বিমানে সোনা চোরাচালান মামলায় পুলিশের রিপোর্টের বিরুদ্ধে নারাজি দেবে রাষ্ট্রপক্ষ

বিমান বাংলাদেশের টয়লেট থেকে ২০১৫ সালে প্রায় ১৪ কেজি সোনাসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়।

তদন্তে প্রমাণ না পাওয়ায় ফাইনাল রিপোর্ট দিয়েছে পুলিশ। রাষ্ট্রপক্ষের পিপি জানান, ওই তদন্তে আদালতে নারাজি দেবেন তারা। বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ঘটনার মূলহোতা গ্রেপ্তার না হওয়াটা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যর্থতা।জানুয়ারি, ২০১৫। দুবাই থেকে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে নামে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট। সেটির টয়লেটের কমোড চেম্বারেরর নিচে কার্গো হোল সংশ্লিষ্ট প্যানেল থেকে ১৪ কেজি সোনা উদ্ধার করে শুল্ক গোয়েন্দারা। যার বাজার মূল্য প্রায় সাত কোটি টাকা। পরে শুল্ক গোয়েন্দার তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, যে জায়গায় সোনা ছিলো, সেখানে বিমানের মেকানিক বিভাগের বাইরের কারও যাওয়া সম্ভব না। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়, ওই বিভাগের দুই কর্মচারিকে। জব্দ করা হয় বিমানটিও।

কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা পাল্টানোর সাথে, পাল্টে যায় দৃশ্যপটও। মামলার চার্জশিটের আগেই, দেয়া হয় চূড়ান্ত প্রতিবেদন। যাতে পর্যাপ্ত তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণ না পাওয়ার অজুহাতে সুপারিশ করা হয় আসামিদের অব্যাহতির। সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়, তদন্তও। তবে এর বিরুদ্ধে নারাজির আবেদনে কথা জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, তদন্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো গাফিলতি করে না। সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায়, নির্দোষ বলা হয়েছে আসামিদের। মামলার নথি দেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের এ শিক্ষক বলেন, চাইলে আলামত ও আসামির মাধ্যমে সোনা চোরাকারবারীদের গডফাদারদের ধরতে পারতো পুলিশ। কিন্তু করেছে তার উল্টোটা। সোনা চোরাচালানের ঘটনায় যেখানে কোটি টাকার লেনদেন জড়িত, সেখানে এখনও কোনো মূলহোতার গ্রেপ্তার বা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া দুঃখজনক।

Last modified on 11-07-2018 06:09:22 PM

চ্যানেল 24

387 South, Tejgaon I/A
Dhaka-1208, Bangladesh
Email: newsroom@channel24bd.tv
Tel: +8802 550 29724
Fax: +8802 550 19709

Save

Save

Like us on Facebook
Satellite Parameters
Webmail

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save