channel 24

সর্বশেষ

  • অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে সাবিলা নুর

  • বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহি রাজমনী সিনেমা হল

  • মেট্রোরেলের দুটি রুট নির্মাণে প্রায় ৯৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ

  • বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বার্ষিক সভা শুরু

  • আবরার হত্যার আসামি নাজমুস সাদাত দিনাজপুরে গ্রেপ্তার

  • জীবনযুদ্ধে এক সফল নারী লালমনিরহাটের আসমা হোসেন

  • আরও ৩০টি মানহীন পণ্য পেয়েছে বিএসটিআই

  • গুটিকয়েক ছাত্র নেতার ভুলের দায় সরকার নেবে না: কাদের

  • পুনরায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোচ হলেন ফিল সিমন্স

  • মুখোমুখি অবস্থানে তুর্কি ও আসাদ বাহিনী

  • আইসিসির সদস্যপদ ফিরে পেয়েছে জিম্বাবুয়ে ও নেপাল

  • বিশ্বকাপ বাছাইয়ে আজ ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ

  • ঘূর্ণিঝড় হাগিবিসের আঘাতে জাপানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৮

  • বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির সঙ্গে সাবেক চেয়ারম্যানের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পায়নি দুদক

  • বাংলাদেশে এখন ভিন্নমত জানালে খুন হতে হয়: মওদুদ

কারা চালাচ্ছেন ঢাকার ক্যাসিনো

কারা চালাচ্ছেন ঢাকার ক্যাসিনো

অগণিত টাকার হাতছানি। কেউ যেতে, কেউ হারে। এমনই এক জগতের নাম ক্যাসিনো বা জুয়া বোর্ড। রাজধানীর নামকরা ক্লাবগুলোতে অভিযানের পর এখন আলোচনার বিষয় এই ক্যাসিনো। প্রশ্ন জাগে, কারা তৈরি করলেন এই অবৈধ চক্র? এতদিন কীভাবে প্রশাসনের চোখের আড়ালে চলেছে এই টাকার খেলা?

ক্যাসিনো আলোর ঝলকানিময় এক অন্ধকার জগত। মূলত হলিউড সিনেমাই এ উপমহাদেশের মানুষকে পরিচিত করেছে অসংখ্য টাকার হাতছানি দেয়া এ দৃশ্যের সাথে। এই ক্যাসিনো নিয়ে দর্শকনন্দিত জেমস বন্ডের সিরিজের একটি আস্ত সিনেমাই আছে, যার নাম ক্যাসিনো রয়েল।

বুধবার র‍্যাবের অভিযানে রাজধানীতেই দেখা মিললো সিনেমায় দেখে আসা ক্যাসিনোর। বছরের পর বছর ধরে সবাই জানলেও, ভাশুরের না  মুখে না আনার মতো ছিলো বিষয়গুলো। একে একে অভিযান চললো তিনটি স্বনামধন্য ক্লাবে। যারা সবাই দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের ক্রীড়াজগতের পরিচিত মুখ।

কেন এতদিনে নজর পড়েনি এই অন্ধকার দিকে? যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী বুধবারের বক্তব্যে প্রশ্নের তীর ছিলো প্রশাসনের দিকে।

আইন নিয়ে কাজ করা এই শিক্ষকেরও একই মত। সব কিছুর জন্য সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকেই কেন নির্দেশ আসতে হবে।

গণমাধ্যমগুলোতে নিয়মিত বিরতিতেই ছাপা হয়েছে রাজধানীর অবৈধ ক্যাসিনোর খবর। কিন্তু মাথাব্যথা ছিলো না কারোই। এমনকি আদালতে রিটের পর রিট করা হয়েছে শুধু এই জুয়া খেলা চালানোর জন্য। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দ্বিনেশ শর্মা নামের এ নেপালি নাগরিকর মাধ্যমেই ঢাকায় শাখা মেলে ক্যাসিনো। যাকে পৃষ্ঠপোষকতা দেন যুবলীগ নেতা সম্রাট ও খালেদ। ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মোল্লা আবু কাওসারেরও বিরুদ্ধেও ক্লাবগুলোতে জুয়া চালানোর অভিযোগ রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রভাবশালী নেতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সিন্ডিকেটই দায়ী এর বিস্তারে।

ডিএপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ঢাকায় অবৈধ জুয়ার ব্যবসায় জড়িত কেউই ছাড় পাবে না।

বুধবার ৩টি ক্লাবে অভিযান হলেও ক্যাসিনো বা জুয়া খেলা চালানোর অভিযোগ রয়েছে ঢাকার অন্তত ৩০ থেকে ৪০টি ক্লাবের বিরুদ্ধে। এরমধ্যে আছে ঢাকা ক্লাব, উত্তরা ক্লাব, কলাবাগানসহ বেশকিছু নাম। যদিও আইনশৃংখলা বাহিনী বলছে, কোথাও আর চালু হবে না নিঃস্ব হবার করাখানা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর