channel 24

সর্বশেষ

  • চাল আমদানি হওয়ায় ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেনা কৃষক

  • যৌন কেলেঙ্কারির মামলায় জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে আটকের দাবি

  • পাকস্থলিতে করে হাজার হাজার ইয়াবা পাচার

  • কাল থেকে ঈদে ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু

  • তিউনিসিয়ায় নৌকাডুবি: দেশে ফিরেছেন ১৫ বাংলাদেশি

  • জয়ের বিষয়ে আশাবাদি কংগ্রেসসহ ২১টি বিরোধী দল

  • জাতীয় বাজেটে পৌরসভার বাজেট বাড়ানোর দাবি

  • বিজিবির পোশাকে শো-রুম থেকে ৫০টি মোবাইল ছিনতাই

  • মধুর ক্যান্টিনে হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগের একজনকে স্থায়ী ও ৪ জনকে সাময়িক বহিষ্কার

  • বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে দশটি আন্তর্জাতিক আসর আয়োজনের প্রস্তাব

  • বিশ্বকাপে অংশ নেয়া আফগানিস্তান দলের পরিসংখ্যান

  • লেস্টারে দ্বিতীয় দিনের মতো অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ

  • ক্রিকেটারের চেয়ে নির্বাচকের দায়িত্ব কঠিন: মিনহাজুল আবেদীন

  • নিজেকে প্রমাণ করেই বিশ্বকাপে জায়গা পেলেন আবু জায়েদ রাহি

  • মির্জা ফখরুল সংসদে থাকলে বিরোধীদল আরও শক্তিশালী হতো: কাদের

খুলনায় হাইটেক পার্ক নির্মাণকাজে গতি নেই

খুলনায় হাইটেক পার্ক নির্মাণকাজে গতি নেই

খুলনায় হাইটেক পার্ক স্থাপনের পদক্ষেপ নেয়া হলেও কাজের অগ্রগতি সামান্য। একই সাথে, হাইটেক পার্কের জন্য ৪ একর জমি দিয়েছে খুলনার দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরি। যেখানে বাস করতো ২৫টি শ্রমিক পরিবার। তাদের বকেয়া পাওনা ও পুনর্বাসনের বিষয়টিও সুরাহা হয়নি এখনও। এদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার শিল্পের বিকাশ ঘটবে।

প্রধানমন্ত্রী খুলনায় একটি হাইটেক পার্ক নির্মানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ২০১১ সালে। তবে জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় এতোদিনেও বাস্তবায়ন হয়নি প্রকল্পটি। অবশেষে সম্প্রতি খুলনার দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরির ৪ একর জমি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষকে। তবে ওই জমিতে বসবাস করছে দাদা ম্যাচের ২৫ টি শ্রমিক পরিবারের শতাধিক মানুষ। বকেয়া পাওনা পরিশোধ, ফ্যাক্টরি আবার চালু এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি শ্রমিকদের।

প্রকল্প এলাকায় এপ্রিল মাসে একটি সাইনবোর্ড টানানো হলেও কোনো কাজ শুরু হয়নি এখনো। প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু এবং নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন করার দাবি খুলনাবাসীর।

প্রকল্প পরিচালক বলছেন, জুনে দরপত্র আহবানের পর সেপ্টেম্বরে শুরু হবে প্রকল্পের কাজ। আর জেলা প্রশাসক বলছেন,ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

এ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১৬০ কোটি টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

তথ্য প্রযুক্তি খবর