channel 24

সর্বশেষ

  • প্রিয়া সাহার বক্তব্য ত্রুটিপূর্ণ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়...

  • অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে আইনি ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী...

  • প্রিয়া সাহার বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য ও উসকানিমূলক: ওবায়দুল কাদের...

  • উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহী ও মদদদাতাদের বিরুদ্ধে ২৮ জুলাই থেকে ব্যবস্থা

  • যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটায় বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছাতে সময় লাগছে: প্রতিমন্ত্রী

  • সরল বিশ্বাসের ব্যাখ্যায় দুর্নীতি শব্দটি ছিল না, দাবি দুদক চেয়ারম্যানের

  • আগস্টের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হবে, আশা প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর

  • 'ছেলেধরা' সন্দেহে গণপিটুনি: ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে নারীসহ নিহত ২...

  • চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, গাজীপুরে ৩ নারী ও পাবনায় যুবক আহত; কুষ্টিয়ায় আটক ১

  • তিন ওয়ানডে খেলতে শ্রীলঙ্কার পথে বাংলাদেশ দল...

  • সাকিব-মাশরাফী না থাকায় সিরিজ কঠিন হবে: তামিম ইকবাল

ফিরে দেখা: বিশ্বকাপের কিংবদন্তিরা

ফিরে দেখা: বিশ্বকাপের কিংবদন্তিরা

বিশ্বকাপে কত ক্রিকেটারই পারফরম করেছেন। কিন্তু তাদের কজন কিংবদন্তী হতে পেরেছেন? কেউ এক ম্যাচ, এক টুর্নামেন্ট বা ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলে নিজেকে নিয়ে গেছেন অন্য উচ্চতায়। শচীন টেন্ডুলকার, গ্লেন ম্যাকগ্রা, ভিভ রিচার্ডসরা সেই কাতারে। ফিরে দেখবো বিশ্বকাপের কিংবন্তীদের।

ক্রিকেটারদের প্রমানের সবচেয়ে বড় মঞ্চ বিশ্বকাপ। যে ক্যানভাসে শিল্পীর আঁচর বুলিয়ে ক্রিকেটাররা হয়ে যান কিংবদন্তি। কিংবা কিংবদন্তিরা বিশ্বকাপ নিজেদের করে নেন সাফল্যের ভেলায় ভেসে, নতুন ইতিহাস লিখে।

শচীন টেন্ডুলকারের ক্ষেত্রে দুটোই প্রযোজ্য। বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা ব্যাটসম্যান লিটল মাস্টার। ১৯৯২ থেকে ২০১১ সবচেয়ে বেশি ৬ বিশ্বকাপ খেলে ২২৭৮ রান ব্যাটিং জিনিয়াসের ঝুলিতে। তবে সবচেয়ে বেশি রঙ্গীন ২০০৩ আসর। দল রানার্সআপ হলেও ঐ আসরে ৬৭৩ রানের রেকর্ড এখনো অচ্ছুত। নিজের শেষ বিশ্বকাপে শচীনকে ট্রফি উপহার দিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। সতীর্থরা ২০১১ বিশ্বকাপ উৎসর্গ করেছে লিটল মাস্টারকে।

ব্যাট হাতে বিশ্বকাপের মহনায়ক যদি হন শচীন তবে বোলিংয়ে বীরত্ব গাঁথা নিজ হাতে লিখেছেন গ্লেন ম্যাকগ্রা। অস্ট্রেলিয়াকে হ্যাটট্রিক শিরোপা উপহার দেয়ার অন্যতম কারিগর এ পেসার। তার জাদুতে বারবার ভেঙ্গে পড়েছে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইন। বিশ্বকাপের সবচেয়ে বেশি উইকেট, এক আসরে সর্বাধিক উইকেট এমনকি সেরা বোলিংও ম্যাকগ্রার দখলে।

শচীন, ম্যাকগ্রাদের মত মহাতারকা নন যুবরাজ সিং। কিন্তু ২০১১ সালে ব্যাটে-বলের পারফরম্যান্স বিশ্বকাপের সেরা অলরাউন্ডারের আসনে বসিয়েছে যুবরাজ সিংকে। চার হাফ সেঞ্চুরি ১ সেঞ্চুরিতে ৩৬২ রান আর ১৫ উইকেট নিয়ে ভারতের ২য় বিশ্বকাপ শিরোপায় ভূমিকা রেখেছেন ক্যানসার জয় করে ফেরা যুবরাজ।

বিশ্বকাপের সফলতম অধিনায়কের তালিকায় সন্দেহাতীতভাবে সবার উপরে রিকি পন্টিং। ১৯৯৯ বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য পরের দু আসরে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০০৩ বিশ্বকাপে ১২১ বলে ১৪০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস ম্যাচ সেরা। পন্টিংয়ের অধিনায়কত্বে ২৮ বিশ্বকাপ ম্যাচের মাত্র ২টিতে হেরেছে অস্ট্রেলিয়া।

১৯৯২ বিশ্বকাপ রঙ্গীন পাকিস্তান ঝলকে। সর্বকালের অন্যতম সেরা অল রাউন্ডার ইমরান খানের নেতৃত্বে সেবার বিশ্বকাপ ঘরে তোলে পাকিস্তান। ফাইনালে ব্যাট হাতে ৭২ আর রিচার্ড ইলিংওয়ার্থের উইকেট নিয়ে নিজের শেষ ম্যাচে বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে মাঠ ছাড়েন ইমরান।

১৯৮৩ বিশ্বকাপ কপিল দেবের। ভারতকে একাই ফাইনালে টেনে তোলেন কপিল। ব্যাটে, বলে, ফিল্ডিংয়ে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যান নিজেকে। ৩০৩ রান, ১২ উইকেট আর ৭ ক্যাচ নিয়ে ভারতকে প্রথম বিশ্বকাপ উপহার দেন এ অলরাউন্ডার। ফাইনালে ভিভ রিচার্ডসেকে ফেরানো কপিল দেবের ক্যাচ বিশ্বকাপের সেরা হিসেবে বিবেচিত।

তবে সত্তরের দশকে বিশ্বকাপে একচ্ছত্র রাজত্বে ছিলো ক্যারিবীয়দের। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে প্রথম বিশ্বকাপ নিজেদের করে নেন উইন্ডিজ অধিনায়ক ক্লাইভ লয়েড। বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথম সেঞ্চুরিয়ানও লয়েড। মাত্র ৮৫ বলে সেঞ্চুরি করে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোয় ভূমিকা রাখেন তিনি।

তবে ক্যারিবিয়দের সাম্রাজ্যে সম্রাট স্যার ভিভ রিচার্ডস। বোলারদের উপর চড়াও হয়ে খেলার ধারাবাহিক প্রবনতা প্রথম ফুটে ওঠে রিচার্ডসেরর ব্যাটে। দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ে ভূমিকা রাখে এ এব্যাটসম্যানের ১৩৮ রানের কাব্যিক ইনিংস।

এছাড়াও ১৯৮৭ বিশ্বকাপে অ্যালান বর্ডার, ১৯৯৬ এ অরবিন্দ ডি সিলভা, জয়সুরিয়া, রানাতুঙ্গারা বিশ্বকাপের মহাতারকা।

দেখুন ভিডিওটি-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

স্পোর্টস 24 খবর