channel 24

সর্বশেষ

  • আ.লীগের আমলে সংখ্যালঘুরা নিরাপদে থাকে: সেতুমন্ত্রী

  • রোহিঙ্গা ইস্যুতে দায় এড়াতে পারে না জাতিসংঘ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • বাঘাইছড়িতে ফের সেনাটহলে গুলি, পাল্টা গুলিতে সন্ত্রাসী নিহত

  • দেশের উন্নয়নে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কাজে লাগাতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান

  • ধর্ষণের অধিকাংশ ঘটনায় নির্যাতনকারী ক্ষমতাসীন দলের: সেলিমা রহমান

  • ডেঙ্গু জ্বরে সাতক্ষীরায় গৃহবধূর মৃত্যু

  • সাফ অনূর্ধ্ব ১৫ ফুটবল: ভূটানকে ৫-২ গোলে বিধ্বস্ত করলো বাংলাদেশ

২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ভাঙা-গড়ার লড়াই

২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ভাঙা-গড়ার লড়াই

রেকর্ড ভেঙ্গেছে। নতুন রেকর্ড হয়েছে। কোনোটা ব্যক্তিগত, কোনোটা দলগত। কেউ নিজ পারফরম্যান্সে দলকে নিয়ে গেছেন আকাশে। আবার কেউ হয়েছেন ফ্লপ। দল বিদায় নিয়েছে আগে তাই সাফল্যের ধারাবাহিকতাও দেখানো হয়নি। ফিরে দেখবো বিশ্বকাপের বারোতম আসর।

ক্রিকেট মানেই রেকর্ড ভাঙ্গা-গড়ার খেলা। মাইলফক ছোঁয়ার তাড়া। জাতীয় দলের এত ম্যাচ বছরজুড়ে হয় তাই সব ক্রিকেটার সবার চেনা। 

কিন্তু বিশ্বকাপ আলাদা কিছু। এই যেমন জোফরা আর্চ্যার বিশ্বকাপ খেলেই পরিচিতি পেয়েছেন আলাদা করে। ২০ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টের সেরা তিন বোলারের একজন।

তবে মিচেল স্টার্ক ভেঙ্গে দিয়েছেন এক যুগ আগে গড়া গ্লেন ম্যাকগ্রার কীর্তি। এক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি উইকেটের রেকর্ডটা অস্ট্রেলিয়াতেই থাকলো। ২৭ উইকেট এই অজি পেসারের। শন টেইট, মুরলিধরনরাও এক আসরের সবচেয়ে বেশি উইকেটের সেরার তালিকায়।

বিশ্বকাপের বিরল হ্যাটট্রিকম্যান ভারতের মোহাম্মদ শামি ও ট্রেন্ট বোল্ট।

তবে সম্ভাবনায় যে ব্যাটসম্যানরা এগিয়ে ছিলেন তারাই পারেননি শচীন টেন্ডুলকারকে টপকাতে। ২০০৩-এ করা ক্রিকেট কিংবদন্তীর ৬৭৩ রান টিকে রইলো। রইলো এক বিশ্বকাপে সর্বাধিক তিন ব্যাটসম্যানের ছয়শতাধিক রানের পরও। রোহিত, ওয়ার্নার, সাকিবরা গর্বিত হতেই পারেন সেই তালিকায় থেকে।

তবে রোহিত অনন্য এক আসরের সর্বাধিক সেঞ্চুরিতে। ৫টি শতকে টপকেছেন সাঙ্গাকারাকে। এবারের আসরে তার পেছনে ডেভিড ওয়ার্নার তিন হান্ড্রেডে। সাকিব, উইলিয়ামসন, ফিঞ্চ, বেয়ারস্টো, রুটরা করেছেন দুটি করে।

সেঞ্চুরির বন্যা বয়ে গেছে এই টুর্নামেন্টে। হয়েছে ৩১ শতক। যার সর্বাধিক ৭টি করে হাঁকিয়েছেন ইংল্যান্ড ও ভারতের ব্যাটসম্যানরা। 

ডেভিড ওয়ার্নারের ১৬৬ রান ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ স্কোর। দেড়শতাধিক রান করেছেন জেসন রয়, অ্যারন ফিঞ্চরা।

তবে যেমনটা ভাবা হয়েছিলো, তেমন রানবন্যা হয়নি এই আসরে। হয়নি চারশতাধিক রনের কোনো ইনিংস। সর্বোচ্চ দলগত স্কোর চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের ৩৯৭। ছয়বার তিনশ পেরোনো দলটিও স্বাগতিকদের। আর সর্বনিম্ন ১০৫ রান পাকিস্তানের। তবে একশর নিচেও কোনো দল অলআউট হয়নি।

৪৫ ম্যাচে ২২৪১২ রান হয়েছে। উইকেট পড়েছে ৬৭৩টি। উইকেট প্রতি রানের গড় ৩৩ দশমিক তিন শূণ্য। তবে রানের বিচারে এটি দ্বিতীয় সেরা বিশ্বকাপ। 

রান বেশি মানেই ছয় বেশি। ৩৫৩ ছক্কার টুর্নামেন্টে একাই ২২টি হাঁকিয়েছেন ওয়েন মরগ্যান। ইংলিশ অধিনায়কের চেয়ে চার কম অ্যারন ফিঞ্চের।

বিশ্বকাপ বাংলাদেশের জন্যও স্মরণীয়। আট নম্বর হওয়ার পরও। কেননা একজন সাকিব আল হাসান যা করেছেন তার জন্য বহু বছর মনে রাখতে হবে এই আসরকে। ছয়শতাধিক রান আর দশের উপর উইকেট এর আগে যেমন কখনো কেউ নেয়নি, তেমনি আবার কেউ কবে করবে?

ভুললে চলবে না এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জেতার রেকর্ডটাও কিন্তু বাংলাদেশের।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

স্পোর্টস 24 খবর