channel 24

সর্বশেষ

  • মাঠে গড়ানোর অপেক্ষায় ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ও সিরি আ

  • মহামারির মধ্যে কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার জেরে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

  • আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস আজ

  • এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল মিলবে সম্পূর্ণ অনলাইনে

  • এগারো লাখ রোহিঙ্গার বোঝা আর বইতে পারছে না বাংলাদেশ

  • করোনায় বিশ্বজুড়ে প্রাণহানি ৩ লাখ ৫৯ হাজার

  • সাধারণ ছুটির মেয়াদ না বাড়ানোয় কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ

  • লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা

  • বগুড়ার ’চাষী বাজারে’ ২৫ ব্যবসায়ী করোনায় আক্রান্ত

  • গণপরিবহন চালু করতে নানা কৌশল; স্বাস্থ্যবিধি মানা নিয়ে সংশয়

  • আগুনে মুত্যুতে ইউনাইটেড হাসপাতালের গাফিলতি; মানতে নারাজ কর্তৃপক্ষ

  • ৩১ মে চালু হচ্ছে স্টক এক্সচেঞ্জে শেয়ার লেনদেন

  • ক্রিকেটের বাইরে সাকিব আল হাসানের জানা-অজানা গল্প

  • অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলবে ট্রেন, নৌপথে সিদ্ধান্ত কাল

  • করোনায় বাংলাদেশে আটকে পড়া ১০৯ নাগরিককে ফিরিয়ে নিয়েছে ভারত

৫০ ডিগ্রি তাপমাত্রা, বাদুড়, সাপ খেয়ে টিকে থাকতে হয় এ ভয়ঙ্কর ম্যারাথনে

৫০ ডিগ্রি তাপমাত্রা, বাদুড়, সাপ খেয়ে টিকে থাকতে হয় এ ভয়ঙ্কর ম্যারাথনে

ম্যারাথন অব দ্য স্যান্ডস। বালিতে ম্যারাথন। ধূ ধূ সাহারা মরুভূমি, মাথার উপর কড়া রৌদ, আর এর মাঝেই মাইলের পর মাইল দৌড়। এমনটাও কি হয়?

মরক্কোয় সাহারা মরুভূমিতে এই রেসের ভাবনা প্রথম মাথায় আসে ফ্রান্সের এক ব্যক্তির। ১৯৮৬ সালে প্রথম এই রেস চালু হয়েছিল।

প্যাট্রিক বাউচার নামের এক ফরাসি প্রথম এই মরুভূমিতে ১২ দিন ধরে দৌড়েছিলেন ৩৫০ কিলোমিটার। পরে তিনি চিন্তা করলেন, তিনি যদি পারেন, তাহলে অনেকেই এতে আগ্রহ প্রকাশ করতে পারে। শুরুতে ২৩ জন অ্যাথলিট এই রেসে অংশ নিয়েছিলেন।

মার্কিন জিমন্যাস্টের তাক লাগানো পারফরম্যান্স ভাইরাল

এই রেসকে বলা হয় বিশ্বের অন্যতম কঠিন রেস, প্রতি বছর ৩০টি দেশের প্রায় ৮০০ জন অংশ নেন এই রেসে।

২৫১ কিলোমিটারেরও কাছাকাছি পথ পাড়ি দিতে হয় এই রেসে। এই রেসের ভয়াবহতা নিয়ে হয়েছে সিনেমাও।

এই রেসে রয়েছে ছটি ধাপ। একটি ধাপে কড়া রোদের মাঝে ফাঁকা ওই মরুভূমিতে পাড়ি দিতে হয় টানা ৮১ কিলোমিটার। মারাত্মক রোদ আর বালির মাঝে অংশগ্রহণকারীদের নিজেদের প্রয়োজনীয় জিনিস নিজেকেই রাখতে হয়। ১৪ হাজার ক্যালরির খাবার নিতে হয় সঙ্গে ন্যূনতম।

নিজেদেরই পোশাক, স্টোভ, স্লিপিং ব্যাগ ও সারভাইভাল কিট সঙ্গে রাখতে হয়। সংস্থার তরফে শুধুমাত্র ১০ লিটার থেকে ১২ লিটার পানি দেওয়া হয় অংশগ্রহণকারীদের।

প্রথম দিন প্যারিস থেকে অংশগ্রহণকারীরা আসেন মরক্কোয়, দ্বিতীয় দিনে থাকে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত চেক আপ ও প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ। তৃতীয় থেকে নবম দিনের মধ্যে রেস ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান হয়।

৫০-৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো তাপমাত্রা থাকে সাহারা মরুভূমিতে। প্রথম দিনে এই রেসে দৌড়াতে হয় ৩৩.৮ কিলোমিটার, দ্বিতীয় দিনে ৩৮.৫ কিলোমিটারের কাছাকাছি।
তৃতীয় দিনে পেরোতে হয় ৩৫ কিলোমিটার, আর চতুর্থ দিনে পেরোতে হয় ৮১.৫ কিলোমিটার। পঞ্চম দিনে পেরোতে হয় ৪২.২ কিলোমিটার, ষষ্ঠ দিনে পেরোতে হয় ১৫.৫ কিলোমিটার।

সাহারায় রাতে তাপমাত্রা নেমে যায় হিমাঙ্কের চেয়ে অনেকটাই নিচে। সেই ঠান্ডাতেও অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে প্রতি বছরই এই রেসের ফর্ম্যাট বদলায়।

একটানা রোদে দৌড়ানো ছাড়াও রয়েছে বালিঝড়ের আশঙ্কা। রয়েছে বিষাক্ত সাপের কামড়ের আশঙ্কাও। হর্নড ভাইপার এর অন্যতম।

চলতি বছরের রেস হওয়ার কথা ৫ এপ্রিল। এই রেসের 'রুট' রেস শুরু হওয়ার ঠিক আগেই জানানো হয়। তার আগে পর্যন্ত গোপন রাখা হয়।

এই ম্যারাথনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনাটি ঘটে ১৯৯৪ সালে। বালিঝড়ে পথ হারিয়ে মূত্র পান করে, বাদুড়ের মাংস খেয়ে বেঁচেছিলেন মাউরো প্রসপেরি নামে এক অংশগ্রহণকারী। বাদুড়ের রক্ত, সাপ, টিকটিকি খেয়ে কার্যত প্রাণ বাঁচান তিনি। চার বছর পর ফের যোগ দেন ম্যারাথনে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

স্পোর্টস 24 খবর