channel 24

সর্বশেষ

  • বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে অব্যাহতি

  • দানবীর রণদা প্রসাদ হত্যা মামলার রায় বৃহস্পতিবার

  • দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিক তলবের প্রতিবাদে মানববন্ধন

  • নিয়ম মানা না হলে তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: দুদক চেয়ারম্যান

  • ২৮ বছর পর সচল হল সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলা ২ মাসের মধ্যে অধিকতর তদন্ত শেষ করার নির্দেশ

  • নারায়ণঞ্জে নারী ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

  • নরসিংদীর দগ্ধ কলেজছাত্রীর মৃত্যু

  • প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়া

  • হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ব্রায়ান লারা

  • ভুল ইনজেকশনে এক মাসের বেশি সময় ধরে অজ্ঞান গোপালগঞ্জের মুন্নি

  • চট্টগ্রামে মাইক্রোবাসে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১৫

  • অবশেষে ডিআইজি মিজান সাময়িক বরখাস্ত

  • খুলনা শিশু হাসপাতালকে ১৫ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • সাম্প্রদায়িক শক্তি এখনও সক্রিয়, বড় নাশকতার পরিকল্পনা করছে: কাদের

  • স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী আটক

ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বরের প্রথম ছবি প্রকাশ

ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বরের প্রথম ছবি প্রকাশ

ব্ল্যাক হোল বা কৃষগহ্বরের প্রথম ছবি প্রকাশ করেছেন জ্যোর্তিবিজ্ঞানীরা। বুধবার (১০ এপ্রিল) সকালে ব্ল্যাক হোলের এই ছবি বিশ্বের কাছে প্রকাশ করা হয়। যে ছবি এতদিন পর্যন্ত মানুষের ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত।

দুটি ব্লাকহোলকে লক্ষ্য করে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেন গবেষকরা। যার মধ্যে স্যাগিটারিয়াসের দূরত্ব পৃথিবী থেকে ২৬ হাজার আলোকবর্ষ। স্যাগিটারিয়াস সূর্যের চেয়ে ৪০ লাখ গুণ বড়। অপরটির নাম 'এম ৮৭'। এটি পৃথিবী থেকে সাড়ে পাঁচ কোটি আলোকবর্ষ দূরে। 'এম ৮৭'-এর আকার সুর্যের চেয়ে সাড়ে ৩০০ কোটি গুণ বড়।

ব্ল্যাক হোলের ছবি তোলার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপ (ইএইচটি)। যা তৈরি করা হয়েছে পৃথিবীর ৮টি মহাদেশে বসানো অত্যন্ত শক্তিশালী ৮টি রেডিও টেলিস্কোপের নেটওয়ার্ক দিয়ে। সেই রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে ব্ল্যাক হোলের ছবি তোলা।

ব্ল্যাক হোলের ছবি তোলার কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালে।

ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির এক ব্ল্যাকহোল বিশেষজ্ঞ জানান, ৫০ বছর আগে আমাদের ছায়াপথে ভীষণ উজ্জ্বল একটা বস্তুর সন্ধান পায় বিজ্ঞানীরা। যে বস্তুর ছিল শক্তিশালী মহাকর্ষীয় টান। যা নক্ষত্রগুলোকে নিজ কক্ষপথ কেন্দ্র করে খুব দ্রুতবেগে ঘুরতে বাধ্য করে যে, মাত্র ২০ বছরেই কক্ষপথ পাড়ি দেওয়া সম্ভব হয়। যেখানে মিল্কিওয়ের কেন্দ্রে কক্ষপথ পাড়ি দিতে সৌরমন্ডলের সময় লাগে প্রায় ২৩০ মিলিয়ন বছর। পরবর্তীতে বিজ্ঞানিরা আবিষ্কার করেন যে, এই উজ্জল বস্তুই 'ব্ল্যাকহোল'।

ওই গবেষক বলেন, ব্ল্যাকহোলকে 'পয়েন্ট অব নো রিটার্ন' বলা হয়। কারণ সেখান থেকে আর কোন কিছুই ফেরত আসতে পারে না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

তথ্য প্রযুক্তি খবর