channel 24

সর্বশেষ

  • যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ দলের নেতা নির্বাচিত বরিস জনসন...

  • পেয়েছেন ৯২ হাজার ১৫৩ ভোট; হতে যাচ্ছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী

  • গাজীপুরে ২ ও জামালপুরে নারীকে গণপিটুনি; নবাবগঞ্জে নারীকে পুলিশে সোপর্দ...

  • এ পর্যন্ত গণপিটুনিতে নিহত ৬ জন; ৯টি মামলায় গ্রেপ্তার ৮১...

  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ালে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • নেতৃত্বের প্রশ্নে জাতীয় পার্টিতে কোনো দ্বন্দ্ব নেই: জি এম কাদের

  • ঘুষ গ্রহণের মামলায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুদক পরিচালক...

  • এনামুল বাছিরের জামিন নামঞ্জুর; কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

  • শুধু ডেঙ্গুতে নয়, অন্য রোগ থাকলে মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে: ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য বিএসএমএমইউ

  • সার্চলাইটে সংবাদ প্রচারের পর মেহেরপুরে ভুয়া ডাক্তার হান্নানকে...

  • ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও চেম্বার সিলগালা, চিকিৎসা না দেয়ার মুচলেকা

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ঢাকার বিপক্ষে ১ রানে জয় পেল কুমিল্লা

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ঢাকার বিপক্ষে ১ রানে জয় পেল কুমিল্লা

ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে ম্যাচের শেষ বলে গিয়ে ১ রানের জয় পেয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। মাত্র ১২৭ রানের পুঁজি নিয়েও শক্তিশালী ঢাকাকে হারিয়ে দিয়েছে কুমিল্লা।

আন্দ্রে রাসেল, কাইরন পোলার্ড, সুনিল নারিনদের মতো মারমুখী ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে ডেথ ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন শহিদ আফ্রিদি, মোহাম্মদ সাঈফউদ্দীন, ওয়াহাব রিয়াজরা।

শেষ ওভারে ঢাকার জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিলো ১৩ রান। আন্দ্রে রাসেল যখন স্ট্রাইক পান তখন বাকি ছিল ৪ বলে ১২ রান। এমতাবস্থায় দুই বল ডট করেন সাঈফউদ্দীন, পঞ্চম বলে ছক্কা মারেন রাসেল। তবে শেষ বলে নিখুঁত ইয়র্কারকে রাসেলকে ভূপাতিত করে দলকে ১ রানের জয় পাইয়ে দেন সাঈফউদ্দীন।

শ্বাসরুদ্ধকর এ জয়ের পর ১১ ম্যাচ শেষে ৮ জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে গিয়েছে কুমিল্লা। 

অন্যদিকে ১১ ম্যাচে ৫ জয় নিয়ে এখনো ঝুলে রইল ঢাকা ডায়নামাইটসের প্লে-অফের টিকিট। একইসঙ্গে বেঁচে রইলো রাজশাহী কিংসের শেষ চারে যাওয়ার আশাও। নিজেদের শেষ ম্যাচে খুলনা টাইটানসের বিপক্ষে জয় পেলেই কেবল প্লে-অফে যেতে পারবে ঢাকা। অন্যথায় এগিয়ে যাবে রাজশাহী।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ব্যাকফুটে চলে যায় ঢাকা। মাত্র ১৭ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে দল যখন বিপদে তখন চাপ আরো বাড়ান অধিনায়ক সাকিব। অফস্পিনার মেহেদি হাসানকে ছক্কা হাঁকানোর পরের বলেই আবারো বড় শটের খোঁজে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। ২৯ রানে ৪ উইকেট চারিয়ে অকূল পাথারে তখন ঢাকা।

সেখান থেকে দলের হাল ধরেন ওপেনিং থেকে পাঁচ নম্বরে নামা সুনিল নারিন এবং কাইরন পোলার্ড। দুজন মিলে ৩৪ বলে গড়েন ৪২ রানের জুটি। দ্বাদশ ওভারে ওয়াহাব রিয়াজের দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হয়ে সাজঘরে ফেরেন নারিন (২৪ বলে ২২)।

১৭তম ওভার করতে এসে আফ্রিদির দেখানো পথটাই অনুসরণ করেন মোহাম্মদ সাঈফউদ্দীন। স্ট্রাইকে থাকা পোলার্ডকে মারার কোনো সুযোগই দেননি তিনি। রানের জন্য হাঁসফাঁস করতে থাকা পোলার্ড ওভারের চতুর্থ বলে ক্যাচ দিয়ে বসেন তামিম ইকবালের হাতে। আউট হওয়ার আগে ২টি করে চার-ছক্কার মারে ৩৩ বলে ৩৪ রান করেন পোলার্ড।

ঢাকার জয়ের সমীকরণ তখন ২২ বলে ৩৮, হাতে ৬ উইকেট। এমতাবস্থায় উইকেটে এসে প্রথম বলেই ব্যাট চালান নুরুল হাসান সোহান। কিন্তু দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতায় পয়েন্ট অঞ্চল থেকে ক্যাচ নিয়ে তাকে সাজঘরে ফেরান এভিন লুইস। হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগে সাঈফউদ্দীনের। শেষ বলে লেগবাই থেকে এক রান নিয়ে হ্যাটট্রিক ঠেকান নতুন ব্যাটসম্যান শুভাগত হোম। কিন্তু ডাবল উইকেট মেইডেন নিয়ে কুমিল্লার দিকে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন সাঈফউদ্দীন।

শেষ ৩ ওভার থেকে ৩৭ রানের প্রয়োজন থাকে ঢাকার। তাদের আশার প্রদীপ হয়ে তখনো উইকেটে ছিলেন রাসেল। যিনি ১৮তম ওভারের দ্বিতীয় বলেই স্ট্রাইক পেয়ে হাঁকান ১০৯ মিটারের বিশাল ছক্কা, পরের বলেই মারে ৮২ মিটারের আরেকটি ছক্কা। সে ওভার থেকে সবমিলিয়ে ১৭ রান নিয়ে সমীকরণটা ১২ বলে ২০ রানে নামিয়ে নেয় ঢাকা।

শেষ ওভারের প্রথম বলে স্ট্রাইকে থাকেন রুবেল হোসেন। এদিকে হাতে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে মাঠে ফিরে আসেন সাঈফউদ্দীন। আগের তিন ওভারে ১ মেইডেনসহ মাত্র ১১ রান খরচায় ৩ উইকেট নেয়ায় তার হাতে বল তুলে দেয়ার আগে ভাবতে হয়নি কুমিল্লা অধিনায়ক ইমরুল।

ডেথে ২ ওভারে অসাধারণ বোলিংসহ ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান খরচায় ৪ উইকেট নিয়ে কুমিল্লার শ্বাসরুদ্ধকর এ জয়ের নায়ক নিঃসন্দেহে মোহাম্মদ সাঈফউদ্দীন।

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই চার, পরের বলে সীমানা পার করেন তামিম ইকবাল। এক প্রান্তে তামিম ঝড় তুললেও অন্যপ্রান্তে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউ। নিজের আগের ইনিংসেই ঝড়ো সেঞ্চুরি করা এভিন লুইস এদিন আউট হন মাত ৮ রান করে। রানের খাতা খুলতেই ব্যর্থ হন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান এনামুল হক বিজয়।

অধিনায়ক ইমরুল কায়েস (৭), শামসুর রহমান শুভ (২), থিসারা পেরেরা (৯) কিংবা মোহাম্মদ সাঈফউদ্দীনের (২) কেউই পারেননি দুই অঙ্কে যেতে। ধরে খেলার আভাস দিয়ে ১৭ বলে ১৮ রান করে আউট হন শহীদ আফ্রিদি।  সাকিবের এক ওভারে দুই ছক্কা মেরে দলীয় সংগ্রহটা একশ পার করান ওয়াহাব রিয়াজ। রুবেল হোসেন বলে আউট হওয়ার আগে তিনি করেন ১৬ রান। ঢাকার পক্ষে বল হাতে একাই ৪ উইকেট নেন রুবেল হোসেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

স্পোর্টস 24 খবর