channel 24

সর্বশেষ

  • কোচিং বাণিজ্য: উইলস লিটল স্কুলের ৩০ শিক্ষককে দুদকের শোকজ

  • নাটোরের বাগাতিপাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের নিহত ৩

  • রোহিঙ্গা ইস্যুর সমাধান দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশ সমস্যায় পড়বে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • এসএসসি ও সমমান পরীক্ষাকালীন কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে: শিক্ষামন্ত্রী

  • জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধীর সন্তানরা যেন সরকারি চাকরি না পায়...

  • তার জন্য আইন করতে হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

  • সমাজে ব্যাধির মতো ছড়িয়ে গেছে দুর্নীতি: প্রধানমন্ত্রী...

  • সব অপরাধ দমনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে তৎপর থাকার নির্দেশ

  • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সাংবাদিকদের...

  • উদ্বেগের বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

  • রিজার্ভ চুরি: চলতি মাসেই নিউইয়র্কে মামলা- অর্থমন্ত্রী

  • হলি আর্টিজান মামলার আসামি জঙ্গিনেতা মামুন ৫ দিনের রিমান্ডে

  • ডিপিডিসির নির্বাহী পরিচালক রমিজ উদ্দিন সরকার ও...

  • তার স্ত্রীর সম্পদের হিসাব দিতে দুদকের নোটিশ

রাসায়নিক দিয়ে পাকানো আম নিয়ে জনমনে আতঙ্ক

রাসায়নিক দিয়ে পাকানো আম নিয়ে জনমনে আতঙ্ক

রাসায়নিক দিয়ে পাকানো আম নিয়ে জনমনে রয়েছে, আতঙ্ক। কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আমের ক্যালেন্ডার অনুসরণ করলেই এ অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এছাড়া, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ফল পাকানোর চেম্বার তৈরির তাগিদও দিয়েছেন তারা। ফয়জুল সিদ্দিকীর প্রতিবেদন।

 

ক্ষতিকর রাসায়নিক দিয়ে পাকানো-এমন অভিযোগে সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে কয়েক হাজার মন আমসহ নানা ধরনের ফল নষ্ট করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

কিন্তু নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ দাবি করে, এসব ফল অপরিপক্ক হলেও, তা ছিলো ঝুঁকিমুক্ত। ফলে তৈরি হয় বিভ্রান্তি।

এমন বাস্তবতায় নষ্ট করা আমের নমুনা পরীক্ষার উদ্যোগ নেয় কৃষি গবেষণা কাউন্সিল। উদ্দেশ্য এতে ক্ষতিকর রাসায়নিকের উপস্থিতি খতিয়ে দেখা।

কৃষি গবেষণা খাতের প্রধান এই সংস্থা জানায়, নষ্ট হওয়া হিমসাগর, লক্ষণভোগ আর গুটি আমের নমুনা জোগাড় করে, পাঠানো হয় ভারতের চেন্নাইয়ে আন্তর্জাতিক স্বীকৃত গবেষণাগার এসজিএসে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তারা জানায়, ফলগুলোতে কার্বাইডের সাথে থাকা ক্ষতিকর আর্সেনিক নেই। তবে গুটি আমে মিলেছে ইথেফোনের উপস্থিতি; যদিও তা সহনীয় মাত্রার অনেক নিচে।

এই যদি হয় ফল পরীক্ষার ফল, তাহলে কেন নষ্ট করা? এমন প্রশ্নে ভ্রাম্যমাণ আদালতের দাবি, ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহারের প্রমাণ পেয়েই আম নষ্ট করা হয়েছে। 

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চাষী, ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের অস্বস্তি দূর করতে অনুসরণ করতে হবে আম ক্যালেন্ডার। সাথে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে তৈরি করতে হবে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ফল পাকানোর চেম্বার।

বাংলাদেশ আম উৎপাদনে বিশ্বে অষ্টম হলেও, কেবল অব্যবস্থাপনার কারণে অপচয় হয় কমপক্ষে ৪০ ভাগ।

 

 

 

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর