channel 24

সর্বশেষ

  • ভুতুড়ে বিল বন্ধ করতে প্রযুক্তি ব্যবহারের বিকল্প নেই: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

  • কানাডার সাস্কাটুনে বসন্তের ফুল ফুটবে ২৯ ফেব্রুয়ারি

  • রোহিঙ্গা ও স্থানীয় অপরাধীদের এক হতে দেয়া যাবে না: ভূমিমন্ত্রী

  • পা দিয়ে ছবি এঁকে জাতীয় পুরস্কার জিতেছেন ফেনীর মোনায়েম

  • ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ যথাসময়ে শেষ করার নির্দেশ

  • চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন: ৮৫ হাজার নতুন ভোটারের ভোটদানে অনিশ্চয়তা

  • ব্যবসায়ী মহলে করোনার নেতিবাচক প্রভাব

  • ফরহাদ রেজার সেঞ্চুরিতে ইস্টের বিপক্ষে রান পাহাড়ে সাউথ

  • বিটিআরসিকে এক হাজার কোটি টাকা দিলো গ্রামীণফোন

  • আ.লীগের রাজনৈতিক স্বার্থে খালেদা জিয়া কারাবন্দি: ফখরুল

  • কুর্মিটোলায় ফুটপাতে প্রাইভেটকার চাপায় আহত ১৫

  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ডেমোক্রেট প্রার্থীদের দৌড়ে এগিয়ে বার্নি স্যান্ডারস

  • চাঁদপুর-শরীয়তপুর নৌরুট: ফেরিঘাটে চালকদের জিম্মি করে টাকা আদায়

  • মানিলন্ডারিং মামলায় খালেদসহ ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল

  • দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলছে স্টুডেন্ট কাউন্সিল নির্বাচন

মারাত্মক ক্ষতিকর ই-সিগারেট

মারাত্মক ক্ষতিকর ই-সিগারেট

মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ই-সিগারেট। চিকিৎসকরা বলছেন, ই-সিগারেটে উচ্চমাত্রার নিকোটিন ও ক্যামিকেলে তৈরি এসিড, মানবদেহে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে। এতে শরীরে রক্তপ্রবাহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, পুড়ে যায় শ্বাসনালী। এ অবস্থায় বুধবার ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করে ভারত। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি রাজ্যেও ই-সিগারেট নিষিদ্ধ হলেও, দাবি উঠেছে পুরো দেশে তা নিষিদ্ধের।

ই-সিগারেট। বাংলাদেশসহ অনেক দেশেই নানা ফ্লেভারের এই ভ্যাপিংয়ের ব্যবসা এখন জমজমাট।

সাধারণ সিগারেটের চেয়ে বেশি ক্ষতিকর হওয়ায় এরই মধ্যে প্রতিবেশি ভারতে ই-সিগারেটের উৎপাদন ও বিপনন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইন অমান্যে ১ লাখ থেকে ৫ লাখ রুপি জরিমান ও ১ বছরের বছরের সাজা।

ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বলেন, ভারতে প্রায় ৪শ ব্র্যান্ডের ই-সিগারেট বাজারজাত হয়। এই ভ্যাপিং নিষিদ্ধ করা মোদি সরকারের নির্বাচনি ওয়াদা ছিলো।

শুধু ভারত নয়, ই-সিগারেট নিয়ে তোলপাড় চলছে যুক্তরাষ্ট্রেও। ৭ জনের মৃত্যুর পর সানফ্রানসিসকো এবং নিউইয়র্ক রাজ্যে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এটি। কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে ক্যালিফোর্নিয়াও।

নিউইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু কওমো বলেন, টেবাকো এবং মেন্থল ফ্লেবারের ইসিগারেট নিষিদ্ব করা হয়েছে নিউইয়র্কে। ৬৮ ভাগ ব্যবহারকারীই বিভিন্ন ফ্লেভারের ই-সিগারেট ব্যবহার করেন এবং তরুণদের কাছে এটি বেশি পছন্দনীয়।

আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়েট্রিক টেবাকো কনসোর্টিয়াম বলছে, ই-সিগারেটের কারণে অজানা অনেক রোগ দেখা দিচ্ছে মার্কিনীদের।

হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের অধ্যাপক ডা: জনাথন উইনিকফ বলেন, এক রোগী আসার পর, ভাবলাম হয়ত স্বাভাবিক নিয়োমোনিয়া। কিন্তু অ্যান্টিবায়েটিক প্রয়োগেও কাজ হচ্ছিলো না। ই-সিগারেট তার শরীরের রক্তপ্রবাহ ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, পুড়ে গেছে শ্বাসনালীও। উচ্চমাত্রার নিকোটন ও কেমিকেলের মিশ্রনে সৃষ্ট এসিড মানবদেহে মারাত্মক বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে।  

ভ্যাপিং নিষিদ্ধে আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো। পুঁজি হারানোর ভয়ে দোকানিরাও।

নিউইয়র্ক স্মোক অ্যান্ড ভ্যাপ দোকানের দোকানি আসিফ লাখানি বলেন, খুবই চিন্তায় আছি। কারণ পুরো ব্যবসার ওপর আঘাত। যেসব কাস্টমার প্রতিদিন এখানে আসতেন নিউইয়র্ক রাজ্য সরকারের সিদ্বান্তে তারাও ক্ষুদ্ধ।  

বিশ্লেষকরা বলছেন, তারুণ্যের ক্রেজ হলেও, স্বাস্থ্যহানির শঙ্কায় বিশ্বব্যাপী তীব্র সমালোচনার মুখে ই-সিগারেট। তাই, এর বাজারজাত ও উৎপাদন বন্ধের দাবি অনেকেরই।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর