channel 24

সর্বশেষ

  • ব্রুনাইয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংবর্ধনায় যোগ দিয়েছেন শেখ হাসিনা

  • একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের আয়...

  • ১ কোটি ২৬ লাখ; ব্যয় ১ কোটি ৫ লাখ টাকা

  • শ্রীলঙ্কায় সিরিজ বোমা হামলায় ৩৯ বিদেশিসহ নিহত প্রায় ১৯০...

  • ৩টি গির্জা ও ৪টি হোটেলে আত্মঘাতী বোমা হামলা হয়: শ্রীলঙ্কান পুলিশ...

  • রাত্রিকালীন কারফিউ জারি; কলম্বোয় সেনা মোতায়েন; আটক ৭...

  • শেখ সেলিমের মেয়ে জামাই আহত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী...

  • শ্রীলঙ্কায় বেড়াতে গিয়ে শিশুসহ দুই বাংলাদেশি নিখোঁজ: শাহরিয়ার আলম

  • যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • নুসরাত হত্যা: স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি যোবায়ের আহমেদের...

  • আসামি ইফতেখার হোসেন রানা ও এমরান হোসেন কারাগারে

  • সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ চিকিৎসাধীন অবস্থায় ব্যাংককে মারা গেছেন

সময় কেন শুধু সামনেই এগোয়, পেছনে নেয়?

সময় কেন শুধু সামনেই এগোয়, পেছনে নেয়?

কখনো ভেবেছেন ঘড়ির কাঁটা কেন সব সময় সামনের দিকে ঘোরে পেছনে নয়? অথচ মানুষ কেবল অতীতকেই মনে রাখতে পারে, ভবিষ্যত কেন থাকে অজানা? এমন প্রশ্নের উত্তর রয়েছে পদার্থবিজ্ঞানের গভীরে। পদার্থবিদ আর দার্শনিকরা বলছেন, বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে পৃথিবী সৃষ্টির আদিতে রয়েছে এর সমাধান। তাদের ধারণা, এনট্রপির কারণেই সময় সামনের দিকে আগায়, পেছনে নয়।

গ্লাসে দুধ ঢেলে তা আবার উঠিয়ে নেয়া, ডিম ভেঙে তা আবার জোড়া লাগানো কিংবা কফিতে ক্রিম মিশিয়ে তা আবার তুলে নেয়া যত চেষ্টাই করেন না কেন কিছুতেই সম্ভব নয়।

কারণ সময়ের যাত্রা একমুখী। বর্তমান থেকে ভবিষ্যতের দিকে। অতীতের দিকে নয়। বিজ্ঞানীরা একে বলেন, অ্যারো অব টাইম বা সময়ের তীর। আর এজন্য অতীত মনে থাকলেও ভবিষ্যতে জানি না আমরা।

প্রশ্ন আসে এই অ্যারো অব টাইম কি শুধু দার্শনিক চিন্তা নাকি এটি পৃথিবী সৃষ্টির বিধানের সাথে জড়িত? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে মহাবিশ্ব সৃষ্টির শুরুতে যেতে হবে আমাদের।

মহাবিশ্বে সবকিছুই একটি সুশৃঙ্খল অবস্থা থেকে বিশৃঙ্খল অবস্থার দিকে ধাবিত হচ্ছে। আর এজন্য ডিম ভাঙার পর এটাকে জোড়া লাগানো যায় না। একটি বাড়ি দীর্ঘদিন অব্যবহৃত পড়ে থাকলে ভেঙে যায়। সময়ে সাথে মানুষ বুড়িয়ে যায়। বিজ্ঞানীরা একে বলেন এনট্রপি।

কম বা লো এনট্রপিতে থাকা বস্তু সুশৃঙ্খল থাকে। তাই এর টিকে থাকার সম্ভাবনা কম। অন্যদিকে হাই এনট্রপির বস্তু বিশৃঙ্খল হয়। তাই তারা টিকে থাকে বেশি। এনট্রপি সবসময় বাড়তে থাকে। কারণ বস্তুর সুশৃঙ্খল থা      কার চেয়ে বিশৃঙ্খল থাকার প্রবণতা বেশি। একই কারণে আমোদের ঘর পরিষ্কার আর গোছানো থাকার চেয়ে অপরিষ্কার আর অগোছালো থাকার প্রবণতা বেশি।

একই কথা সত্য আমাদের মহাবিশ্বের জন্যও। মহাবিশ্ব শুরু হয়েছিলো চরম সুশৃঙ্খল অবস্তায় লো এনট্রপিতে। কিন্তু বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণের পর মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হতে শুরু করে। হতে থাকে বিশৃঙ্খল। বাড়ছে এর এনট্রপি। প্রশ্ন আসে...এনট্রপির সাথে সময়ের সম্পর্ক কি?

এই এনট্রপির মাধ্যমেই সময়ের ভবিষ্যতের যাত্রাকে ব্যাখ্যা করা যায়। বিজ্ঞানীরা বলেন, এনট্রপির কারণেই সময় শুধু সামনের দিকে এগিয়ে যায়। তাদের যুক্তি, যদি পুরো বিশ্বে কম এনট্রপি থেকে বেশি এনট্রপির দিকে এগিয়ে যায়, তাহলে আমরা কখনোই কোন ঘটনাকে পিছিয়ে যেতে দেখবো না। কফিতে একবার ক্রিম মেশালে তা আর উঠিয়ে আনা যাবে না। ঘড়ির কাটাও ঘুরবে না উল্টো দিকে।

এর মানে হচ্ছে, সময়ের অস্তিত্ব রয়েছে, কারণ, একটি সুশঙ্খল অবস্থা থেকে বিগ ব্যাংয়ের মাধ্যমে পৃথিবীর সৃষ্টি হয়েছিলো বলে। কিন্তু প্রকৃতির নিজেরই যেহেতু বিশৃঙ্খলতার দিকে প্রবণতা রয়েছে তাহলে পৃথিবী কিভাবে সুশৃঙ্খল অবস্থা থেকে শুরু হলো? এ প্রশ্নের উত্তর এখনো দিতে পারেনি পদার্থবিজ্ঞান।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

তথ্য প্রযুক্তি খবর