channel 24

সর্বশেষ

  • জাতীয় বীমা দিবস উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী: শেখ কবির

  • মুজিব বর্ষে বাংলাদেশ গেমসের মশাল প্রজ্জ্বলন গোপালগঞ্জে

  • প্রথমবার ওয়ানডে দলে জায়গা পেয়ে রোমাঞ্চিত আফিফ-নাঈম

  • সহিংসতা কমলেও দিল্লিতে আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছাড়ছেন মুসলমানরা

  • শনিবার দেশব্যাপী জেলা ও মহানগরে বিএনপির বিক্ষোভ

  • ফতুল্লায় আটটি অবৈধ ভবন ভেঙে দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত

  • রাবিতে বিভাগের নাম ফলিত পরিসংখ্যান করার দাবিতে শিক্ষার্থীদের অনশন

  • দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চলমান আছে: আইজিপি

  • গাজীপুরে আনসার-ভিডিপি একাডেমিতে মৌলিক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

  • যশোর-৬ ও বগুড়া-১ আসন উপনির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা

  • করোনা আতঙ্কে ওমরাহ পালনে সৌদির নিষেধাজ্ঞা, টিকিট করে বিপাকে অনেকে

  • ৭ মার্চ আর্মি স্টেডিয়ামে জয় বাংলা কনসার্ট

  • উৎসবমুখর পরিবেশে চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে মনোনয়ন জমা

  • চলচ্চিত্রের প্রেমে পড়েছেন শার্লিন জামান

  • লিঁওর মাঠে অঘটনের শিকার জুভেন্টাস

জুয়া নিষিদ্ধ, তবে শুল্ক দিয়ে আমদানি করা যায় এর সরঞ্জাম

জুয়া নিষিদ্ধ, তবে শুল্ক দিয়ে আমদানি করা যায় এর সরঞ্জাম

জুয়া নিষিদ্ধ, তবে শুল্ক দিয়ে আমদানি করা যায় এর সরঞ্জাম। আমদানি হওয়া এমন ৫ ধরনের পণ্যের চালানের খোঁজও পেয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ। জানায়, বিভিন্ন সময়ে জুয়ার সরঞ্জাম এনেছে ২১টি প্রতিষ্ঠান। যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে, এনবিআর ও কাস্টমস ইনটেলিজেন্স। এরই মধ্যে বেশ কয়েকজনকে তলবও করেছেন তারা।

দেশজুড়ে এখন আলোচনায় ক্যাসিনো। ধরা পড়ার পর জানা যাচ্ছে, ভেতরে ভেতরে কীভাবে, কত বিপুল পরিমাণ ক্যাসিনো সরঞ্জাম আমদানি হয়েছে দেশে।

আমদানি নীতি আদেশে ক্যাসিনো পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ কিনা-এ বিষয়ে নেই স্পষ্ট নির্দেশনা। আর সেই সুযোগেই দেশে ঢুকেছে এসব সরঞ্জাম। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের তথ্য মতে, সরঞ্জামের বেশিরভাগই এসেছে চীন থেকে।

গত ৯ বছরে খেলনাসহ বিভন্ন ধরনের পণ্যের আড়ালে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি হয়েছে ক্যাসিনোর সরঞ্জাম। আর এসব এসেছে ২১টি প্রতিষ্ঠানের নামে।  

এরমধ্যে দক্ষিণে খানের এসএম ইসলাম অ্যান্ড সন্স, তেজগাঁয়ের নিনাদ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, কমলাপুরের পুষ্পিতা এন্টারপ্রাইজ ও মোহাম্মদপুরের এবি ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের নাম রয়েছে।

শুল্ক গোয়েন্দারা বলছেন, এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের এরইমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে। এসবের সঙ্গে অন্য আরও কিছু এসেছে কিনা, জানতে চাওয়া হবে সেগুলো।

তবে কাস্টমস ইনটিলেজেন্সের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ নেয়াজুর রহমান জানান, আমদানিতে যে এইচএস কোড ব্যবহার করা হয়েছে-তাতে মূলত ভিডিও গেমস, বিলিয়ার্ড টেবিল, বোলিং যন্ত্রপাতি আমদানি হয়। তাই ভবিষ্যতে এ ধরনের সরঞ্জাম আমদানি বিষয়ে, সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের কথা ভাবছে সরকার।

এই কর্মকর্তা জানান, নতুন নীতিমালা না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান নীতিমালাই অনুসরণ করবে এনবিআর।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর