channel 24

সর্বশেষ

  • অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে সাবিলা নুর

  • বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহি রাজমনী সিনেমা হল

  • মেট্রোরেলের দুটি রুট নির্মাণে প্রায় ৯৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ

  • বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বার্ষিক সভা শুরু

  • আবরার হত্যার আসামি নাজমুস সাদাত দিনাজপুরে গ্রেপ্তার

  • জীবনযুদ্ধে এক সফল নারী লালমনিরহাটের আসমা হোসেন

  • আরও ৩০টি মানহীন পণ্য পেয়েছে বিএসটিআই

  • গুটিকয়েক ছাত্র নেতার ভুলের দায় সরকার নেবে না: কাদের

  • পুনরায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোচ হলেন ফিল সিমন্স

  • মুখোমুখি অবস্থানে তুর্কি ও আসাদ বাহিনী

  • আইসিসির সদস্যপদ ফিরে পেয়েছে জিম্বাবুয়ে ও নেপাল

  • বিশ্বকাপ বাছাইয়ে আজ ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ

  • ঘূর্ণিঝড় হাগিবিসের আঘাতে জাপানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৮

  • বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির সঙ্গে সাবেক চেয়ারম্যানের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পায়নি দুদক

  • বাংলাদেশে এখন ভিন্নমত জানালে খুন হতে হয়: মওদুদ

মারাত্মক ক্ষতিকর ই-সিগারেট

মারাত্মক ক্ষতিকর ই-সিগারেট

মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ই-সিগারেট। চিকিৎসকরা বলছেন, ই-সিগারেটে উচ্চমাত্রার নিকোটিন ও ক্যামিকেলে তৈরি এসিড, মানবদেহে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে। এতে শরীরে রক্তপ্রবাহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, পুড়ে যায় শ্বাসনালী। এ অবস্থায় বুধবার ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করে ভারত। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি রাজ্যেও ই-সিগারেট নিষিদ্ধ হলেও, দাবি উঠেছে পুরো দেশে তা নিষিদ্ধের।

ই-সিগারেট। বাংলাদেশসহ অনেক দেশেই নানা ফ্লেভারের এই ভ্যাপিংয়ের ব্যবসা এখন জমজমাট।

সাধারণ সিগারেটের চেয়ে বেশি ক্ষতিকর হওয়ায় এরই মধ্যে প্রতিবেশি ভারতে ই-সিগারেটের উৎপাদন ও বিপনন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইন অমান্যে ১ লাখ থেকে ৫ লাখ রুপি জরিমান ও ১ বছরের বছরের সাজা।

ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বলেন, ভারতে প্রায় ৪শ ব্র্যান্ডের ই-সিগারেট বাজারজাত হয়। এই ভ্যাপিং নিষিদ্ধ করা মোদি সরকারের নির্বাচনি ওয়াদা ছিলো।

শুধু ভারত নয়, ই-সিগারেট নিয়ে তোলপাড় চলছে যুক্তরাষ্ট্রেও। ৭ জনের মৃত্যুর পর সানফ্রানসিসকো এবং নিউইয়র্ক রাজ্যে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এটি। কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে ক্যালিফোর্নিয়াও।

নিউইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু কওমো বলেন, টেবাকো এবং মেন্থল ফ্লেবারের ইসিগারেট নিষিদ্ব করা হয়েছে নিউইয়র্কে। ৬৮ ভাগ ব্যবহারকারীই বিভিন্ন ফ্লেভারের ই-সিগারেট ব্যবহার করেন এবং তরুণদের কাছে এটি বেশি পছন্দনীয়।

আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়েট্রিক টেবাকো কনসোর্টিয়াম বলছে, ই-সিগারেটের কারণে অজানা অনেক রোগ দেখা দিচ্ছে মার্কিনীদের।

হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের অধ্যাপক ডা: জনাথন উইনিকফ বলেন, এক রোগী আসার পর, ভাবলাম হয়ত স্বাভাবিক নিয়োমোনিয়া। কিন্তু অ্যান্টিবায়েটিক প্রয়োগেও কাজ হচ্ছিলো না। ই-সিগারেট তার শরীরের রক্তপ্রবাহ ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, পুড়ে গেছে শ্বাসনালীও। উচ্চমাত্রার নিকোটন ও কেমিকেলের মিশ্রনে সৃষ্ট এসিড মানবদেহে মারাত্মক বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে।  

ভ্যাপিং নিষিদ্ধে আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো। পুঁজি হারানোর ভয়ে দোকানিরাও।

নিউইয়র্ক স্মোক অ্যান্ড ভ্যাপ দোকানের দোকানি আসিফ লাখানি বলেন, খুবই চিন্তায় আছি। কারণ পুরো ব্যবসার ওপর আঘাত। যেসব কাস্টমার প্রতিদিন এখানে আসতেন নিউইয়র্ক রাজ্য সরকারের সিদ্বান্তে তারাও ক্ষুদ্ধ।  

বিশ্লেষকরা বলছেন, তারুণ্যের ক্রেজ হলেও, স্বাস্থ্যহানির শঙ্কায় বিশ্বব্যাপী তীব্র সমালোচনার মুখে ই-সিগারেট। তাই, এর বাজারজাত ও উৎপাদন বন্ধের দাবি অনেকেরই।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর