channel 24

সর্বশেষ

  • পাবনায় একই পরিবারের ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

  • বিশ্বের শীর্ষ চতুর্থ উপার্জনকারী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো

  • কোভিড-নাইনটিন মোকাবিলায় চিকিৎসা সামগ্রি কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ

  • করোনায় ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য আজিজুর রহমানের মৃত্যু

  • গোপালগঞ্জে পুলিশি নির্যাতনে কৃষকের মৃত্যুর অভিযোগ

  • করোনার উপসর্গ নিয়ে প্রাণ গেলো ১০ জনের

  • অর্থের অভাবে চিকিৎসা বঞ্চিত দেশের দীর্ঘদেহী মানব সুবেল হোসেন

  • 'উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহন করতে হবে প্রকৃতি ও প্রতিবেশকে রক্ষা করেই'

  • ডিএমপি কমিশনারকে ঘুষের প্রস্তাব যুগ্ম কমিশনারের; প্রত্যাখান করে আইজিপিকে চিঠি

  • ডা. জাফরুল্লাহর কিছুটা শারীরিক অবনতি ঘটেছে

  • সুনামগঞ্জে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু

  • খাগড়াছড়িতে অবৈধ ইটভাটা ও শতাধিক তামাক চুল্লিসহ পরিবেশ বিপর্যয়কর কর্মকাণ্ড চলছে

  • সড়কে ছবি একে করোনায় সচেতনতা বৃদ্ধি করেছ 'চেতনায় চাটমোহর'

  • বাজারে সরবরাহ কম কাঁচাপণ্যের; দাম নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

  • ঈদ যাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১'শ ৬৮ জন: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

দেশে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ৫ হাজার মেগাওয়াট; নেই প্রকৃত চাহিদার সুনির্দিষ্ট জরিপ

দেশে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ৫ হাজার মেগাওয়াট; নেই প্রকৃত চাহিদার সুনির্দিষ্ট জরিপ

দেশে বিদ্যুতের চাহিদা আসলে কত? সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট গবেষণা কিংবা জরিপ নেই বিদ্যুৎ বিভাগের। ফলে প্রতিনিয়ত গ্রিডে উৎপাদন ক্ষমতা যুক্ত হলেও তা পড়ে থাকছে অব্যবহৃত। সরকারের হিসেবেই এখন উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ আছে প্রায় পাঁচ হাজার মেগাওয়াট। যা কিনতে আগ্রহ নেই বড় ভোক্তাদের।

আমদানি করা কয়লায় ভর করে প্রথমবারের মতো উৎপাদনে আসার পথে সবচেয়ে বড় পটুয়াখালীর পায়রা কেন্দ্রটি। এই কেন্দ্র থেকে যার মাধ্যমে যুক্ত হবে আরো ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। যা মোট ক্ষমতাকে নিয়ে যাবে বিশ হাজারের ঘরে। কিন্তু এই পরিমাণ বিদ্যুতের চাহিদা কি আছে দেশে?

পিডিবির হিসাবে, এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ উৎপাদন ছিল গেলো ২৯ আগস্ট। যা ছিলো ১২ হাজার ৮৯৩ মেগাওয়াট। অথচ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল আরো ছয় হাজার মেগাওয়াটের বেশি। সে হিসেবে অলস পড়ে ছিল তিন ভাগের এক ভাগ। যদিও লোডশেডিং ছিল শূন্য। তার মানে চাহিদার চেয়েও বেশ খানিকটা এগিয়ে এই ব্যবস্থা। তাহলে নতুন বিদ্যুত বিক্রি হবে কোথায়? কার কাছে?

বিদ্যুত ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বিনিয়োগ না হলে কিন্তু আমাদের এনার্জি বিক্রি হবে না। আমাকে নিয়ে বসে থাকতে হবে। আমাদের প্ল্যান রিভিউ করতে হবে। আমরা এখনো আশাবাদী অনেকগুলো পরিকল্পনা আছে।

বিদ্যুত ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. শামসুল আলম বলেন, অতীতের পলিসিস হচ্ছে এই ঘাটতি কমানোর জন্য উৎপাদন ক্ষমতা কম ব্যবহার করা হয়েছে। এখনও সেটাই করা হচ্ছে। চাহিদা বৃদ্ধি হোক আর সে বৃদ্ধি মোকাবেলা করার জন্য আমাদের বিদ্যুত উৎপাদন অব্যাহত থাকবে এ কথা স্ববিরোধী।

বিদ্যুৎ খাতের মহাপরিকল্পনার প্রাক্কলন অনুযায়ী এ বছর সর্বোচ্চ চাহিদা হওয়ার কথা সাড়ে ১৫ হাজার মেগাওয়াট। আগামী বছর যা হবে আরো দুই হাজার বেশি। কিন্তু প্রকৃত অবস্থা পিছিয়ে বেশ খানিকটা। অন্যদিকে সরকারের হিসেবেই বর্তমানে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ আছে চার হাজার মেগাওয়াট। যা গুণগত মানের অজুহাতে কিনতে আগ্রহী হচ্ছেন না বড় ভোক্তা বিশেষ করে ব্যবসায়ীরা। তাই উৎপাদন পরিকল্পনায় থাকা বড় কেন্দ্রগুলো গ্রিডে যুক্ত হলে আবারো কি বাড়বে অলস কেন্দ্রের সংখ্যা?

সিএসআরএম'র এমডি মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, জেনারেশন হচ্ছে ঠিকই কিন্তু আমাদের সাবস্টেশনের সে ক্ষমতা সেটা এখনো আমরা বৃদ্ধি করতে পারিনাই। সুতরাং এই সমস্যাগুলো সমাধান না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যুতের যে সারপ্লাস উৎপাদন হচ্ছে এটা আমরা ভোগ করতে পারছিনা।

এখনো সরকারের মূল পরিকল্পনা উৎপাদন ঘিরেই। যদিও এরই মধ্যে গ্রাহক আস্থা বাড়াতে উন্নত করা হচ্ছে সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর