channel 24

সর্বশেষ

  • রেসিডেনসিয়ালের ছাত্র আবরারের মৃত্যুর ঘটনার...

  • তদন্ত রিপোর্ট মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ

  • একটি শ্রেণি রাজনীতিকে ব্যবসা আর অবৈধ সম্পদ অর্জনের...

  • হাতিয়ারে পরিণত করেছে, এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

  • বিসিবি পরিচালক লোকমান ভূঁইয়াকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে দুদক

  • রাঙ্গার এমপি পদ বাতিলের দাবি শহীদ নূর হোসেনের পরিবারের..

  • নেশাখোর ছেলে দেশের জন্য প্রাণ দিতে পারে না: নূর হোসেনের মা

  • রোহিঙ্গা মুসলিমদের পক্ষে আন্তর্জাতিক আদালতে...

  • মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে মামলা করেছে গাম্বিয়া

  • এই অঞ্চলের বড় শত্রু দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে একসাথে কাজ করতে হবে...

  • প্রতিবেশীদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

  • গৃহকর্মী খাদিজাকে নির্যাতন: অভিযোগ নিষ্পত্তি করে ৬ মাসের মধ্যে...

  • সাময়িক আর্থিক সাহায্য দিতে সরকারকে হাইকোর্টের নির্দেশ...

  • অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য বিধিমালা করতে বললেন মানবাধিকার কমিশনকে

  • অসদাচরণ: প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজকে অপসারণ করেছে আইন মন্ত্রণালয়

  • হাবিবুল্লাহ রাজনের পরিবর্তে বিনা দোষে জেলে থাকা রাজন ভুইয়াকে...

  • জামিন দিয়েছেন আদালত; এ নিয়ে শুক্রবার সংবাদ প্রচার করে চ্যানেল 24

  • অস্ত্র মামলায় ডিএনসিসির কাউন্সিলর রাজীব ফের ৪ দিনের রিমান্ডে

মরফিনের চেয়ে ১০০ গুণ শক্তিশালী ব্যাথানাশক

মরফিনের চেয়ে ১০০ গুণ শক্তিশালী ব্যাথানাশক

প্রচণ্ড ব্যাথা কমাতে বিশ্বজুড়েই সম্ভবত সবচেয়ে জনপ্রিয় মরফিন। তবে এবার আবিষ্কার হয়েছে তার চেয়ে ১০০ গুণ শক্তিশালী এক ব্যাথানাশক উপাদান। যার নাম দেয়া হয়েছে পেপটাইড বা প্রিয়াল্ট। মজার ব্যাপার হল, সামুদ্রিক এক ধরণের শামুকের বিষে সেই ব্যাথানাশকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যা ব্যবহার করতে হয় খুব অল্প পরিমাণে। ফলে এটি রোগীর মাঝে মরফিনের মতো আসক্তি তৈরি করে না। উল্টো, নতুন করে ব্যথা তৈরি হওয়ার শঙ্কাও কমিয়ে দেয়। তবে সমস্যা হচ্ছে যে, এই পেপটাইড ব্যবহারের এখনো কোনো সহজ উপায় খুঁজে বের করা যায়নি। যা নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

বিজ্ঞান বলছে, যদি পৃথিবী থেকে মৌমাছি হারিয়ে যায় তাহলে মানব সভ্যতা টিকবে মাত্র চার বছর। তার মানে, মৌমাছি ছাড়া খুব বেশি দিন টিকে থাকার সময় পাবে না মানুষ। কি হবে যদি সত্যি সত্যি মৌমাছি হারিয়ে যায়?

বিশ্বের ৯০ ভাগ মূল ফসলের পরাগায়ন হয় মৌমাছির মাধ্যমে। মৌমাছি যদি পরাগায়নে সহায়তা না করে তাহলে বাঁচবে না ফসল। বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, মানুষের প্রতি তিন লোকমা খাবারের মধ্যে এক লোকমাই আসে মৌমাছির কারণে। পুরো বিশ্বে ৭০ ভাগ আর যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ ভাগ খাদ্য দ্রব্যের পেছনে রয়েছে মৌমাছির অবদান।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, মৌমাছি মারাত্মক হারে কমে যাচ্ছে। গত এক দশকে মোট মৌমাছির এক তৃতীয়াংশ বিলুপ্ত হয়েছে। আর বিলুপ্তির পথে রয়েছে ইউরোপের ২৪ ভাগ মৌমাছি।

প্রশ্ন হচ্ছে কেন হারিয়ে যাচ্ছে মৌমাছি? এর অবশ্য বহুবিধ কারণ রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কীটনাশক, খরা, বাসস্থান হারানো, খাদ্যের অভাব, বায়ু দূষণ, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধিসহ আরো অনেক কিছু। এক কথায়, পুরোটাই মানব সৃষ্ট কারণ।

বড় বড় কীটনাশক কোম্পানীগুলো কীটনাশক ও আগাছা নিধনকারী ওষুধ বানাচ্ছে ফসলকে ক্ষতিকর কীটপতঙ্গের হাত থেকে রক্ষা করতে। যার মধ্যে থাকে নিওনিকোটিনয়েডস বা সংক্ষেপে নিওনিক্স। যা মৌমাছিদের মেরে ফেলে। অর্থ্যাৎ কীটনাশক আসলে ফসলকে রক্ষা নয় বরং ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে।

সম্প্রতি ইউরোপিয় ইউনিয়ন নিওনিক্স সমৃদ্ধ কীটনাশকের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। মৌমাছির উপর এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতেও কাজ করছে। এই পদক্ষেপ হয়তো ইউরোপের মৌমাছি রক্ষা করতে পারবে। কিন্তু এই একই উপাদান মেলে বাড়ির বাগানে ব্যবহৃত কীটনাশকেও। তাই কীটনাশক কেনার আগে এই উপাদান আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে।

মৌমাছির আরেক শত্রু ভারোয়া মাইট বা ভারোয়া ডেসট্রাক্টর। এই অতি ক্ষুদ্র পোকা মৌমাছিকে মেরে ফেলে। এমনকি একটি মাত্র পোকা মৌমাছির পুরো একটি কলোনিকে শেষ করে দিতে পারে। তৈরি করে মৌমাছির কলোনি কলাপ্স ডিসঅর্ডার বা সিসিডি রোগ। যাতে একটি কলোনির সব কর্মী মৌমাছি রাতারাতি মারা যায়। বেঁচে যায় শুধু রানী মৌমাছি।

বিজ্ঞানীরা মৌমাছি রক্ষায় কিছু উপায় খুঁজে বের করেছেন। মৌমাছিদের মাশরুমের এক্সাক্ট্র খাওয়ালে ক্ষতিকর ভাইরাসের আক্রমণ কমে আসে।

তবে এগুলো ছাড়াও, মানুষেরও অনেক কিছু করার রয়েছে মৌমাছি সংরক্ষণে। এর জন্য অনেক কঠিন কিছু করতে হবে না। বাড়ির আশপাশে সবুজ ঘাসের পরিবর্তে ফুল ও ফল হয় এমন লতাগুল্ম লাগাতে হবে। বাগানে ব্যবহার করা যাবে না কোন কীটনাশক কিংবা আগাছানাশক। কারণ তাহলে বাগানের গাছ বিষাক্ত হয়ে মৌমাছিদের মেরে ফেলতে পারে। খেয়াল রাখতে হবে, যে বীজ আমরা কিনি সেগুলো যাতে আগে থেকে নিওনিক্স দিয়ে প্রক্রিয়াজাত করা না হয়। মধু কিনতে হবে স্থানীয় মধুচাষীর কাছ থেকে।

মনে রাখতে হবে, সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে। পৃথিবীর খাদ্য সংকট কাটবে কিনা তা অনেকাংশেই নির্ভর করবে আমরা মৌমাছিদের কতটা সংরক্ষণ করতে পারি তার উপর।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

তথ্য প্রযুক্তি খবর