channel 24

সর্বশেষ

  • দুর্নীতি, টেন্ডারবাজ আর সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার অ্যাকশন শুরু: কাদের

  • জি কে শামীমকে থানায় হস্তান্তর; অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিংয়ে মামলা...

  • অস্ত্র ও মাদক মামলায় ৭ দিন করে ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন

  • গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির পদত্যাগ দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে সহকারী প্রক্টর হুমায়ুন কবিরের পদত্যাগ

  • প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই দুর্নীতি ও অপকর্মের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে...

  • তথ্য প্রমাণ পেলে শুধু সম্রাট নয়, কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • আ.লীগের তৃণমূল থেকে উচ্চ পর্যায় দুর্নীতিতে নিমজ্জিত: ফখরুল

  • অস্ত্র ও মাদক আইনে গ্রেপ্তার কলাবাগান ক্লাবের সভাপতি...

  • সফিকুল ইসলাম ফিরোজের ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন

  • ভিসির পদত্যাগ দাবি: গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা...

  • আন্দোলন ঘিরে বহিরাগতদের হামলায় আহত অন্তত ২০ শিক্ষার্থী

  • চট্টগ্রামে জিয়াদ হত্যা মামলার আসামি রাসেল 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত

  • ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেলে নারীর মৃত্যু...

  • গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৪০৮ জন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

খুলনায় হাইটেক পার্ক নির্মাণকাজে গতি নেই

খুলনায় হাইটেক পার্ক নির্মাণকাজে গতি নেই

খুলনায় হাইটেক পার্ক স্থাপনের পদক্ষেপ নেয়া হলেও কাজের অগ্রগতি সামান্য। একই সাথে, হাইটেক পার্কের জন্য ৪ একর জমি দিয়েছে খুলনার দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরি। যেখানে বাস করতো ২৫টি শ্রমিক পরিবার। তাদের বকেয়া পাওনা ও পুনর্বাসনের বিষয়টিও সুরাহা হয়নি এখনও। এদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার শিল্পের বিকাশ ঘটবে।

প্রধানমন্ত্রী খুলনায় একটি হাইটেক পার্ক নির্মানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ২০১১ সালে। তবে জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় এতোদিনেও বাস্তবায়ন হয়নি প্রকল্পটি। অবশেষে সম্প্রতি খুলনার দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরির ৪ একর জমি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষকে। তবে ওই জমিতে বসবাস করছে দাদা ম্যাচের ২৫ টি শ্রমিক পরিবারের শতাধিক মানুষ। বকেয়া পাওনা পরিশোধ, ফ্যাক্টরি আবার চালু এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি শ্রমিকদের।

প্রকল্প এলাকায় এপ্রিল মাসে একটি সাইনবোর্ড টানানো হলেও কোনো কাজ শুরু হয়নি এখনো। প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু এবং নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন করার দাবি খুলনাবাসীর।

প্রকল্প পরিচালক বলছেন, জুনে দরপত্র আহবানের পর সেপ্টেম্বরে শুরু হবে প্রকল্পের কাজ। আর জেলা প্রশাসক বলছেন,ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

এ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১৬০ কোটি টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

তথ্য প্রযুক্তি খবর