channel 24

সর্বশেষ

  • রোহিঙ্গাদের দ্রুত ফেরত না পাঠালে নিরাপত্তা ও...

  • স্থিতিশীলতা ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর

  • ঋণখেলাপিদের সুবিধা দিতে পাগল হয়ে গেছে...

  • বাংলাদেশ ব্যাংক: হাইকোর্ট; প্রজ্ঞাপনের বিষয়ে আদেশ কাল

  • ১৯৮৯ সালের হত্যা মামলা: ৩ মাসের মধ্যে নিস্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের...

  • ২৮ বছর পর মামলা সচল হওয়ায় সাগেরা মোর্শেদের পরিবারের সন্তুষ্টি

  • ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী...

  • অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল ও জব্দে দুদকের চিঠি

  • দুই সাংবাদিককে ভিন্ন ভাষায় তলবকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে...

  • বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ কমিশনের; চিঠির অবমাননাকর অংশ...

  • বাদ না দিলে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা গণমাধ্যমকর্মীদের

  • আসামে নাগরিকত্ব ইস্যু: খসড়া তালিকা থেকে ১ লাখ ২ হাজার...

  • ৪৬২ জনকে বাদ দিয়ে নতুন তালিকা প্রকাশ

সীমাহীন অব্যবস্থাপনার ফাঁদে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল

সীমাহীন অব্যবস্থাপনার ফাঁদে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল

সীমাহীন অব্যবস্থাপনার ফাঁদে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল। প্রয়োজনের দ্বিগুণ শ্রমিক পুষতে গিয়ে উৎপাদন খরচের অর্ধেকের বেশি যাচ্ছে মজুরির পেছনে। সবশেষ অর্থবছরে যার পরিমাণ ছিল প্রায় সাড়ে ছয়শ কোটি টাকা। অথচ, পণ্য বিক্রি হয়েছে মাত্র ১১শ কোটি টাকার। বিজেএমসির চেয়ারম্যান বলছেন, বাধ্য হয়েই যেতে হবে কাজের বিনিময়ে মজুরির দিকে। আর বিশ্লেষকরা বলছেন, লোকসান ঠেকাতে বন্ধ করতে হবে অনিয়ম-দুর্নীতি।

এক সময় সোনালী আঁশে ভর করে দেশের অর্থনীতি এগুলেও এখন নানামুখী সংকটে ধুঁকছে এ শিল্প। বিশ্বে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উৎপাদনের পরও বাড়ছে দুশ্চিন্তা। যার উৎস সরকারি কলগুলো। কারণ দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, অদক্ষতা, দুর্নীতি আর নানামুখী রাজনৈতিক চাপ।

সরকারি কলে লোকসানের বড় কারণ অতিরিক্ত শ্রমিকের পেছনে অস্বাভাবিক খরচ।

যেমন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে কলগুলোতে ৩৯ হাজার স্থায়ী শ্রমিকের পদ থাকলেও বদলি ও মৌসুমী মিলিয়ে কাজ করেছেন ৬১ হাজারের বেশি। যারা মজুরি নিয়েছেন ৬৩৯ কোটি টাকা। অথচ উৎপাদিত পণ্যের বাজার দাম ছিলো সাড়ে ১৩শ কোটি টাকা। বিক্রি হয়েছে আরও দুইশ কোটি কমে। অর্থাৎ, যা বিক্রি তার ৫৫ শতাংশই গেছে শ্রমমজুরিতে। অথচ অর্থনীতির সরল সূত্র হলো উৎপাদনশীল প্রতিষ্ঠানে এই হার রাখা উচিত ১৫ শতাংশের নিচে।

বিজেএমসি চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ নাসিম বলেন, শ্রমিকরা কাজ করুক আর না করুক বাধ্যতামুলক পেমেন্ট দিতে হচ্ছে। হাজিরা দিলেই তাদের মজুরি হচ্ছে।

ড. জাহিদ হোসেন বলেন, মজুরি বিলটা পুরো খরচের এতো বেশি হওয়াটা অস্বাভাবিক।

অতিরিক্ত এ মজুরি গোণার পরও বাড়েনি উৎপাদন। বরং সক্ষমতা অনুযায়ী পণ্য তৈরি করতে না পারায় ২০১৭-১৮ তে লোকসান গেছে ১৮৩ কোটি টাকা। আর ২০১০-১১ মৌসুমে ১ টন পাটপণ্য ৯০ হাজার টাকায় উৎপাদন করা গেলেও গেলো বছর তা লেগেছে ৪০ শতাংশ বেশি।

আবার বাজারের চেয়ে বেশি দরে কাঁচা পাট কেনায়ও গুণতে হয়েছে মোটা লোকসান।

২০১৭-১৮ মৌসুমে দেড়শ কোটি টাকা লোকসান গেছে সিবিএ মিটিং, শ্রম আন্দোলন আর সামাজিক দায়বদ্ধতার মতো অনুৎপাদনশীল কাজকর্মে।

এছাড়া, সবশেষ পাঁচ বছরে পণ্য বিক্রি থেকে আয় ১৭শ কোটি থেকে নেমে গেছে সাড়ে এগারশ কোটিতে।

প্রতিবেদনটি দেখুন ভিডিওতে-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর