channel 24

সর্বশেষ

  • হাটহাজারীতে করোনা আক্রান্তদের পাশে তরুনরা

  • সুনামগঞ্জে নদীর পানি বাড়ায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

  • সাহেদের প্রধান সহযোগী তারেক শিবলী ৫ দিনের রিমান্ডে

  • ঝিনাইদহে ঐতিহ্যবাহী তেঁতুল গাছ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

  • 'সাহেদের অপকর্ম সম্পর্কে জানতে সময় লাগলেও ছাড় নয়'

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ইএক্সপি যাচ্ছে অনলাইনে; চট্টগ্রাম কাস্টমসে শুল্কায়ন শুরু

  • ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ছুটছে ম্যান ইউ'র জয়রথ

  • করোনার ভুয়া সনদকাণ্ডে ইতালিতে বিপাকে বাংলাদেশিরা

  • দেশে করোনায় আরও ৩৭ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৯৪৯

  • করোনায় ফরিদপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের মৃত্যু

  • এলাকাভিত্তিক বিক্ষিপ্ত লকডাউন অযৌক্তিক ও অকার্যকর: স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ

  • কাজ না থাকায় বিপাকে সুনামগঞ্জের ৩ শতাধিক ভিডিওগ্রাফার

  • 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ভারতের গ্যাংস্টার বিকাশ দুবে

  • করোনার চেয়ে বেশি মানুষ মারা যেতে পারে অনাহারে: অক্সফামের সতর্কতা

  • রংপুরে ৯৩ হাজার হতদরিদ্র পরিবার পায়নি প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার

লোভ আর চাপে ক্যাম্পাসে রাজনীতিতে জড়াচ্ছে মেধাবীরা

লোভ আর চাপে ক্যাম্পাসে রাজনীতিতে জড়াচ্ছে মেধাবীরা

সামনে অপেক্ষা করে উজ্জ্বল ভবিষ্যত। কিন্তু তারপরও কেন অপরাজনীতিতে জড়ানো? বুয়েটের শিক্ষক ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলেছেন, এর মূলে রয়েছে ক্ষমতা, ক্যাম্পাসে বাড়তি সুবিধার লোভ আর নেতাদের চাপ। তাছাড়াও শুধুই সিলেবাসে আবদ্ধ থাকাও একটি বড় কারণ। এসব কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ। কমছে সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণও।

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ তারই সহপাঠিদের হাতে নৃশংসভাবে নিহত হবার পর সবার মনে একটাই প্রশ্ন। বুয়েটের মেধাবী শিক্ষার্থীদের সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যত থাকা সত্ত্বেও কিসের প্রয়োজনে ধংসাত্মক কাজে জড়িয়ে পড়ছে তারা? কে, কারা, কোন প্রক্রিয়ায় এই পথে আনছে তাদের? এই প্রশ্ন ছিলো ছাত্র-শিক্ষকদের কাছে।

এক শিক্ষার্থী বলেন, 'বড় ভাইয়েরা কল দিয়ে বলে সবাই নিচে নাম। এখন মিছিল আছে। মিছিলে সবাইকে যেতে হবে। যদি না যাচ তাহলে সমস্যা আছে। ঢাকা শহরে আর কোথাও থাকার জায়গা নাই দেখেই আমরা হলে থাকি। একারণে তখন বড় ভাইদের কথা শোনা ছাড়া কিছু করার থাকে না।'

আরেক শিক্ষার্থী বলনে, 'এটা আসলে অনেক ধরেই চলে আসতেছে। যারা এতকম পলিটিক্স করে দেখা যায় একটা রুম নিয়ে একজনই থাকে। পাস করার পরও যতদিন ইচ্ছে ততোদিন থাকে। হল কর্তৃপক্ষ বা প্রশাসন কোন ব্যবস্থাই নেয়না।'

অপর এক শিক্ষার্থী বলনে, 'প্রথমে জিজ্ঞাসা করে কে কে যেতে চাও? যারা যাওয়ার যায়। কারণ তারা দেখে বড় ভাইয়েরা নানা সুবিধা নিতেছে এবং হলে আধিপত্য দেখাইয়া চলতেছে। ক্যাফেতে ফ্রিতে খাইতেছে। এরকম অনেক পলিটিক্যাল পাওয়ার দেখাইতেছে।'

বুয়েটের এআরআই অধ্যাপক ড. মাহবুব আলম বলেন, 'যেহেতু এখানে পলিটিক্যাল কালচার বাংলাদেশে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালওয়ে আছে তাহলে এখানেও (বুয়েট) করবে। পলিটিক্স করতে গেলে সে মনে করে যে আমার অনেক ক্ষমতা। যারা টেকনিক্যাল পড়ালেখা করে তাদের মানবিক দিকগুলোতে ঘাটতি থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে গেলে কিন্তু মানবিক বিজ্ঞানে বেশি জোর দেয়া হয়না। সোসাইটির সাথে সম্পৃক্ততা বেশি জোর দেয়া হয়না। যে কারণে ছাত্রদের মাঝে মানবিক মুল্যবোধটা তেমন ডেভেলপ হয়না। আমি মনে করি এখন থেকে প্রতিটি হলে সাইকোলজিস্ট নিয়োগ দেয়া উচিত।'

সুতরাং ছাত্র শিক্ষকদের কথায় বুয়েটের মেধাবী শিক্ষার্থীদের নেতিবাচক রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ার কয়েকটি কারণ পাওয়া গেলো। ক্ষমতার রাজনীতির মোহ, লেজুরবৃত্তিক রাজনীতির চাপ, একাডেমিক লেখপড়ার বাইরে এক্সট্রা কারিক্যুলাম একটিভিটিজ ও কাউন্সিলিংয়ের ভীষণ অভাব।

তাই তারা বলেছেন, পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হলে এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর