channel 24

সর্বশেষ

  • শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন করতে পারলে দেশে...

  • ব্যাপকভাবে বিনিয়োগ আসবে: ধামরাই পথসভায় শেখ হাসিনা

  • এবার নির্বাচনে নতুন কৌশল নেয়া হবে: সিইসি...

  • সহিংসতায় তৃতীয় শক্তির ইন্ধন খতিয়ে দেখার নির্দেশ...

  • কারও বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা না করার অনুরোধ

  • ভোটের দিন শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবে ঐক্যফ্রন্ট: মান্না

  • এখনই সেনা মোতায়েন চায় বিএনপি: আলাল

  • প্রার্থিতা বাতিল: শুনানির জন্য তৃতীয় বেঞ্চের ওপর...

  • খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের অনাস্থা; শুনানি সোমবার পর্যন্ত মুলতুবি...

  • মামলা ঝুলিয়ে রাখার জন্যই এ অনাস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

  • মোবাইল কলড্রপে চার্জ কাটার ওপর হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা...

  • এখন থেকে কলরেট বাড়ানো যাবে না: হাইকোর্ট

  • গাজীপুর-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থী মিলন আটক, দাবি পরিবারের

  • নোয়াখালীতে বিএনপি প্রার্থীর ফজলুল আজিমের ৭টি গাড়ি ভাঙচুর; আহত ৫০

শুনে নিন মঙ্গলে বাতাসের শব্দ; যা রেকর্ড করল নাসা

শুনে নিন মঙ্গলে বাতাসের শব্দ; যা রেকর্ড করল নাসা

লাল গ্রহের মাটিতে পা ছোঁয়ানোর ১০ দিনের মধ্যেই ইনসাইট শুনতে পেল বইতে থাকা বাতাসের শব্দ। নীচু স্বরে বাতাসের সেই গা ছমছমে গুড়গুড়ে শব্দ শুনতে শুনতে উত্তেজনায় নিজেও কেঁপে উঠেছে নাসার পাঠানো ল্যান্ডার মহাকাশযান। আর সেই শব্দের কম্পন অনুভব করেই চুপচাপ বসে থাকেনি ইনসাইট। তা রেকর্ড করে আমার, আপনার শোনার জন্য মঙ্গল থেকে রিলে করে পাঠিয়েও দিয়েছে আমাদের।

গত ২৬ নভেম্বর ২০১৮ গ্রিনিচ মান সময় সোমবার রাত ৭টা ৫৩ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ১টা ৫৩ মিনিটে) ইনসাইটের এ রোবটটি মঙ্গলে নামে। কম্পনের তথ্য ও তাপমাত্রা থেকে মঙ্গলের অভ্যন্তরীণ কাঠামো বিষয়ে ধারণা নিতেই এ অভিযান চালিয়েছে নাসা।

মঙ্গল-ধ্বনি বাজিয়ে দিল ‘ইনসাইট’! তাকে ‘কান’ পেতে বেশি দিন থাকতে হল না। ফের উস্কে দিল দৃশ্যতই রুখুসুখু ‘লাল গ্রহ’-এ এখনও প্রাণের স্পন্দন শুনতে পাওয়ার আশাও! বাতাস বইছে মানে, এখনও বায়ুমণ্ডল রয়েছে মঙ্গলে। ফলে, রয়েছে প্রাণের বেঁচেবর্তে থাকার অন্যতম ‘রসদ’ও!

কত জোরে বাতাস বইছে মঙ্গলে?

মঙ্গলের পিঠে ওই বইতে থাকা বাতাসের শব্দ শুনেছে ইনসাইট, ঠিক সাত দিন আগে। গত ১ ডিসেম্বর। তার পর তা রেকর্ড করে পাসাডেনায় নাসার জেট প্রোপালসান ল্যাবরেটরিতে রিলে করে পাঠিয়েছে ইনসাইট ল্যান্ডার। তা পরীক্ষা করে নাসা জানিয়েছে, গত ১ ডিসেম্বর মঙ্গলের বুকে বইতে থাকা বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ মাইল। তার মানে, সেকেন্ডে ৫ থেকে ৭ মিটার।

পৃথিবীর চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে। স্বাভাবিক চাপ ও তাপমাত্রায় সমতল এলাকায় আমাদের গ্রহে বাতাস বইতে থাকে গড়ে সেকেন্ডে ২০ মিটার গতিবেগের মধ্যে। তার সামান্য কম-বেশিও হয়।

নাসা জানিয়েছে, লাল গ্রহের মাটিতে নেমে সাত দিন আগে ইনসাইট যে বইতে থাকা বাতাসের শব্দ শুনে উত্তেজনায় কেঁপে উঠেছে থরথর করে, তা বয়েছে মঙ্গলের উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে। ইনসাইট পা ছোঁয়ানোর পর মঙ্গলের মাটি থেকে ধুলোও উড়ে গিয়েছিল একই পথে, একই দিকে।

কী ভাবে বাতাসের গা ছমছমে শব্দ শুনল ইনসাইট?

নাসা জানিয়েছে, ইনসাইটের দু’টি যন্ত্রে সেই শব্দ ধরা পড়েছে। তাদের একটি ‘এয়ার প্রেসার সেন্সর’। যা বসানো রয়েছে ইনসাইটের ভিতরে। তা ইনসাইটে থাকা ‘অক্সিলিয়ারি পেলোড সেন্সর সাবসিস্টেম’ (এপিএসএস)-এরই একটি অংশ। ‘এপিএসএস’ মঙ্গলের বুক থেকে তুলে আনবে মাটি। মঙ্গলের বুকে বসেই পরীক্ষানিরীক্ষা চালানোর জন্য।