channel 24

সর্বশেষ

  • বান্দরবানে ঘুমধুম সীমান্তে বিজিবির সাথে 'বন্দুকযুদ্ধে'...

  • ২ রোহিঙ্গা মাদক ব্যবসায়ী নিহত

  • চট্টগ্রামের পাথরঘাটায় গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে দেয়ালধস...

  • নিহত ৭, কয়েকজন গুরুতর আহত; ২০ জন চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি

  • ঘটনা তদন্তে ২টি কমিটি; আহতদের সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস মেয়রের

  • আজ থেকে নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর...

  • হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল চালকরা অধিকাংশই রাজনৈতিককর্মী: কাদের

  • সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়স ৬০: আপিল বিভাগ

  • স্বাধীন প্রসিকিউশন কমিশন কেন গঠন করা হবে না: হাইকোর্টের রুল

  • পেঁয়াজ নিয়ে নৈরাজ্যের ঘটনা তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

  • সুষ্ঠু পরীক্ষা নিতে জেলা, বিভাগ পর্যায়ে মনিটরিং সেল...

  • প্রশ্নফাঁসের কোনো খবর নেই: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

  • দুর্নীতি মামলা: যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা সম্রাট ৬ দিনের রিমান্ডে

  • অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসায়ী সেলিম প্রধানকে...

  • ৭ দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে দুদক

  • বনানীর এফ আর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতির মামলায় জমির মালিক...

  • ফারুকসহ ৩ জনের জামিন বাতিল, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

এবারই প্রথম বাংলাদেশকে নিয়ে নেতিবাচক কথা হয়নি: ইআরডি সচিব

এবারই প্রথম বাংলাদেশকে নিয়ে নেতিবাচক কথা হয়নি: ইআরডি সচিব

বাংলাদেশের অবস্থা এখন এমনই যে কোনো দেশ এখানে বিনিয়োগ নিয়ে এলে লাভবান হবে। বিশ্বব্যাংক আইএমএফের বার্ষিক সভায় এমন কথাই উচ্চারিত হয়েছে, বিভিন্ন সংস্থা আর প্রতিষ্ঠানের সাথে অর্থমন্ত্রীর বৈঠকে। এবারই প্রথম কোন নেতিবাচক শব্দ উচ্চারিত হয়নি বাংলাদেশ নিয়ে এমনই দাবী ইআরডি সচিবের। যদিও রোহিঙ্গা, জলবায়ু, সহজ শর্তের ঋণসহ বহু ইস্যুতে জোরালো অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ ছিলো, বাংলাদেশের সামনে।

প্রতি বছর পুরো বিশ্বকে এক করার প্রত্যয়ে ১৯৪৮ সালে লন্ডনে শুরু হয় বিশ্বব্যাংক আইএমএফের প্রথম বার্ষিক সভা। যা প্যারিস, মেক্সিকো, দিল্লি, জাপান, জার্মানি হয়ে হংকংয়ে পূর্ণ করে পঞ্চাশ বছর। এরপর সিঙ্গাপুর, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, হয়ে যুক্তরাষ্ট্র এ বছর অনুষ্ঠিত হলো ২৫তম সভা। যেখানে ১৮৯ সদস্য দেশ তুলে ধরে চলমান বাস্তবাতা। উঠে আসে, জলবায়ুর প্রভাব, আঞ্চলিক বৈষম্য, বৈশ্বিক বাণিজ্য সঙ্কট আর শরণার্থী সমস্যার মতো বিষয়গুলো। যা নিয়ে টানা আলোচনা চলে দীর্ঘ এক সপ্তাহ।

সংস্থার অন্যতম শক্তিশালী সদস্য হিসেবে বরাবরের মতো এবারও বাংলাদেশ থেকে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে যোগ দেন শীর্ষ কর্তারা। যদিও প্লেনারি সেশনে যোগ দেননি তিনি নিজে। কেবল বিচ্ছিন্ন কিছু বৈঠক আর নিমন্ত্রণ ছাড়া সংস্থার শীর্ষ কর্তাদের কাছেও তোলা হয়নি কোনো দাবি-দাওয়া। ফলে বিপুল অর্থ আর সময় খরচের বিনিময়ে দিন শেষে মিলেছে এক রকম আমোদ ভ্রমণের প্রশান্তি।

এ প্রশান্তি আরো উপচে পড়েছে, বিদেশিদের কাছ থেকে প্রশংসা শুনে। শীর্ষ কর্তাদের ভাষায়, এবারই প্রথম নাকি কারো কাছ থেকেই শোনা যায়নি বাংলাদেশ নিয়ে একটিও নেতিবাচক কথা। অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ নিয়ে মন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলেও, উড়িয়ে দেন নিমিষে। ফলে, দিন শেষে প্রাপ্তি সীমাহীন আত্মতুষ্টি।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, যে লক্ষ্যে যেভাবে যাবার কথা বাংলাদেশ সেই লক্ষ্যেই আছে। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বিশ্বের কাতারে বাংলাদেশকে নিয়ে যাবার কথা তারা বিশ্বাস করে যে এটা সম্ভব।

ইআরডি সচিব মনোয়ার আহমেদ বলেন, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের রেজিওনাল ভাইস প্রেসিডেন্টসহ ইডির অফিস থেকেও বলা হয়েছে বাংলাদেশকে সাহায্য করার তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত আছে এবং থাকবে।

প্লেনারি সেশনে বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট বলেছেন, বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর পুঁজিবাজার উন্নয়নে সহায়তার। তারও কোনো রূপরেখা আমলে নেননি সরকারি কর্তারা। এমনকি সহজ শর্তের ঋণ, জলবায়ুর টাকা এবং কারিগরি সহায়তা প্রাপ্তির বিষয়েও সঠিক কোনো প্রতিশ্রুতির খবর মেলেনি এবারের সভায়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর