channel 24

সর্বশেষ

  • ক্রিকেটারদের আন্দোলন অপ্রত্যাশিত: নাজমুল হাসান...

  • ক্রিকেটাররা যখন যা চেয়েছে, সবকিছুই দিয়েছে বিসিবি...

  • ক্রিকেটারদের চাহিদামতোই ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ চলবে...

  • এমন সিদ্ধান্ত আগেই নেয়া হয়েছে...

  • চুক্তিভিত্তিক ক্রিকেটারের সংখ্যা বাংলাদেশেই সর্বোচ্চ

  • মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে আজ থেকে টেলিফোনের নতুন ও...

  • পুনঃসংযোগ ফি সম্পূর্ণ মওকুফ: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

  • সীমানা পেরিয়ে বরগুনায় ভারতীয় জেলেদের ইলিশ শিকার; আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়ানোর দাবি স্থানীয়দের।

  • সড়ক দুর্ঘটনা ঠেকাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পুলিশের উদ্যোগ; বেপরোয়া গতি ও মাদকাসক্ত চালক ধরা পড়বে সহজেই।

  • শরীয়তপুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক সড়ক যেন মরণফাঁদ; চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

  • ফের আলোচনায় ডাকসু জিএস রাব্বানী; এমফিলে ভর্তির বিষয়টি জানতো না সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ

ভাঙা রাস্তা, ইয়ার্ডের অভাব, শ্রমিক সংকটসহ নানা সমস্যায় ভোমরা স্থলবন্দর

ভাঙা রাস্তা, ইয়ার্ডের অভাব, শ্রমিক সংকটসহ নানা সমস্যায় ভোমরা স্থলবন্দর

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর চালু হওয়ার ৬ বছর পেরিয়েছে। কিন্তু অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হওয়ায়, এই বন্দর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ভাঙা রাস্তা, ইয়ার্ডের অভাব, শ্রমিক সংকটসহ নানা কারণে আমদানি-রপ্তানিকারকদের কাছে গুরুত্ব হারাচ্ছে এই বন্দর। কর্তৃপক্ষ বলছে, বন্দরের উন্নয়নে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ভোমরা শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়, ২০০২ সালে। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়, তারও ১১ বছর পর। তবে প্রয়োজনের তুলনায় অবকাঠোমোর উন্নয়ন প্রায় শূন্যের কোঠায়।

রাস্তাঘাটের ভাঙাচোরা অবস্থা দেখলে বোঝার জো নেই এটি একটি আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর। প্রতিদিন প্রায় শপাঁচেক ট্রাকের চাহিদা থাকলেও, জায়গার অভাবে আসতে পারে না সব ট্রাক।

আরও পড়তে: ভারতগামী যাত্রীদের কাছে দিন-দিন বাড়ছে দর্শনা বন্দরের গুরুত্ব

বেনাপোল চেকপোস্ট: তল্লাশির নামে হয়রানি, বিরক্ত যাত্রীরা

পর্যাপ্ত ইয়ার্ডের অভাবে অনুমোদিত সব পণ্যের আমদানিও সম্ভব হয় না ভোমরা দিয়ে। যদিও এই বন্দরে রাজস্ব আয় বাড়ার সুযোগ আছে কয়েকগুন।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, রাস্তার অবস্থা ভালো না, একটু বৃষ্টি হলেই পানিতে রাস্তা ভরাট হয়ে যায়। তাছাড়া রাস্তা এত সরু যে ভারতের মালবাহী একটি ট্রাক গুদামে ঢুকে তবে বাংলাদেশি ট্রাক বের হবার আর জায়গা থাকে না।

সি এন্ড এফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম বলেন, কাগজে কলমে ৭৫টি পন্যের অনুমোদন থাকলেও অবকাঠামো, কাস্টম ও গুদাম ঘরের কিছু জটিলতার কারণে আমরা মাত্র ৩৫টি পণ্য আমদানি করতে পারি।

বন্দর উপপরিচালক মো. রেজাউল করিম বলছে, বন্দর উন্নয়নের জন্য এরই মধ্যে প্রকল্প নেয়া হয়েছে, যাতে মিলবে সমাধান।

তিনি বলেন, প্রায় ১০একর জমি অধিগ্রহন প্রায় শেষ পর্যায়। এই প্রকল্পে ট্রাক টার্মিনাল ও যাত্রী ছাউনি নির্মিত হবার কথা রয়েছে।

কলকাতা থেকে ভোমরার দূরত্ব এবং পরিবহন খরচ কম হওয়ায়, এই বন্দরের প্রতি আগ্রহ আছে ব্যবসায়ীদের।

রাজস্য আয়ের বিবেচনায় ভোমরা স্থলবন্দর দেশের ২য় বৃহত্তম। আর পদ্মা সেতু চালু হলে এই বন্দর হয়ে উঠতে পারে দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় বন্দর। কিন্তু এই অবকাঠামোগত উন্নয়নগুলো দ্রুতই বাস্তবায়ন না হলে সেই সুফল মিলবে না কোনভাবেই।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর