channel 24

সর্বশেষ

  • অবৈধ ক্যাসিনো: গ্রেপ্তার শামীম, খালেদ এবং...

  • তাদের স্বজনদের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ এনবিআরের

  • অপরাধ করলে নিজের দলের লোককেও ক্ষমা নয়: ওবায়দুল কাদের

  • ক্যাসিনোর মূল হোতারা ধরা না পড়ায় অভিযান প্রশ্নবিদ্ধ: রিজভী

  • রোহিঙ্গাদের এনআইডি জালিয়াতি: চট্টগ্রাম ও কক্সবাজর অঞ্চলের...

  • ৭ ইসি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

  • জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি বাড়িতে...

  • কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের অভিযান; বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার; আটক ৩

  • অর্থ আত্মসাৎ: পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের...

  • তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. ইউনুছ শরীফ সাময়িক বরখাস্ত

  • নওগাঁর নিয়ামতপুরে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষে ইউপি চেয়ারম্যান নিহত

  • জাতিসংঘের ৭৪তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী...

  • এবারের অধিবেশনে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান খোঁজা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি বাড়িতে...

  • পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের অভিযান; আটক ৩

  • আন্দোলনের মুখে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে প্রত্যাহার

  • গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির পদত্যাগ দাবিতে...

  • পঞ্চম দিনের মতো অনশনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা

পাটের উৎপাদন বাড়লেও ভারতসহ বিশ্ববাজারে রপ্তানি কমেছে

পাটের উৎপাদন বাড়লেও ভারতসহ বিশ্ববাজারে রপ্তানি কমেছে

গেলো পাঁচ বছরে পাটের উৎপাদন বেড়েছে ২০ শতাংশ। কিন্তু তা বড় কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি এই খাতের সঙ্কট সমাধানে। বরং, ভারতসহ বিশ্ববাজারে রপ্তানি কমায় নতুন সঙ্কটে পড়েছে ঐতিহ্যবাহী এই শিল্প। নিশ্চিত করা যায়নি দেশের ভেতরে বাধ্যতামূলক ব্যবহার। আর পণ্যের বৈচিত্র্য আনা গেলেও তা থেকে আয় বাড়াতে পারছেন না উদ্যোক্তারা। এমন অবস্থায় বিশ্ববাজারে নতুন ব্র্যান্ডিংয়ের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

সোনালী আঁশের স্বর্ণভূমি বাংলাদেশ। গেলো পাঁচ বছরে নতুন জাত আর চাষ পদ্ধতির আধুনিকায়ন উৎপাদন বাড়িয়েছে ২০ শতাংশ। আর গড় দাম হিসেবে নিলে উৎপাদিত কাঁচাপাটের বাজারমূল্য ছিল প্রায় বিলিয়ন ডলার। কিন্তু, এই অর্জনের প্রত্যাশিত প্রতিফলন দেখা যায়নি অর্থনীতিতে।

এই খাতের সংকটের পেছনে বড় কারণ আভ্যন্তরীণ ব্যবহার কমে যাওয়া। পাশের দেশ ভারত উৎপাদিত পাটের প্রায় ৯০ শতাংশ নিজেরা ভোগ করলেও দেশে আভ্যন্তরীণ ব্যবহার আটকে আছে ৬০ শতাংশে।

অথচ কেবল বাধ্যতামূলক প্যাকেজিং আইন বাস্তবায়ন করলেই এই হার নিয়ে যাওয়া সম্ভব ৮০ শতাংশে। যা কমাতে পারে রপ্তানি নির্ভরতা।

দুই বছর আগে পাটপণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে টনপ্রতি সাড়ে ৩শ ডলার পর্যন্ত অ্যান্টি ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করায় বড় ধাক্কা লেগেছে ভারতের বাজারে। সেই সাথে আমদানি কমিয়েছে তুরস্ক, ইরানসহ আফ্রিকার দেশগুলোও।

তবে, এমন পরিস্থিতিতেও বিজেএমসির তুলনায় বেশ খানিকটা ভালো করেছে বেসরকারি কলগুলো। তবে পাটপণ্যের বৈচিত্র্যকরণে গতি এলেও তা রপ্তানি বাড়াতে পারেনি খুব বেশি। যদিও বিশ্বব্যাপী মূল্য সংযোজনী পণ্যের চাহিদা বাড়ছে প্রতিনিয়ত। যা দখলে নতুন কৌশলে এগুচ্ছে ভারত এবং চীন।

আন্তর্জাতিক বাজারের সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল পরিবেশের কারণেই উজ্জ্বল ভবিষ্যত আছে পাটপণ্যের। তাই, উৎপাদন আর মান বিবেচনায় এর বড় ভাগিদার হতে পারে বাংলাদেশ।

ভিডিওতে প্রতিবেদনটি-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর