রাসায়নিক দিয়ে পাকানো আম নিয়ে জনমনে আতঙ্ক

রাসায়নিক দিয়ে পাকানো আম নিয়ে জনমনে রয়েছে, আতঙ্ক। কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আমের ক্যালেন্ডার অনুসরণ করলেই এ অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এছাড়া, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ফল পাকানোর চেম্বার তৈরির তাগিদও দিয়েছেন তারা। ফয়জুল সিদ্দিকীর প্রতিবেদন।

 

ক্ষতিকর রাসায়নিক দিয়ে পাকানো-এমন অভিযোগে সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে কয়েক হাজার মন আমসহ নানা ধরনের ফল নষ্ট করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

কিন্তু নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ দাবি করে, এসব ফল অপরিপক্ক হলেও, তা ছিলো ঝুঁকিমুক্ত। ফলে তৈরি হয় বিভ্রান্তি।

এমন বাস্তবতায় নষ্ট করা আমের নমুনা পরীক্ষার উদ্যোগ নেয় কৃষি গবেষণা কাউন্সিল। উদ্দেশ্য এতে ক্ষতিকর রাসায়নিকের উপস্থিতি খতিয়ে দেখা।

কৃষি গবেষণা খাতের প্রধান এই সংস্থা জানায়, নষ্ট হওয়া হিমসাগর, লক্ষণভোগ আর গুটি আমের নমুনা জোগাড় করে, পাঠানো হয় ভারতের চেন্নাইয়ে আন্তর্জাতিক স্বীকৃত গবেষণাগার এসজিএসে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তারা জানায়, ফলগুলোতে কার্বাইডের সাথে থাকা ক্ষতিকর আর্সেনিক নেই। তবে গুটি আমে মিলেছে ইথেফোনের উপস্থিতি; যদিও তা সহনীয় মাত্রার অনেক নিচে।

এই যদি হয় ফল পরীক্ষার ফল, তাহলে কেন নষ্ট করা? এমন প্রশ্নে ভ্রাম্যমাণ আদালতের দাবি, ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহারের প্রমাণ পেয়েই আম নষ্ট করা হয়েছে। 

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চাষী, ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের অস্বস্তি দূর করতে অনুসরণ করতে হবে আম ক্যালেন্ডার। সাথে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে তৈরি করতে হবে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ফল পাকানোর চেম্বার।

বাংলাদেশ আম উৎপাদনে বিশ্বে অষ্টম হলেও, কেবল অব্যবস্থাপনার কারণে অপচয় হয় কমপক্ষে ৪০ ভাগ।

 

 

 

চ্যানেল 24

387 South, Tejgaon I/A
Dhaka-1208, Bangladesh
Email: newsroom@channel24bd.tv
Tel: +8802 550 29724
Fax: +8802 550 19709

Save

Save

Like us on Facebook
Satellite Parameters
Webmail

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save