channel 24

সর্বশেষ

  • তাজিয়া মিছিলের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার

  • কোটা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাল্টাপাল্টি মিছিল

  • একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার কাজ শেষ; রায় ১০ অক্টোবর

  • ইভিএম কিনতে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন একনেকে

  • বিএনপি নেতা আমীর খসরুর সম্পদ অনুসন্ধানে দুদকের অভিযান

  • ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭.৮৬ শতাংশ: পরিকল্পনামন্ত্রী

পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক দলের সংঘাতে দুই দশকে খুন ৯৭১ জন

পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক দলের সংঘাতে দুই দশকে খুন ৯৭১ জন

কোন্দলে রক্তাক্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম। গত দুই দশকে খুন হয়েছেন অন্তত ৯৭১ জন। সম্প্রতি এই খুনোখুনি আরও বেড়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনে মাঠ দখলে নিতেই, আঞ্চলিক দলগুলোর মধ্যে সংঘাত বাড়ছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক দলগুলো এখন চার ভাগে বিভক্ত। শান্তি চুক্তির পর জেএসএস ভেঙে তৈরি হয় ইউপিডিএফ। এই দুই দল বেঙে, ২০০৭-এ জেএসএস-এমএন লারমা ও গত নভেম্বরে ইউপিডিএফ-গণতান্ত্রিক নামে আরো দুটি দল হয়েছে।

জেএসএস-এমএন লারমার কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ছিলেন, নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাক্তিমান চাকমা। গত ৩ মে নিজ কার্যালয়ে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

পরদিন তার শেষকৃত্যে যাওয়ার পথে খুন হন ইউপিডিএফ-গণতান্ত্রিক এর প্রধান তপন জ্যোতি চাকমা ওরফে বর্মাসহ ৫ জন।

শান্তি চুক্তির পর গত দুই দশকে এভাবে নিহত হয়েছেন ৯৭১ জন। এর মধ্যে শুধু গত ছয় মাসেই প্রাণ গেছে ৩০ জনের।

স্থানীয় প্রশাসন বলছে, কিছু সশস্ত্র গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটছে। কিন্তু, স্বাক্ষীর অভাবে অভিযোগ প্রমাণ করা যায়না।

গত ১৮ এপ্রিল একটি সশস্ত্র গ্রুপের আস্তানা থেকে এই অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে আছে ২টি এসএমজি, ২টি পিস্তল, একটি অ্যাসল্ট রাইফেল ও ১৬ রাউন্ড গুলি।

গত ছয় মাসে এমন ছোট-বড় ৪৩টি অস্ত্র ও ৬৩৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগমের আশঙ্কা, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার আগামী নির্বাচনকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। সাম্প্রতিক খুনাখুনি তারই আলামত।

সশস্ত্র গ্রুপ থাকা না থাকা নিয়ে আঞ্চলিক দলগুলো একে অপরকে দোষারোপ করছে।

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর