channel 24

সর্বশেষ

  • রূপপুর বালিশকাণ্ড: মাসুদুল আলমসহ ১৩ প্রকৌশলীকে গ্রেপ্তার করেছে দুদক

  • চ্যারিটেবল মামলা: খালেদা জিয়াকে জামিন দেননি আপিল বিভাগ...

  • কেন এই আদেশ, বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত: জয়নুল আবেদীন

  • খালেদা জিয়ার অনুমতি সাপেক্ষে উন্নত চিকিৎসা...

  • দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত: অ্যাটর্নি জেনারেল

  • মিছিলের চেষ্টার সময় হাইকোর্টের সামনে থেকে ২ জন আটক

  • খালেদা জিয়া রাজি না হওয়ায় আরও উন্নত চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না...

  • ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও শারীরিক দুর্বলতা রয়েছে: বিএসএমএমইউ'র রিপোর্ট...

  • খালেদা জিয়ার আর্থ্রাইটিস ৩০ বছর ও ডায়াবেটিস ২০ বছর ধরে...

  • বাম হাঁটুতে ব্যথা ৯৭ সাল থেকে: শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল

  • প্রধানমন্ত্রীর পদে থেকে ট্রাস্টের নামে অর্থ সংগ্রহ করে তছরুপ করা অপরাধ: দুদক

  • স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন ভুয়া: জয়নুল আবেদীন...

  • খালেদা জিয়ার অবস্থা পঙ্গুত্বের দিকে যাচ্ছে

  • খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয় আদালতের এখতিয়ার: কাদের

  • আদালতে নিরাপত্তা জোরদার; বিএনপিপন্হি আইনজীবীদের হট্টগোল...

  • দুপক্ষের আইনজীবীদের মিছিল; মাজার গেটে এক আইনজীবী আটক

  • কেরাণীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানার আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২...

  • বারবার দুর্ঘটনার জন্য সরকারি কিছু সংস্থা ও মালিকপক্ষ দায়ী: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

খুলনায় হাইটেক পার্ক নির্মাণকাজে গতি নেই

খুলনায় হাইটেক পার্ক নির্মাণকাজে গতি নেই

খুলনায় হাইটেক পার্ক স্থাপনের পদক্ষেপ নেয়া হলেও কাজের অগ্রগতি সামান্য। একই সাথে, হাইটেক পার্কের জন্য ৪ একর জমি দিয়েছে খুলনার দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরি। যেখানে বাস করতো ২৫টি শ্রমিক পরিবার। তাদের বকেয়া পাওনা ও পুনর্বাসনের বিষয়টিও সুরাহা হয়নি এখনও। এদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার শিল্পের বিকাশ ঘটবে।

প্রধানমন্ত্রী খুলনায় একটি হাইটেক পার্ক নির্মানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ২০১১ সালে। তবে জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় এতোদিনেও বাস্তবায়ন হয়নি প্রকল্পটি। অবশেষে সম্প্রতি খুলনার দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরির ৪ একর জমি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষকে। তবে ওই জমিতে বসবাস করছে দাদা ম্যাচের ২৫ টি শ্রমিক পরিবারের শতাধিক মানুষ। বকেয়া পাওনা পরিশোধ, ফ্যাক্টরি আবার চালু এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি শ্রমিকদের।

প্রকল্প এলাকায় এপ্রিল মাসে একটি সাইনবোর্ড টানানো হলেও কোনো কাজ শুরু হয়নি এখনো। প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু এবং নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন করার দাবি খুলনাবাসীর।

প্রকল্প পরিচালক বলছেন, জুনে দরপত্র আহবানের পর সেপ্টেম্বরে শুরু হবে প্রকল্পের কাজ। আর জেলা প্রশাসক বলছেন,ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

এ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১৬০ কোটি টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

তথ্য প্রযুক্তি খবর