channel 24

সর্বশেষ

  • শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে স্বাবলম্বী লালমনিরহাটের হাফিজুর

  • 'অর্থনীতি পুনরুদ্ধার প্যাকেজ' বিলে সই করেছেন ট্রাম্প

  • মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নাগরিকের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ করার নির্দেশ

  • বন্ধ হচ্ছে কারখানা; চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে ২০ লাখ শ্রমিক

  • চট্টগ্রামে করোনা প্রতিরোধে সেনাবাহিনী ও জেলা প্রশাসনের অভিযান

  • টেকনাফে 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ৪

  • বগুড়ায় জ্বরে রোগীর মৃত্যু, করোনা সন্দেহে ১৫টি বাড়ি লকডাউন

  • সরকারের ঘরে থাকার নির্দেশ কতটুকু মানছে নগরবাসী

  • করোনা সংক্রমণ রোধে সেনাবাহিনীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম

  • এ মুহুর্তে মানুষের প্রাণ বাঁচাতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন পিপিই

  • মশার কয়েল থেকে আগুন লেগে মা ও ২ শিশুর মৃত্যু

  • প্রিন্সের পর এবার ব্রিটেনের রানি করোনায় আক্রান্ত

  • দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত কেউ শনাক্ত হয়নি: আইইডিসিআর

  • করোনা আতঙ্কে থমকে গেছে চট্টগ্রামের জনজীবন

  • পরিবহন না থাকায় প্রাণ ফিরেছে মহাসড়কে; নেই মৃত্যুর মিছিল

খুলনায় হাইটেক পার্ক নির্মাণকাজে গতি নেই

খুলনায় হাইটেক পার্ক নির্মাণকাজে গতি নেই

খুলনায় হাইটেক পার্ক স্থাপনের পদক্ষেপ নেয়া হলেও কাজের অগ্রগতি সামান্য। একই সাথে, হাইটেক পার্কের জন্য ৪ একর জমি দিয়েছে খুলনার দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরি। যেখানে বাস করতো ২৫টি শ্রমিক পরিবার। তাদের বকেয়া পাওনা ও পুনর্বাসনের বিষয়টিও সুরাহা হয়নি এখনও। এদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার শিল্পের বিকাশ ঘটবে।

প্রধানমন্ত্রী খুলনায় একটি হাইটেক পার্ক নির্মানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ২০১১ সালে। তবে জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় এতোদিনেও বাস্তবায়ন হয়নি প্রকল্পটি। অবশেষে সম্প্রতি খুলনার দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরির ৪ একর জমি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষকে। তবে ওই জমিতে বসবাস করছে দাদা ম্যাচের ২৫ টি শ্রমিক পরিবারের শতাধিক মানুষ। বকেয়া পাওনা পরিশোধ, ফ্যাক্টরি আবার চালু এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি শ্রমিকদের।

প্রকল্প এলাকায় এপ্রিল মাসে একটি সাইনবোর্ড টানানো হলেও কোনো কাজ শুরু হয়নি এখনো। প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু এবং নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন করার দাবি খুলনাবাসীর।

প্রকল্প পরিচালক বলছেন, জুনে দরপত্র আহবানের পর সেপ্টেম্বরে শুরু হবে প্রকল্পের কাজ। আর জেলা প্রশাসক বলছেন,ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

এ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১৬০ কোটি টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

তথ্য প্রযুক্তি খবর