচ, প্রয়োজনের অতিরিক্ত শ্রমিক পুষতে হয়েছে নয় হাজারের উপরে। যাদের পেছনে বাড়তি খরচ গেছে ৪৫ কোটি টাকা। ফলে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় ২২ পাটকলে শতকোটি টাকা লোকসান বেড়ে তা ছাড়িয়েছে পৌনে ছয়শ কোটি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, রুগ্ন প্রতিষ্ঠানের পেছনে করের টাকা না ঢেলে এখনই উচিত তা বন্ধ করে দেয়া।

সারিবদ্ধ তাঁতঘরে যন্ত্রের শশব্দ আওয়াজ বেশ খানিকটা ফিকে হয়ে গেছে লতিফ বাওয়ানী জুট মিলে। পরিত্যক্ত হয়ে আছে বহু তাঁত। জমাট বাঁধা ধুলোয়, কোনোটিকে চেনাও এখন দুঃসাধ্য। ১৯৫৬ থেকে উৎপাদন চললেও বর্তমানে সাড়ে আটশ যন্ত্রের মধ্যে চালু মাত্র ৩৮৮টি। অথচ, এর বিপরীতে শ্রমিক কাজ করেছে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি। যারা পণ্য উৎপাদন করতে পারেনি লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকও। 

প্রায় একই অবস্থা, বিজেএমসির অন্য কলগুলোর। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে করপোরেশনের ২২ কলে মোট তাঁত চলেছে চার হাজারের কিছু বেশি। যা আগের বছর থেকে কমেছে দেড় হাজার। অথচ ৩৯ হাজার স্থায়ী শ্রমিকের বিপরীতে কাজ করেছে ৫৯ হাজার। ফলে, বাড়তি শ্রমিক পুষতে গিয়ে অতিরিক্ত লোকসান দিতে হয়েছে ৪৫ কোটি টাকা।

আরো ভয়াবহ অবস্থা ছিল উৎপাদন পর্যায়ে। কারণ, দৈনিক ৪শ টন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে পণ্য পাওয়া গেছে আড়াইশ টনের কম। তাই, সক্ষমতা অনুযায়ী উৎপাদন না হওয়ায়, সেখানে ক্ষতি গেছে ৩৩৪ কোটি টাকা। উৎপাদন করতে না পারার পেছনে বড় যুক্তি ছিল, কাঁচা পাটের অভাব। নগদ টাকা না থাকায় যা সময়মতো কিনতে পারেনি কলগুলো। এছাড়া, বহু অপ্রত্যাশিত খরচে ভারি ছিল আয় ব্যয়ের খাতা। যে কারণে, এক বছরের ব্যবধানে ৫০ কোটি টাকা লোকসান বেড়ে দাঁড়িয়েছে পৌনে ছয়শ কোটিতে।

উৎপাদনের বাইরে রপ্তানি বাজারেও দুরবস্থায় পড়েছে করপোরেশন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর