channel 24

সর্বশেষ

  • দিল্লিতে সহিংসতার প্রতিবাদ জানিয়েছে ছাত্র অধিকার পরিষদ

  • অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সময় র‍্যাবের হাতে লাঞ্ছিত ম্যাজিস্ট্রেট

  • ব্যাংক খালি হয়ে গেছে: হাইকোর্ট

  • ডাকঘর সঞ্চয়ে সুদহার আগের মতোই থাকছে: অর্থমন্ত্রী

  • দুদককে নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন সত্য নয়: দুদক সচিব

  • একে একে বেরিয়ে আসছে পাপিয়ার নানা পাপ

  • উন্নত চিকিৎসায় সম্মত হননি খালেদা জিয়া

  • দিল্লিতে গুজরাটের ছায়া; শিশু ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাসহ প্রাণ গেছে ২৩ জনের

  • কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে গ্রাহকরা সব টাকা পাবেন

  • ঢাকা মেডিকেলে পরজীবী শিশু আলাদা করে সফল অস্ত্রোপচার

  • ভর্তি পরীক্ষা হবে ৪টি গুচ্ছ পদ্ধতিতে, থাকছে না ঢাকাসহ ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়

  • কোনো নারী বিয়ে পড়াতে পারবেন না: হাইকোর্ট

  • কাপ্তাই হ্রদের পানি কমছে ধীরগতিতে, ফসল নিয়ে দু:চিন্তায় চাষীরা

  • দেশের পুঁজিবাজারে বড় পতন

  • অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষায় নামছে বাংলাদেশ নারী দল

সঞ্চয়পত্রে স্বপ্নভঙ্গ সাধারণ মানুষের

সঞ্চয়পত্রে স্বপ্নভঙ্গ সাধারণ মানুষের

সঞ্চয়পত্রে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে সাধারণ মানুষের। বিশেষ করে উৎসে কর ৫ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করায় হতাশ মধ্যবিত্ত বিনিয়োগকারীরা। তাদের মতে সরকার সঞ্চয়পত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করার মাধ্যমে প্রকৃত ভোক্তা নির্ধারণ করার ব্যবস্থা নিয়েছে যা ইতিবাচক। কিন্তু উৎসে কর বাড়ানোর মাধ্যমে পেনশনভোগী কিংবা মধ্যবিত্তের পকেটে হাত দিয়েছে যা অনাকাঙ্খিত। বিশ্লেষকরা বলছেন, উৎসে কর ৫ শতাংশ রাখাই যথাযথ।

সোনালী ব্যাংকের সঞ্চয়পত্রের লভ্যাংশ বিতরণ কাউন্টার। বাজেট প্রস্তাবের পর প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত লভ্যাংশ তুলতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের উপচে পড়া ভিড়। যাদের অনেকেরই সংসার চলে এ টাকায়। কিন্তু মুনাফায় উৎসে কর বাড়ানোর খবরে তাদের চোখেমুখে এখন রাজ্যের হতাশা।

বাজেট প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে পয়লা জুলাই থেকে দশ হাজার টাকা মুনাফা তুলতে কর দিতে হবে এক হাজার টাকা। আগে ৫শ টাকা দিলেই চলতো। আর এ বাড়তি কর এড়াতেই এ ভিড়।

সঞ্চয় অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক লতিফ মো. হোসাইন তৌফিক জানায়, এখনও উৎসে কর নিয়ে কোনো নির্দেশনা পাননি তারা। বাজেট প্রস্তাবের পর থেকে ভিড় এতটাই বেড়েছে যে সামাল দিতে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষক নূরুল আমিন মনে করেন, প্রস্তাবিত বাজেটে সঞ্চয়পত্র নিয়ে যেসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তার বেশিরভাগই ইতিবাচক। তবে খুঁজে পাননি উৎসে কর দশ শতাংশ করার কোনো যৌক্তিকতা।

তার মতে, পেনশনভোগী কিংবা ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারিদের ওপর করের এই বোঝা চাপানো ঠিক হচ্ছে না।

নিউজটির ভিডিও-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর