channel 24

সর্বশেষ

  • তাজিয়া মিছিলের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার

  • কোটা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাল্টাপাল্টি মিছিল

  • একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার কাজ শেষ; রায় ১০ অক্টোবর

  • ইভিএম কিনতে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন একনেকে

  • বিএনপি নেতা আমীর খসরুর সম্পদ অনুসন্ধানে দুদকের অভিযান

  • ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭.৮৬ শতাংশ: পরিকল্পনামন্ত্রী

কারাগার থেকে জামিনে বেরিয়ে যাচ্ছে অনেক জঙ্গি

কারাগার থেকে জামিনে বেরিয়ে যাচ্ছে অনেক জঙ্গি

কাঠ-খড় পুড়িয়ে জঙ্গিদের আটক করা হলেও; জামিনে বেরিয়ে যাচ্ছে অনেকে। এতে তাদের সবার ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি, সম্ভব হচ্ছে না। তদন্তে দুর্বলতা দেখছেন, নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। তবে, আইনজীবীরা বলছেন, তদন্তে দুর্বলতা বা আইনের ফাঁক-ফোকর নয়; যৌক্তিক কারণেই জামিন দিচ্ছেন আদালত।

গেল বছর রাজধানীর পান্থপথে হোটেল ওলিও ইন্টারন্যাশনালে আত্মঘাতী হয় এক জঙ্গি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ১৫ আগস্টের জাতীয় শোক দিবসের র‍্যালিতে হামলার টার্গেট ছিল তার।

পরে এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিন-চারজনকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন তারা। তাদেরই একজন নব্য জেএমবির নারী শাখার প্রধান হোমায়রা ওরফে নাবিলা। তার বিরুদ্ধে সব তথ্য-প্রমাণ হাজিরের পরও, জামিন পান দুমাসের মধ্যে।

এরপরই গা ঢাকা দেন নাবিলা। সিদ্ধেশ্বরীতে তার বাবার যেই বাসা থেকে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন, সেখানে খোঁজ নিতে গিয়ে গেলে জানানো হয়, জামিনের পর আর ফেরেননি তিনি।

নাবিলার স্বামী তানভীর করিম বর্তমানে কারাগারে। তার বিরুদ্ধে জঙ্গি অর্থায়নের অভিযোগ রয়েছে। আদালতে যা স্বীকারও করেছেন। গুলশান-২ নম্বরে তার বাসায় গিয়েও পাওয়া যায়নি নাবিলাকে।

জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হলেও, জামিনের পর অনেক আসামিই থাকছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নখদর্পনের বাইরে।

জঙ্গিবাদে জড়ানোর মতো ভয়াবহ অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে, তারা জামিন পাচ্ছেন কি করে? তাহলে কি ফাঁক-ফোকর থাকছে তদন্তে।

তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, তদন্তের দুর্বলতায়, সহজে জামিন পাচ্ছেন সন্দেহভাজন জঙ্গিরা।

তাই গুরুতর অপরাধে জামিন প্রশ্নে আইন আরও কঠোর করার পরামর্শ তার।

 

 

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর