channel 24

সর্বশেষ

  • দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিক তলবের প্রতিবাদে মানববন্ধন

  • নিয়ম মানা না হলে তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: দুদক চেয়ারম্যান

  • ২৮ বছর পর সচল হল সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলা ২ মাসের মধ্যে অধিকতর তদন্ত শেষ করার নির্দেশ

  • নারায়ণঞ্জে নারী ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

  • নরসিংদীর দগ্ধ কলেজছাত্রীর মৃত্যু

  • প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়া

  • হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ব্রায়ান লারা

  • ভুল ইনজেকশনে এক মাসের বেশি সময় ধরে অজ্ঞান গোপালগঞ্জের মুন্নি

  • চট্টগ্রামে মাইক্রোবাসে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১৫

  • অবশেষে ডিআইজি মিজান সাময়িক বরখাস্ত

  • খুলনা শিশু হাসপাতালকে ১৫ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • সাম্প্রদায়িক শক্তি এখনও সক্রিয়, বড় নাশকতার পরিকল্পনা করছে: কাদের

  • স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী আটক

  • বুধবার নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে পাকিস্তানের বাঁচা-মরার লড়াই

  • বাংলাদেশের সেমিফাইনালের সম্ভাবনা কঠিন মনে করছেন দুর্জয়

অগ্নিনির্বাপনে বিশ্বের যত প্রযুক্তি, পিছিয়ে বাংলাদেশ

অগ্নিনির্বাপনে বিশ্বের যত প্রযুক্তি, পিছিয়ে বাংলাদেশ

নিমতলি, চকবাজার পেরিয়ে এবার অভিজাত এলাকা বনানীতেও আগুন। দমকল কর্মীদের প্রাণান্তকর চেষ্টার পরেও অপূরণীয় ক্ষয়ক্ষতি যেন চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, কতটা দুর্বল ভবনগুলোর অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা, কতটা পিছিয়ে আমরা প্রযুক্তি ব্যবহারে। অথচ প্রচন্ড ঘনবসতিপূর্ণ এই রাজধানীতে আগুনে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে, বিশেষ করে জীবন বাচাতে প্রযুক্তির ব্যবহারে আসতে পারে বড় পরিবর্তন।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, চীনসহ বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে আগুনে আক্রান্তদের উদ্ধার চিত্র বাংলাদেশের চেয়ে একেবারেই ভিন্ন। সুউচ্চ ভবনে আগুন লাগলে শুরুতেই সতর্ক করতে বেজে ওঠে ঘন্টা। স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয় পানি বের হওয়া স্প্রিংকলার, সাথে থাকে আগুন নিয়ন্ত্রক গ্যাস সিলিন্ডার। এর মাঝেই ইমার্জেন্সি এক্সিট বা জরুরি বহির্গমনের দিকে ছুটে যান আক্রান্তরা। লাইন ধরে নামতে থাকেন নিচের দিকে। প্রতি তলা বা ফ্ল্যাটের জন্যই থাকে পৃথক এক্সিট ওয়ে।

এর মধ্যে যতদ্রুত সম্ভব ঘটনাস্থলে ছুটে যান ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছে, দুই ভাগে ভাগ হয়ে, একদল আগুন নিয়ন্ত্রণ ও অন্যদল আটকেপড়াদের উদ্ধারে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

আক্রান্তদের উদ্ধার করে লম্বা সিড়ির সাহায্যে বহুতল ভবনের ইমার্জেন্সি এক্সিট ব্যবহার করেন কর্মীরা। আগুন লাগার পর নিরাপদে নিচে নামতে ব্যাকপ্যাক প্রযুক্তির ব্যবহারও হচ্ছে বিভিন্ন দেশে। একইসঙ্গে হেলিকপ্টারও কাজে লাগানো হয়। উদ্ধার যন্ত্রের তালিকায় সম্প্রতি যোগ হয়েছে ড্রোন। প্রায় ২শ কেজি পর্যন্ত ভার বহনে সক্ষম এটি।

এছাড়াও নতুন ভবনের ইমার্জেন্সি এক্সিটে সিড়ির পরিবর্তে এক ধরনের এয়ার লিফট ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন প্রযুক্তিবিদরা। দুই বছর আগে, এমন একটি মডেল দেখানো হয়েছে, যুক্তরাজ্যে। ইতোমধ্যে যুক্তরাজ্য ও ভারতের কয়েকটি ভবনে এই পদ্ধতি যুক্ত করা হয়েছে। জরুরি সিড়ির আদলে তৈরি নতুন একটি অস্থায়ী এক্সিট সিস্টেম স্থাপনের পরীক্ষা চালাচ্ছে যুক্তরাজ্য। অন্যদিকে ছাদ থেকে জরুরি অস্থায়ী লিফট সংযুক্তির প্রযুক্তি দেখানো হয়েছে, ইসরায়েলের তেল আবিবে। বিশেষ করে হাসপাতালের মতো স্থাপনায় এ প্রযুক্তি ব্যবহারের পরামর্শ উদ্ভাবকদের।

আগুনে আটকেপড়াদের উদ্ধারের জন্য, ক্যামেরাসহ বিভিন্ন টেক চিপ সংযুক্ত ইউনিফর্ম উদ্ভাবন করেছে, যুক্তরাজ্যের ফায়ার ব্রিগেড। আটকেপড়াদের অবস্থান জানতে নিহত, আহত ও গুরুতর আহতদের চিহ্নিতকরণের জন্য ইউনিফর্মের সাথে সংযুক্ত ক্যামেরা চিপ। আর আগুনের মাত্রা বুঝতে রয়েছে সেন্সর চিপ। একইসাথে আক্রান্তদের উদ্ধার করে সহজে বের হওয়ার পথ দেখাতেও ইউনিফর্মে রয়েছে, দিক নির্দেশক চিপ। পরীক্ষামূলকভাবে এর ব্যবহারে পাওয়া গেছে সফলতা।

উন্নত বিশ্বে আগুন নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। জাপানে আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস কর্মীর পরিবর্তে অনেকক্ষেত্রেই কাজ করছে রোবট ও ড্রোন। ভূমি থেকে ১শ ফুট বা ১১তলার সমান উচ্চতায় লাগা আগুনেও পানি ছুঁড়তে সক্ষম রোবট; যেই সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে আরো।

এছাড়া পাইপ লাগিয়ে আগুনের কাছে পাঠানো হচ্ছে, ড্রোন। ৩শ মিটার পর্যন্ত উঁচুতে উঠতে সক্ষম এটি, যা উড়তে পারে টানা ৩০ মিনিট। ফায়ার ব্রিগেডের প্রতি ইউনিটে ভারী ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে একইসাথে আগুন নিয়ন্ত্রণ ও আক্রান্তদের উদ্ধার প্রযুক্তির একটি মডেল দেখানো হয়েছে জাপানে। এছাড়াও পানির সহজপ্রাপ্যতা নিশ্চিতে ফায়ার ব্রিগেডের জন্য মাটির নিচে পৃথক পাইপ লাইন স্থাপনের পরামর্শ দিচ্ছে সুইজারল্যান্ডের আগুন নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

তথ্য প্রযুক্তি খবর