channel 24

সর্বশেষ

  • ভোলায় মুয়াজ্জিনকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন, আটক ১

  • পল্লবী থানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি

  • প্রত্যক্ষদর্শীদের লোমহর্ষক বর্ণনায় সিনহা হত্যা

  • দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা: প্রধান বিচারপতি

  • করোনাকালে স্বাস্থ্যখাতের নাজুক পরিস্থিতিই নয়, দুর্নীতিও প্রকাশ্যে

  • বাংলাদেশের বিজয় মানে, ভারতের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • লাইসেন্স নবায়ন না করলে ২৩ আগস্টের পর বেসরকারি হাসপাতাল বন্ধ

  • ময়মনসিংহে বাস চাপায় সিএনজি অটোরিকশার ৭ যাত্রীর মৃত্যু

  • বরগুনায় সিফাতের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন, পুলিশের লাঠিচার্জ

  • সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই বেড়েছে লেনদেন ও সূচক

  • সরকার ঘোষিত প্রণোদনার অর্থ বিতরণে অনিয়ম: সানেম

  • মাশরাফীর পরিবারের চার সদস্য করোনায় আক্রান্ত

  • ২০২১ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে ভারতে

  • সোমবার আবারো সব ফুটবলারদের করোনা পরীক্ষা

  • ওসি প্রদীপের কুকর্ম নিয়ে একে একে মুখ খুলছেন অনেকে

রোহিঙ্গাদের দাবি পূরণে সংশোধন করতে হবে মিয়ানমারের আইন

রোহিঙ্গাদের দাবি পূরণে সংশোধন করতে হবে মিয়ানমারের আইন

নাগরিকত্ব সমস্যার সমাধান না হওয়ায় মিয়ানমারে ফেরত যেতে চায় না রোহিঙ্গারা। যদিও বাংলোদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, মিয়ানমারের আইন অনুযায়ীই তাদের নাগরিকত্ব পেতে বাধা নেই, তবে প্রত্যাবাসন চুক্তি বাস্তবায়ন অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, এই সমস্যার টেকসই সমাধানে, রোহিঙ্গাবিরোধী সব আইন সংশোধন করতে হবে মিয়ানমারকে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের দ্বিতীয় উদ্যোগও ভেস্তে গেছে গেছে, গত ২২ আগস্ট। যার প্রধান কারণ, নির্যাতিত রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের পূর্ণ নাগরিকত্ব চান।

১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনে ১৩৫টি নৃগোষ্ঠি মিয়ানমারের নাগরিক হলেও সেই মর্যাদা হারায় রোহিঙ্গারা। কারণ, ওই আইনে বলা হয়েছে, ১৮২৩ সালের আগ থেকে যারা বার্মায় বাস করছে, তারাই কেবল মিয়ানমারের নাগরিক হবে। তাই রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দিতে হলে, সংস্কার করতে হবে, এই আইন। যার সুপারিশ করেছিলো কফি আনান কমিশন।

রোহিঙ্গাদের আরেকটি মূল দাবি, তাদের ফেলে আসা জমি ফিরিয়ে দেয়ার। কিন্তু, এ বিষয়ে ভ্যাকেন্ট, ফ্যালো অ্যান্ড ভার্জিন ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট আইন, ২০১৮ সালে সংশোধন করে মিয়ানমার। যাতে বলা হয়, জমি পেতে ২০১৯ সালের মার্চের মধ্যে আবেদন করতে হবে। রোহিঙ্গাদের দাবি পূরণে সংশোধন করতে হবে, এই আইনও।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সমস্যা সমাধানে তিনটি বিষয়ে জোর দেয়া উচিত।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি-দ্বিপাক্ষিক মাহবুব উজ জামান বলেন, রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের ন্যাচারালাইজড নাগরিকত্ব পাবার যোগ্য। আমাদের আর্থ সামাজিক ব্যবস্থায় রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের সমাজে একীভূত করার সুযোগ নেই। আমাদের আবস্থান হলো, তাদের ফিরে যেতে হবে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমাদের সামনে তিনটি উপায় আছে। এর একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি, যেটি আমরা সম্পন্ন করেছি। দ্বিতীয়টি বিচার এবং জবাবদিহিতা, তৃতীয়টি মিয়ানমারের উপর আন্তর্জাতিক চাপ। এই তিনটি ব্যবস্থা এক সাথে চলতে হবে। তবে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির বাস্তবায়ন প্রত্যাশা অনুযায়ি হচ্ছেনা।

স্যাটেলাইট ইমেজের মাধ্যমে পাওয়া ছবি বিশ্লেষণ করে সম্প্রতি একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, ইন্টারন্যাশনাল সাইবার পলিসি নামে একটি সংগঠন। সেখানে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের সম্মানজনকভাবে ফিরিয়ে নিতে এখনও প্রস্তুত নয় মিয়ানমার।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর