channel 24

সর্বশেষ

  • স্বাধীনতার সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করছে আ.লীগ...

  • ক্ষমতায় ছিলো বলেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে...

  • দেশে কোনো দারিদ্র্য ও বেকার থাকবে না: কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী...

  • নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে ফের দেশসেবার সুযোগ চাইলেন...

  • নৌকায় ভোট দিলে কেউ অধিকার বঞ্চিত হয় না...

  • দেশের অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা

  • বিএনপি নিজেদের মধ্যে মারামারি করছে: এইচ টি ইমাম...

  • ৪টি নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংগঠনের বিরুদ্ধে ইসিতে অভিযোগ

  • সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে দেশে গণতন্ত্র থাকবে না...

  • সব বাধা পেরিয়ে নির্বাচনে থাকার ঘোষণা ড. কামালের

  • প্রার্থিতা নিয়ে খালেদা জিয়ার রিট শুনানির জন্য...

  • তৃতীয় বেঞ্চ গঠন প্রধান বিচারপতির; শুনানি কাল দুপুর ২ টায়

  • ঢাকা-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী আবু আশফাক নির্বাচনি প্রচারণার সময় আটক

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখার উপায়

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখার উপায়

আধুনিক জীবনে যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক। দেশে-বিদেশে, পরিবার, বন্ধুবান্ধবসহ বিভিন্ন জনের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ফেসবুকে যোগাযোগের বিকল্প নেই।

তবে ফেসবুক ব্যবহারের ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষ সবাইকে সচেতন হতে হবে। সামান্য অসাবধানতার কারণে যে কোনো মুহূর্তে হ্যাক হতে পারে আপনার ফেসবুক। ঘটে যেতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত অনেক ঘটনা।

ফেসবুকে লগ ইন: ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড টাইপ করুন। তবে কখনোই ‘কিপ মি লগড ইন' বক্স চেক করবেন না। এটা করলে আপনার অ্যাকাউন্ট বেহাত হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে। শুধু নিজের কম্পিউটারেই এই বক্সে হাত দেওয়া যেতে পারে।

পাসওয়ার্ড কাউকে বলা যাবে না: অনেক সময় অন্য ফেসবুক ব্যবহারকারীর সঙ্গে নিজের পাসওয়ার্ড শেয়ার করেন অ্যাকাউন্টধারীরা, যা থেকে অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটে। কোনো বন্ধুর সঙ্গে পাসওয়ার্ড শেয়ার করলে তিনি আপনার অ্যাকাউন্টে ঢুকে উলটোপালটা কিছু করতে পারেন। আর এতেই আপনি গুরুতর সমস্যায় পড়ে যেতে পারেন।

পাবলিক প্লেসে লগ ইন নয়: ঘুরতে বেরিয়ে বন্ধুদের মনে হতে পারে আস্থা করার মতো এবং আপনি পাবলিক প্লেসে যথাযথ নিরাপত্তা পদক্ষেপ ছাড়াই ফেসবুকে লগ ইন করলেন। এটাও আপনাকে গুরুতর সমস্যায় ফেলতে পারে।

সাইবার ক্যাফে বা কোনো বন্ধুর কম্পিউটারে ফেইসবুক লগ ইনের সময় কখনো ‘কিপ মি লগড ইন' বা ‘সেভ পাসওয়ার্ড’-এ ক্লিক করা যাবে না।

আপনার বন্ধুরা ফেসবুক ডিক্রিপটর সফটওয়্যার ইনস্টল করে থাকতে পারে, যা আপনার ফেসবুক লগ ইনের সব তথ্য স্টোর করবে। তাই এই সফটওয়্যারের বিষয়ে আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ আপনার বন্ধুরা এবং সাইবার ক্যাফে কখনো আপনাকে তা জানাবে না।

সব সময় এমন একটি পাসওয়ার্ড রাখতে হবে, যেটা কেউ ধারণা করতে না পারে। পাসওয়ার্ড অনেক বড়ও হতে পারে।

তবে সহজ কিন্তু বড় একটা পাসওয়ার্ড দিলেই আপনার অ্যাকাউন্ট নিরাপদ হবে না অন্যের অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিতে হ্যাকাররা ‘ডিকশনারি অ্যাটাক' নামে একটি কৌশল অবলম্বন করে যেখানে ইংরেজি বর্ণমালা দিয়ে তৈরি করা যায় এমন সব শব্দই ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের আক্রমণ থেকে অ্যাকাউন্ট রক্ষায় সব সময়ই সংখ্যা, প্রতীক যেমন !@#%^°& ইত্যাদি ব্যবহার করা যায়।

পাসওয়ার্ডমিটার-এর মতো ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার পাসওয়ার্ড কতো শক্তিশালী তা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।

দুই থেকে তিন মাস পর পর আপনার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন। তাহলে কেউ আপনার পাসওয়ার্ড জানলেও একটা সময় পর আর ফেসবুকে ঢুকতে পারবে না।

পাসওয়ার্ড, পাসওয়ার্ড ১২৩, নিজের নাম, বন্ধু-বান্ধবী-স্ত্রীর নাম, নিজের ডাক নাম এগুলোই অনেকে পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করেন। এই ভুলগুলোই বেশিরভাগ মানুষ করে থাকে। এ থেকে আপনাকে সাবধান থাকতে হবে। এখানে গুরুত্বপূর্ণ যে আপনার পরিচিত বা বন্ধুদের কেউ আপনার পাসওয়ার্ড পেতে চাইলে প্রথমেই এগুলো দিয়ে চেষ্টা করবে।

একাধিক সাইটের জন্য একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা যাবে না। যেমন ফেসবুক, টুইটার ও গুগল অ্যাকাউন্টের জন্য ভিন্ন ভিন্ন পাসওয়ার্ড রাখতে হবে। একই পাসওয়ার্ড হলে কেউ আপনার যে কোনো একটি অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারলে সেই পাসওয়ার্ড দিয়ে অন্যগুলোতেও ঢুকতে পারবে।

ব্যবহারের পর লক্ষ্য রাখা: আপনি যদি অন্য কারো কম্পিউটার বা ট্যাবলেট ব্যবহার করেন, তবে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ জিনিস লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন। আপনার পর যিনি সেটা ব্যবহার করবেন, তিনি যাতে আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে না পারেন – সেটা খেয়াল রাখুন। আপনি যদি এটা করতে ভুলে যান, তাহলে ফলাফল ভয়াবহ হতে পারে।

হিস্ট্রি’ ও ‘কুকিস’ মুছে ফেলুন: আপনি সবশেষ কবে এটা করেছেন? আপনি যদি নিশ্চিত না হন, ব্রাউজারে গিয়ে এটা পরিবর্তন করুন। ব্রাউজারের ‘প্রাইভেসি সেটিংস’-এ যান, সেখানে ‘নেভার রিমেমবার হিস্ট্রি’ নির্বাচন করুন। এর ফলে ইন্টারনেটে আপনাকে ‘ট্র্যাক’ করাটা হ্যাকারদের জন্য কঠিন হবে। এছাড়া আপনি ‘অ্যাড অন’-ও ব্যবহার করতে পারেন।

থার্ড পার্টি অ্যাপ নিয়ে সাবধান: আপনারডিভাইস বা ফেইসবুকের ছাড়া অন্য কারও তৈরি অ্যাপ ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তথ্যে প্রবেশ ঠিক হবে না। এটা করলে ওই অ্যাপগুলো আপনার হয়ে যে কোনো পোস্ট আপলোডে সক্ষম হবে, যা নিরাপদ ফেসবুকের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। এমন থার্ড পার্টি অ্যাপ ব্যবহার করবেন যেটা ফেসবুক স্বীকৃত।

‘ফ্রেন্ডস’ ব্যবহার করুন: ফেসবুকে সবসময় ‘সিকিউরিটি’ বা নিরাপত্তা পরীক্ষা করুন। পোস্ট করার পর লক্ষ্য রাখুন আপনি আপনার ছবি বা মন্তব্য ‘ফ্রেন্ডস’ করে রেখেছেন, নাকি ‘পাবলিক’ করেছেন। আপনি যদি ‘স্পেশ্যাল’ নির্বাচন করেন এবং ঠিক করে দেন কে কে আপনার পোস্ট দেখতে পাবে, তবে সেটা আপনার তথ্য নিরাপত্তার জন্য তুলনামূলকভাবে ভালো৷

rea commented 16 days ago
thank u very much .....

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

তথ্য প্রযুক্তি খবর