channel 24

ব্রেকিং নিউজ

  • অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসা: রাজধানীর গুলশানে ঢাকা মহানগর...

  • দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ ভূঁইয়া আটক...

  • মতিঝিলে ফকিরেরপুল ইয়ংমেনস ক্লাবে অভিযানে আটক ১৪২

বিশ্বকাপে মাহমুদুল্লাহ হতে পারে ঠান্ডা মাথার ফিনিশার

বিশ্বকাপে মাহমুদুল্লাহ হতে পারে ঠান্ডা মাথার ফিনিশার

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। সাইলেন্ট কিলার নামেই যার বেশী পরিচিতি। ঠান্ডা মাথার এক ফিনিশার, এবার হতে পারেন এক্স ফ্যাক্টর।

বাংলাদেশের ২০১৫ বিশ্বকাপ যতটা স্মরণীয়, শুধু একজনের কীর্তি ততটাই। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ইংল্যান্ডের সঙ্গে অবিশ্বাস্য সেঞ্চুরিতে অ্যাডিলেড মহাকাব্যের নায়ক। নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে সেঞ্চুরিটা আরো নিখুত। ওই ম্যাচের ১২৮ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ।

২০১১  বিশ্বকাপ কীর্তিও অবিশ্বাস্য। হারতে বসা ম্যাচ জিতিয়েছেন নবম উইকেটে শফিউলকে নিয়ে।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান। ২০১৫ আসরে তাঁর ৩৬৫ রান এক আসরে কোন বাংলাদেশীর যা সর্বোচ্চ। ১৭৫ ওয়ানডেতে ৩৪ গড়ে ৩৭৫৭ রান। তাঁর তিন সেঞ্চুরির সবগুলোই বিশ্ব আসরে। বলা যায বড় মঞ্চের বড় খেলোয়াড় মাহমুদুল্লাহ।  

বাবা ওবায়দুল নবাব ও মা আরাফাত বেগম। জন্ম ময়মনসিংহে ১৯৮৬ সালে। আত্মীয়তার সম্পর্ক মুশফিকুর রহিমের সঙ্গেও। দুজনে ভায়রা ভাই।

সেই স্কুল জীবন থেকেই পাইপলাইনে। অথচ জাতীয় দলের দরজা খুললো দেরিতে, বয়সে ছোট সাকিব, তামিম মুশফিকদেরও পরে। ২০০৭ এ ওয়ানডে ও টি টোয়েন্টিতে অভিষেক। টেস্ট দলে দুবছর পর। বোলার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু, পরে হয়ে যান ব্যাটসম্যান। এখন সেই বোলিংয়েই অনিয়মিত। রিয়াদের কার্যকরী অফস্পিন দেখা যায় কালেভদ্রে।

তাই তাঁর অলরাউন্ডার পরিচয়ও মরচে ধরা। উল্টো অবস্থা ব্যাটসম্যান রিয়াদের। সাত নম্বর পজিশনে বিশ্বেসরাদেরই একজন। ফিনিশিংয়েও নিখুঁত। কঠিন পরিস্থিতিতে লড়াকু ক্রিকেটার, সাইলেন্ট কিলার। অধিনায়ক মাশরাফীর ভাষায় ক্রাইসিস ম্যান।

অথচ জাতীয় দলে থিতু হওয়ার পথটা ছিলো দু:স্বপ্নের মত। ২০১৪তে তার ব্যাডপ্যাচের সঙ্গী ছিলো দলও। বাদ পড়ার দাবিও হয়েছিলো জোড়ালো। পরের বছর বিশ্বকাপে পুনর্জন্ম মাহমুদুল্লাহর। বাংলাদেশের পাঁচ স্তম্ভের একজন হিসেবে দলে এখন প্রতিষ্ঠিত নাম। নেতৃত্ব তাঁর বিশেষ গুণ। আনুষ্ঠানিকভাবে ক্যাপ্টেনির আর্মব্যান্ড না পেলেও ভারপ্রাপ্ত হিসেবে তিন ফরম্যাটেই ক্যাপ্টেন্সি করেছেন।

সেঞ্চুরির পর রিয়াদের প্রতিটি উদযাপনেই থাকে পরিবারের প্রতি ভালোবাসা। ঠিক ততটাই ভালোবাসা, লাল সবুজের জন্য। ঠোটের কোনে লেগে থাকা এই এক মৃদ্যু হাসিতেই যে ভুবন ভুলিয়ে তুলতে পারেন, রাঙিয়ে দিতে পারেন নিজের সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

স্পোর্টস 24 খবর