channel 24

সর্বশেষ

  • ব্রিটেনে তারেক-জোবাইদার ব্যাংক একাউন্ট ফ্রিজ করার নির্দেশ আদালতের

  • নুসরাত হত্যায় জড়িত সবাইকে বিচারের আওতায় আনা হবে: এইচ টি ইমাম

  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের প্রমাণ মিলেছে

বিশ্বের প্রথম মিলিয়নিয়ার হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার সান্তিয়াগো লোপেজ

বিশ্বের প্রথম মিলিয়নিয়ার হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার সান্তিয়াগো লোপেজ

হ্যাকার শব্দটা শুনলেই মনে হয়, মুহূর্তেই কেউ একজন হাতিয়ে নেবে কোটি কোটি তথ্য বেহাত করবে ব্যাংক কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট। তবে সব হ্যাকারই কিন্তু ক্ষতি করেন না। কেউ কেউ থাকেন যারা প্রতিনিয়ত বাগ খুঁজে বের করে সুরক্ষিত রাখছেন ইন্টারনেটকে। এমনই একজন আর্জেন্টিনার সান্তিয়াগো লোপেজ। যিনি বিশ্বের প্রথম মিলিয়নিয়ার হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার।

সান্তিয়াগো লোপেজ, বয়স ১৯। থাকেন আর্জেন্টিনায়। তিনি বিশ্বের প্রথম মিলিয়নিয়ার বাগ-বাউন্টি হ্যাকার। বাগ হচ্ছে কম্পিউটার কোডে নিরাপত্তা বিষয়ক ত্রুটি। অন্যদিকে, বাউন্টি হচ্ছে এসব ত্রুটি খুঁজে বের করার পুরষ্কার। আর এই কাজটিই করে থাকেন সান্তিয়াগো। 

গুগল, অ্যাপল, কুয়ালকমের মতো টেকনোলজি জায়ান্টদের ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোতে বাগ বা ত্রুটি খুঁজে বের করেছেন তিনি। যা তাকে একজন সাধারণ আর্জেন্টাইনের থেকে ৪০ গুন বেশি আয় করার সুযোগ করে দিয়েছে। 

সান্তিয়াগো লোপেজ বলেন, আমি টাকা পছন্দ করি আর বাগ-বাউন্টি টাকা আনে। আমার মনে হয় এটা দারুন কম্বিনেশন। হোয়াইট হ্যাট বা ভালো হ্যাকার গ্রুপের তিনিই প্রথম সদস্য যিনি একটি ব্যাগ খোঁজার জন্য মিলিয়ন ডলার নেন। 

দিনে অন্তত ৭ ঘণ্টা ইন্টারনেটে বাগ খুঁজতে ব্যয় করেন সান্তিয়াগো। হোয়াইট হ্যাট হচ্ছে সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্টদের একটি দল যারা কম্পিউটারে ত্রুটি খোঁজার বিনিময়ে ৫০ হাজার থেকে ২ লাখ ডলার নিয়ে থাকেন। যত বড় বাগ বা ত্রুটি পুরষ্কারও ততবেশি। কারণ কোম্পানীগুলো জানে যে, এসব বাগ তাদের ম্যাট্রিক্স নাম্বারে ক্ষতি করে। যার মানে ক্ষতির মাত্রাটা ভয়াবহ।

১৫ বছর বয়স থেকেই কম্পিউটার বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন সান্তিয়াগো। শুরু করেন স্ব-শিক্ষা। গুগল, লু টিউব থেকে হ্যাকিং শেখেন তিনি।

সান্তিয়াগো লোপেজ বলেন, শুরুর দিকে আমি খারাপ হ্যাকার ছিলাম। কারণ এটা খুবই লোভনীয়। তবে সমস্যা হলো ধরা পড়ার ভয় থাকে। তবে ভালো হ্যাকারের সুবিধা হলো এখানে ধরা পড়ার ঝুঁকি নেই। উল্টো পুরষ্কার আছে। 

১৬ বছর বয়সে প্রথমবারের মতো বাগ খুঁজে বের করে পুরষ্কার পান সান্তিয়াগো। ওই বাগটি কম্পিউটারের ১৬শ ধরণের ত্রুটি করতে সক্ষম ছিলো। তবে ভবিষ্যতে একা নয়, কাজ করতে চান নিজের একটি প্রতিষ্ঠান খুলে।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে আমি নিজের কোম্পানী শুরু করতে চাই। বড় কোম্পানী। যেটি সবাই চিনবে। 

সান্তিয়াগো মনে করেন, তার কাজ কখনো শেষ হবে না। কারণ, ইন্টারনেট থাকলে, সেখানে প্রতিনিয়তই নতুন বাগ যুক্ত হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

তথ্য প্রযুক্তি খবর