channel 24

সর্বশেষ

  • মৌলভীবাজারে চুরির অপবাদে দুই শিশুকে নির্যাতন

  • হাটহাজারীতে করোনা আক্রান্তদের পাশে তরুনরা

  • সুনামগঞ্জে নদীর পানি বাড়ায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

  • সাহেদের প্রধান সহযোগী তারেক শিবলী ৫ দিনের রিমান্ডে

  • ঝিনাইদহে ঐতিহ্যবাহী তেঁতুল গাছ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

  • 'সাহেদের অপকর্ম সম্পর্কে জানতে সময় লাগলেও ছাড় নয়'

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ইএক্সপি যাচ্ছে অনলাইনে; চট্টগ্রাম কাস্টমসে শুল্কায়ন শুরু

  • ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ছুটছে ম্যান ইউ'র জয়রথ

  • করোনার ভুয়া সনদকাণ্ডে ইতালিতে বিপাকে বাংলাদেশিরা

  • দেশে করোনায় আরও ৩৭ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৯৪৯

  • করোনায় ফরিদপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের মৃত্যু

  • এলাকাভিত্তিক বিক্ষিপ্ত লকডাউন অযৌক্তিক ও অকার্যকর: স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ

  • কাজ না থাকায় বিপাকে সুনামগঞ্জের ৩ শতাধিক ভিডিওগ্রাফার

  • 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ভারতের গ্যাংস্টার বিকাশ দুবে

  • করোনার চেয়ে বেশি মানুষ মারা যেতে পারে অনাহারে: অক্সফামের সতর্কতা

বিদ্যুৎ খাতের অব্যবস্থাপনা

বিদ্যুৎ খাতের অব্যবস্থাপনা

আগামী ১০ বছর কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ৬২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে সরকার। এরই মধ্যে অর্ধেকের বেশি নিশ্চয়তাও পাওয়া গেছে। সম্প্রতি পর্যালোচনা করা মহাপরিকল্পনায় উঠে এসেছে এসব তথ্য। তবে একই গতিতে বিনিয়োগের কোনো লক্ষণ নেই বিতরণ কিংবা সঞ্চালন ব্যবস্থার উন্নয়নে। তাই শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত বিদ্যুতের বোঝা কিভাবে সামলাবে সরকার- সেটাই বড় প্রশ্ন।

দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর মাস খানেক আগে পুরোদমে উৎপাদনে আসে সিদ্ধিরগঞ্জের এই বিদ্যুৎকেন্দ্র। যার ক্ষমতা সাড়ে তিনশ মেগাওয়াট। গ্যাসভিত্তিক এই কেন্দ্রের বিদ্যুৎ এমন সময় যুক্ত হলো গ্রিডে, যখন থেকে কমতে শুরু করেছে চাহিদা।

আরও: বিদ্যুৎ উৎপাদনে কেবল ক্যাপাসিটি চার্জ খরচ ৯ হাজার কোটি টাকা

প্রতিদিন গড়ে অলস বসে থাকছে ৪০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র; আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে খরচ

দেশে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ৫ হাজার মেগাওয়াট; নেই প্রকৃত চাহিদার সুনির্দিষ্ট জরিপ

অন্যদিকে, ডিসেম্বর পায়রার উৎপাদন শুরু হলে গড়পরতা হিসাব দাঁড়াবে মোট ক্ষমতা শীতকালীন চাহিদার চার ভাগের একভাগ।

প্রয়োজনের কয়েকগুণ ক্ষমতা থাকার পরও এখনো সরকারের মনোযোগ উৎপাদনের দিকেই। ফলে আগামী বছর অর্থাৎ ২০২০ সালেও সর্বোচ্চ চাহিদা মেটানোর পর আরো অর্ধেক পরিমাণ বিদ্যুৎ পড়ে থাকবে উৎপাদনহীন। যাকে রিজার্ভ মার্জিন বলছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

এই হিসেব উঠে এসেছে চলতি বছরের মাঝামাঝিতে সংশোধন করা বিদ্যুৎ খাতের মহাপরিকল্পনায়। যদিও সরকার আশা করছে, অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো পুরোদমে সক্রিয় হলে বাড়বে বিদ্যুতের ব্যবহার।

২০১৯ থেকে ২০৩০-এর মধ্যে উৎপাদন ক্ষমতা দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা সরকারের। যেজন্য বিনিয়োগ দরকার হচ্ছে ৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি নিশ্চয়তাও পাওয়া গেছে বিভিন্ন উৎস থেকে। তবে বিদ্যুৎ আমদানি বাড়াতে সরকারের নিত্যনতুন পরিকল্পনা থাকলেও সেক্ষেত্রে কিছুটা সংযত থাকার পরিকল্পনা থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে মহাপরিকল্পনায়।

বর্তমানে ৫৬ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে গ্যাস থেকে। আর কয়লা থেকে মাত্র ৩ শতাংশ এলেও ২০৩০ সাল নাগাদ সেটি নেয়ার পরিকল্পনা ৩২ শতাংশে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর