channel 24

সর্বশেষ

  • দিল্লিতে সহিংসতার প্রতিবাদ জানিয়েছে ছাত্র অধিকার পরিষদ

  • অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সময় র‍্যাবের হাতে লাঞ্ছিত ম্যাজিস্ট্রেট

  • ব্যাংক খালি হয়ে গেছে: হাইকোর্ট

  • ডাকঘর সঞ্চয়ে সুদহার আগের মতোই থাকছে: অর্থমন্ত্রী

  • দুদককে নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন সত্য নয়: দুদক সচিব

  • একে একে বেরিয়ে আসছে পাপিয়ার নানা পাপ

  • উন্নত চিকিৎসায় সম্মত হননি খালেদা জিয়া

  • দিল্লিতে গুজরাটের ছায়া; শিশু ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাসহ প্রাণ গেছে ২৩ জনের

  • কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে গ্রাহকরা সব টাকা পাবেন

  • ঢাকা মেডিকেলে পরজীবী শিশু আলাদা করে সফল অস্ত্রোপচার

  • ভর্তি পরীক্ষা হবে ৪টি গুচ্ছ পদ্ধতিতে, থাকছে না ঢাকাসহ ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়

  • কোনো নারী বিয়ে পড়াতে পারবেন না: হাইকোর্ট

  • কাপ্তাই হ্রদের পানি কমছে ধীরগতিতে, ফসল নিয়ে দু:চিন্তায় চাষীরা

  • দেশের পুঁজিবাজারে বড় পতন

  • অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষায় নামছে বাংলাদেশ নারী দল

ক্যাসিনো ব্যবসার গডফাদার সম্রাট, সহযোগী কিছু পুলিশ কর্মকর্তা

ক্যাসিনো ব্যবসার গডফাদার সম্রাট, সহযোগী কিছু পুলিশ কর্মকর্তা

১৫ থেকে ২০ জনের নিয়ন্ত্রণে রাজধানীর ক্যাসিনো ব্যবসা। আর এসবের গডফাদার যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন সম্রাট। সহযোগীর তালিকায় আছেন কিছু পুলিশ কর্মকর্তাও। প্রতিদিন চাঁদা যেতো স্থানীয় থানাগুলোতে। গোয়েন্দা পুলিশের রিমান্ডে এসব তথ্য দিয়েছেন যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া।

সবার অলক্ষ্যে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অনেকদিন ধরেই চলছিলো ক্যাসিনো ব্যবস্যা। গেল বুধবার এরই কয়েকটিতে অভিযান চলায় র‍্যাব। জব্দ করে অত্যাধুনিক স্লট মেশিন, রোলেটসহ ক্যাসিনো খেলার নানা সরঞ্জাম, টাকা ও মাদক। সবমিলিয়ে আটক হন ২শ' জনের বেশি।

একই সঙ্গে গুলশান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে। শুক্রবার গ্রেপ্তার হন আরেক যুবলীগ নেতা জি কে শামীম। দুজনই এখন রিমান্ডে গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, রিমান্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। জানিয়েছেন, গডফাদার যুবলীগ নেতা সম্রাটের সাথে রয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা কাউসার মোল্লা ও সাঈদ। জি কে শামীমও ক্যাসিনো সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত। অনেক পুলিশ সদস্যের নামও বলেছেন খালেদ। 

পুলিশ জানায়, জি কে শামীমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

অভিযোগ বিষয়ে কথা বলতে সম্রাটের খোঁজে তার কাকরাইলের কার্যালয়ের গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

র‍্যাব বলছে, অভিযান অব্যহত থাকবে। যাদের নাম নতুন করে আসছে, প্রমাণ মিললে তাদেরও ধরা হবে।

র‍্যাব জানায়, কেউ ধরাছোঁয়ার বাইরে যাবে না। কোন ভাবেই সম্ভব না। আমরা তথ্য গ্রহণ করছি। যারা ওইসব ব্যবসা থেকে লাভ গ্রহণ করেছে, অবশ্যই সবাই আমাদের আইনের আওতায় চলে আসবে।

রাজধানীর এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমান্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বাংলাদেশে ক্যাসিনো অবৈধ। এ বেআইনি ব্যবসা কাউকে করতে দেয়া হবে না। আর কৃষিমন্ত্রী বলেছেন, অপরাধী যেই হোক তার ছাড় নেই। কেউ এই ব্যবসা করবেন না। সে যেই হোক, রাজনৈতিক নেতা হোক, সমাজের কোন প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি হোক।

কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, অপরাধী যেই হোক তার ছাড় নেই।

নিউজটির ভিডিও প্রতিবেদন ভিডিওতে-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর