channel 24

সর্বশেষ

  • বিচারপতিদের শপথ ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে; ফুল কোর্ট সভা বাতিল

  • লিবিয়ায় নিহত ২৬ বাংলাদেশির মধ্যে ২৩ জনের পরিচয় মিলেছে

  • 'আদালতের অনুমতি ছাড়া মোরশেদ খানের বিদেশ যাওয়া আইন সিদ্ধ হয়নি'

  • ছেলে সন্তানের বাবা হয়েছেন আশরাফুল

  • শ্বেতাঙ্গ পুলিশের নৃশংসতায় ৯ রাজ্যে বিক্ষোভ; ৪ পুলিশ অফিসার বরখাস্ত

  • মাটিতে পুঁতে রাখার ১১ মাস পর ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

  • মাঠে গড়ানোর অপেক্ষায় ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ও সিরি আ

  • সোমবার থেকে চলবে গণপরিবহন, রোববার নৌযান

  • জন্মের মাত্র একদিনের মাথায় প্রাণঘাতী করোনার সাথে যুদ্ধ

  • লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিসহ ৩০ জনকে গুলি করে হত্যা, আহত ১১

  • কর্মস্থলে যোগ দিতে চট্টগ্রামে ফিরছে মানুষজন

  • পার্বত্য জেলাগুলোতে সেনাবাহিনীর খাদ্য সহায়তা অব্যাহত

  • করোনা চিকিৎসায় চট্টগ্রামের বেসরকারি হাসপাতালগুলো পুরোপুরি তৎপর নয়

  • কুষ্টিয়ায় করোনা রোগীদের সেবায় একদল স্বেচ্ছাসেবী

  • চট্টগ্রামে নতুন করে ২‘শ ২৯ জন করোনায় আক্রান্ত

এবারই প্রথম বাংলাদেশকে নিয়ে নেতিবাচক কথা হয়নি: ইআরডি সচিব

এবারই প্রথম বাংলাদেশকে নিয়ে নেতিবাচক কথা হয়নি: ইআরডি সচিব

বাংলাদেশের অবস্থা এখন এমনই যে কোনো দেশ এখানে বিনিয়োগ নিয়ে এলে লাভবান হবে। বিশ্বব্যাংক আইএমএফের বার্ষিক সভায় এমন কথাই উচ্চারিত হয়েছে, বিভিন্ন সংস্থা আর প্রতিষ্ঠানের সাথে অর্থমন্ত্রীর বৈঠকে। এবারই প্রথম কোন নেতিবাচক শব্দ উচ্চারিত হয়নি বাংলাদেশ নিয়ে এমনই দাবী ইআরডি সচিবের। যদিও রোহিঙ্গা, জলবায়ু, সহজ শর্তের ঋণসহ বহু ইস্যুতে জোরালো অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ ছিলো, বাংলাদেশের সামনে।

প্রতি বছর পুরো বিশ্বকে এক করার প্রত্যয়ে ১৯৪৮ সালে লন্ডনে শুরু হয় বিশ্বব্যাংক আইএমএফের প্রথম বার্ষিক সভা। যা প্যারিস, মেক্সিকো, দিল্লি, জাপান, জার্মানি হয়ে হংকংয়ে পূর্ণ করে পঞ্চাশ বছর। এরপর সিঙ্গাপুর, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, হয়ে যুক্তরাষ্ট্র এ বছর অনুষ্ঠিত হলো ২৫তম সভা। যেখানে ১৮৯ সদস্য দেশ তুলে ধরে চলমান বাস্তবাতা। উঠে আসে, জলবায়ুর প্রভাব, আঞ্চলিক বৈষম্য, বৈশ্বিক বাণিজ্য সঙ্কট আর শরণার্থী সমস্যার মতো বিষয়গুলো। যা নিয়ে টানা আলোচনা চলে দীর্ঘ এক সপ্তাহ।

সংস্থার অন্যতম শক্তিশালী সদস্য হিসেবে বরাবরের মতো এবারও বাংলাদেশ থেকে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে যোগ দেন শীর্ষ কর্তারা। যদিও প্লেনারি সেশনে যোগ দেননি তিনি নিজে। কেবল বিচ্ছিন্ন কিছু বৈঠক আর নিমন্ত্রণ ছাড়া সংস্থার শীর্ষ কর্তাদের কাছেও তোলা হয়নি কোনো দাবি-দাওয়া। ফলে বিপুল অর্থ আর সময় খরচের বিনিময়ে দিন শেষে মিলেছে এক রকম আমোদ ভ্রমণের প্রশান্তি।

এ প্রশান্তি আরো উপচে পড়েছে, বিদেশিদের কাছ থেকে প্রশংসা শুনে। শীর্ষ কর্তাদের ভাষায়, এবারই প্রথম নাকি কারো কাছ থেকেই শোনা যায়নি বাংলাদেশ নিয়ে একটিও নেতিবাচক কথা। অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ নিয়ে মন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলেও, উড়িয়ে দেন নিমিষে। ফলে, দিন শেষে প্রাপ্তি সীমাহীন আত্মতুষ্টি।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, যে লক্ষ্যে যেভাবে যাবার কথা বাংলাদেশ সেই লক্ষ্যেই আছে। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বিশ্বের কাতারে বাংলাদেশকে নিয়ে যাবার কথা তারা বিশ্বাস করে যে এটা সম্ভব।

ইআরডি সচিব মনোয়ার আহমেদ বলেন, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের রেজিওনাল ভাইস প্রেসিডেন্টসহ ইডির অফিস থেকেও বলা হয়েছে বাংলাদেশকে সাহায্য করার তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত আছে এবং থাকবে।

প্লেনারি সেশনে বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট বলেছেন, বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর পুঁজিবাজার উন্নয়নে সহায়তার। তারও কোনো রূপরেখা আমলে নেননি সরকারি কর্তারা। এমনকি সহজ শর্তের ঋণ, জলবায়ুর টাকা এবং কারিগরি সহায়তা প্রাপ্তির বিষয়েও সঠিক কোনো প্রতিশ্রুতির খবর মেলেনি এবারের সভায়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর