channel 24

সর্বশেষ

  • ফিক্সিং অভিযোগ তদন্তে সাঙ্গাকারা ও জয়াবর্ধনকে তলব

  • প্রস্তুত হচ্ছে মিরপুর সহ দেশের আট ক্রিকেট ভেন্যু

  • করোনা পরবর্তী সময়ে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জ পেসারদের: রুবেল

  • টয়োটাকে পেছনে ফেলে পুঁজিবাজারে শীর্ষস্থানে টেসলা

  • রোহিঙ্গাদের ৩০৪ কোটি টাকা দেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

  • স্বাধীনতার পর সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড

  • রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকদের পাওনা বুঝিয়ে দেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  • বাজেটের কপি ছিঁড়ে সংসদের চরম অবমাননা করেছেন: কাদের

  • যেকোনো দুর্যোগে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে সরকার: পরিকল্পনামন্ত্রী

  • আবারও ক্রিকেটে ফিরতে মরিয়া পেসার আল আমিন

  • স্বাস্থ্য বিভাগ শতভাগ ভূমিকা পালন করতে পারছে না: সচিব

  • অপহরণের ৩ মাস পর ড্রামে মিললো ব্যবসায়ীর মরদেহ

  • বৈধ ভিসা নিয়ে যাওয়ার পরও ভারতে দুই মাস ধরে বন্দি ২৫ বাংলাদেশি

  • বরিশাল মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসককে উত্ত্যক্তের অভিযোগে দুই কর্মচারীকে মারধর

  • লালমনিরহাটে বজ্রপাতে ৪ জনের মৃত্যু

মরফিনের চেয়ে ১০০ গুণ শক্তিশালী ব্যাথানাশক

মরফিনের চেয়ে ১০০ গুণ শক্তিশালী ব্যাথানাশক

প্রচণ্ড ব্যাথা কমাতে বিশ্বজুড়েই সম্ভবত সবচেয়ে জনপ্রিয় মরফিন। তবে এবার আবিষ্কার হয়েছে তার চেয়ে ১০০ গুণ শক্তিশালী এক ব্যাথানাশক উপাদান। যার নাম দেয়া হয়েছে পেপটাইড বা প্রিয়াল্ট। মজার ব্যাপার হল, সামুদ্রিক এক ধরণের শামুকের বিষে সেই ব্যাথানাশকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যা ব্যবহার করতে হয় খুব অল্প পরিমাণে। ফলে এটি রোগীর মাঝে মরফিনের মতো আসক্তি তৈরি করে না। উল্টো, নতুন করে ব্যথা তৈরি হওয়ার শঙ্কাও কমিয়ে দেয়। তবে সমস্যা হচ্ছে যে, এই পেপটাইড ব্যবহারের এখনো কোনো সহজ উপায় খুঁজে বের করা যায়নি। যা নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

বিজ্ঞান বলছে, যদি পৃথিবী থেকে মৌমাছি হারিয়ে যায় তাহলে মানব সভ্যতা টিকবে মাত্র চার বছর। তার মানে, মৌমাছি ছাড়া খুব বেশি দিন টিকে থাকার সময় পাবে না মানুষ। কি হবে যদি সত্যি সত্যি মৌমাছি হারিয়ে যায়?

বিশ্বের ৯০ ভাগ মূল ফসলের পরাগায়ন হয় মৌমাছির মাধ্যমে। মৌমাছি যদি পরাগায়নে সহায়তা না করে তাহলে বাঁচবে না ফসল। বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, মানুষের প্রতি তিন লোকমা খাবারের মধ্যে এক লোকমাই আসে মৌমাছির কারণে। পুরো বিশ্বে ৭০ ভাগ আর যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ ভাগ খাদ্য দ্রব্যের পেছনে রয়েছে মৌমাছির অবদান।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, মৌমাছি মারাত্মক হারে কমে যাচ্ছে। গত এক দশকে মোট মৌমাছির এক তৃতীয়াংশ বিলুপ্ত হয়েছে। আর বিলুপ্তির পথে রয়েছে ইউরোপের ২৪ ভাগ মৌমাছি।

প্রশ্ন হচ্ছে কেন হারিয়ে যাচ্ছে মৌমাছি? এর অবশ্য বহুবিধ কারণ রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কীটনাশক, খরা, বাসস্থান হারানো, খাদ্যের অভাব, বায়ু দূষণ, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধিসহ আরো অনেক কিছু। এক কথায়, পুরোটাই মানব সৃষ্ট কারণ।

বড় বড় কীটনাশক কোম্পানীগুলো কীটনাশক ও আগাছা নিধনকারী ওষুধ বানাচ্ছে ফসলকে ক্ষতিকর কীটপতঙ্গের হাত থেকে রক্ষা করতে। যার মধ্যে থাকে নিওনিকোটিনয়েডস বা সংক্ষেপে নিওনিক্স। যা মৌমাছিদের মেরে ফেলে। অর্থ্যাৎ কীটনাশক আসলে ফসলকে রক্ষা নয় বরং ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে।

সম্প্রতি ইউরোপিয় ইউনিয়ন নিওনিক্স সমৃদ্ধ কীটনাশকের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। মৌমাছির উপর এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতেও কাজ করছে। এই পদক্ষেপ হয়তো ইউরোপের মৌমাছি রক্ষা করতে পারবে। কিন্তু এই একই উপাদান মেলে বাড়ির বাগানে ব্যবহৃত কীটনাশকেও। তাই কীটনাশক কেনার আগে এই উপাদান আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে।

মৌমাছির আরেক শত্রু ভারোয়া মাইট বা ভারোয়া ডেসট্রাক্টর। এই অতি ক্ষুদ্র পোকা মৌমাছিকে মেরে ফেলে। এমনকি একটি মাত্র পোকা মৌমাছির পুরো একটি কলোনিকে শেষ করে দিতে পারে। তৈরি করে মৌমাছির কলোনি কলাপ্স ডিসঅর্ডার বা সিসিডি রোগ। যাতে একটি কলোনির সব কর্মী মৌমাছি রাতারাতি মারা যায়। বেঁচে যায় শুধু রানী মৌমাছি।

বিজ্ঞানীরা মৌমাছি রক্ষায় কিছু উপায় খুঁজে বের করেছেন। মৌমাছিদের মাশরুমের এক্সাক্ট্র খাওয়ালে ক্ষতিকর ভাইরাসের আক্রমণ কমে আসে।

তবে এগুলো ছাড়াও, মানুষেরও অনেক কিছু করার রয়েছে মৌমাছি সংরক্ষণে। এর জন্য অনেক কঠিন কিছু করতে হবে না। বাড়ির আশপাশে সবুজ ঘাসের পরিবর্তে ফুল ও ফল হয় এমন লতাগুল্ম লাগাতে হবে। বাগানে ব্যবহার করা যাবে না কোন কীটনাশক কিংবা আগাছানাশক। কারণ তাহলে বাগানের গাছ বিষাক্ত হয়ে মৌমাছিদের মেরে ফেলতে পারে। খেয়াল রাখতে হবে, যে বীজ আমরা কিনি সেগুলো যাতে আগে থেকে নিওনিক্স দিয়ে প্রক্রিয়াজাত করা না হয়। মধু কিনতে হবে স্থানীয় মধুচাষীর কাছ থেকে।

মনে রাখতে হবে, সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে। পৃথিবীর খাদ্য সংকট কাটবে কিনা তা অনেকাংশেই নির্ভর করবে আমরা মৌমাছিদের কতটা সংরক্ষণ করতে পারি তার উপর।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

তথ্য প্রযুক্তি খবর