channel 24

সর্বশেষ

  • ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে সারা দেশে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা...

  • জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত...

  • নামাজ শেষে পশু কোরবানি করছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা

  • শোকের মাঝেও মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে কাজ করছি...

  • গণভবনে সর্বসাধারণের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে প্রধানমন্ত্রী...

  • বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

  • নির্বাচনে না এসে বিএনপি এবারও সহিংসতার চেষ্টা করলে...

  • জনগণকে নিয়ে প্রতিহত করা হবে: নোয়াখালীতে সেতুমন্ত্রী

  • ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় তারেক রহমানকে জড়িয়ে...

  • প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য মামলার রায়কে প্রভাবিত করবে: ফখরুল

  • বগুড়ার শাজাহানপুরে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৩

রাজধানীর বেবি কেয়ার হাসপাতালে নানা অনিয়ম 

রাজধানীর বেবি কেয়ার হাসপাতালে নানা অনিয়ম 

নবজাতক বদলের অভিযোগে আলোচিত রাজধানীর শ্যামলীর বেবি কেয়ার হাসপাতালের বিরুদ্ধে তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক অনিয়মের চিত্র। 

শুধু শিশু সেবার কথা বলে অনুমোদন নেয়া হলেও হাসপাতালটিতে চলে বয়স্কদেরও চিকিৎসা। এনআইসিইউ এবং পিআইসিইউতে নেই প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা। দুজন মাত্র নার্স থাকলেও তাদের নেই প্রাতিষ্ঠানিক সনদ। এছাড়া, মৃত ও বদলিকৃত শিশুর কোনো সন্তোষজনক কাগজপত্র দেখাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। রাজধানীর বেবী কেয়ার হাসপাতাল। গেলো ২৫ তারিখ যেখানে জীবিত শিশুর সাথে বদল হয়ে যায় মৃত শিশু। অতঃপর জীবিত বাচ্চাটি ঘিরে দু পক্ষের অভিভাকত্ব দাবি, সেই সাথে দৃশ্যপটে এক রাশ অনিশ্চয়তা আর শঙ্কা। চ্যানেল টোয়েন্টিফোরে এ নিয়ে সংবাদ প্রচারের পর সমালোচনার ঝড় ওঠে সব মহলে। নড়েচড়ে বসে প্রশাসন, গঠিত হয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৪ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি। 

পরপর দুদিন অনুসন্ধান করে হাসপাতালটি সম্পর্কে কমিটি যে রিপোর্ট পায়, তা চোখ কপালে ওঠার মতো। শুধুমাত্র শিশু সেবার কথা বলে হাসপাতালের অনুমোদন নেয়া হলেও, এখানে করা হয় সব ধরনের রোগের চিকিৎসা। ১০টি বেডের অনুমতি থাকলেও, স্থাপন করা হয়েছে ২৭ টি। ১৩ টি এনআইসিইউ বেড এবং ৫ টি পিআইসিইউ বেড থাকলেও কোনোটিতেই নেই প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা। সেইসাথে সাধারণ ওয়ার্ডে নারী ও পুরুষ রোগীদের আলাদা করা হয়েছে কেবল একটি পর্দার মাধ্যমে। এবার চোখ বুলানো যাক, এখানকার বিশেষজ্ঞ তালিকায়। রোগীর সংখ্যায় প্রতি শিফটে কমপক্ষে ৩ জন ডাক্তার থাকার কথা। কিন্তু পাওয়া যায় মাত্র ১ জন। দুজন মাত্র নার্স, যাদের নেই কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সনদ। এছাড়া এনআইসিইউতে নেই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসক।

অসঙ্গতি রয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্তেও। তদন্ত কমিটিকে মৃত ও বদলিকৃত শিশুর কোনো সন্তোষজনক কাগজপত্র দেখাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। নেই, রোগীর বিবরণসম্বলিত সমৃদ্ধ রেকর্ড ফাইল। দেখা মেলেনি কোনো সিসি ক্যামেরা। আরও আশ্চর্যের বিষয়, এক লাইসেন্সে ব্যবসা করছে দুটি আলাদা গ্রুপ। চিকিৎসকরা বলছেন, শিশুটির অবস্থা কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে লাইফ সাপোর্টে থাকায় এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। সেইসাথে শিশুটির হার্টে জন্মগত ত্রুটির আশঙ্কাও করছেন তারা। তবে পুলিশ বলছে, এই মুহূর্তে শিশুটিকে সুস্থ করে তোলাই মূল চ্যালেঞ্জ। ডিএনএ টেস্টের পর শিশুটিকে তার প্রকৃত স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

 

    

 

 

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর