channel 24

সর্বশেষ

  • ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা ও কুষ্টিয়ায় ২ শিশুর মৃত্যু

  • বিমানের রক্ষণাবেক্ষণসহ যাত্রীসেবার মান বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

  • পেঁয়াজের মজুদ সন্তোষজনক, আতঙ্কের কিছু নেই: বাণিজ্য সচিব...

  • ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাম কমে আসবে: ট্যারিফ কমিশন

  • বিশ্বশান্তি ও সমৃদ্ধিতে বাংলাদেশের অবদানে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে জাতিসংঘ...

  • সদস্যপদ প্রাপ্তির ৪৫ বছর পূর্তিতে আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পোর টুইট

  • বিমানের চতুর্থ ড্রিমলাইনার 'রাজহংস' উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

  • আফগানিস্তানের পারওয়ান প্রদেশে প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির...

  • নির্বাচনি মিছিলে বিস্ফোরণে নিহত ২৪, নিরাপদে প্রেসিডেন্ট

  • একনেকে ৮ হাজার ৯৬৮ কোটি টাকার ৮টি প্রকল্প অনুমোদন...

  • প্রকল্প ব্যয়ের বিষয়গুলো আরও খতিয়ে দেখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  • জাবি ভিসি আইনের ঊর্ধ্বে নন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা: কাদের

  • ভীতি আর অনিশ্চয়তার মধ্যে বেড়ে উঠছে শিশুরা: মির্জা ফখরুল

  • ছাত্রলীগ ডাকসুকে তাদের সংগঠনের মুখপাত্র বানিয়ে ফেলেছে: ভিপি...

  • আনুষ্ঠানিক কাজে ভিপির সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ এজিএসের

  • ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

সীমাহীন অব্যবস্থাপনার ফাঁদে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল

সীমাহীন অব্যবস্থাপনার ফাঁদে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল

সীমাহীন অব্যবস্থাপনার ফাঁদে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল। প্রয়োজনের দ্বিগুণ শ্রমিক পুষতে গিয়ে উৎপাদন খরচের অর্ধেকের বেশি যাচ্ছে মজুরির পেছনে। সবশেষ অর্থবছরে যার পরিমাণ ছিল প্রায় সাড়ে ছয়শ কোটি টাকা। অথচ, পণ্য বিক্রি হয়েছে মাত্র ১১শ কোটি টাকার। বিজেএমসির চেয়ারম্যান বলছেন, বাধ্য হয়েই যেতে হবে কাজের বিনিময়ে মজুরির দিকে। আর বিশ্লেষকরা বলছেন, লোকসান ঠেকাতে বন্ধ করতে হবে অনিয়ম-দুর্নীতি।

এক সময় সোনালী আঁশে ভর করে দেশের অর্থনীতি এগুলেও এখন নানামুখী সংকটে ধুঁকছে এ শিল্প। বিশ্বে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উৎপাদনের পরও বাড়ছে দুশ্চিন্তা। যার উৎস সরকারি কলগুলো। কারণ দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, অদক্ষতা, দুর্নীতি আর নানামুখী রাজনৈতিক চাপ।

সরকারি কলে লোকসানের বড় কারণ অতিরিক্ত শ্রমিকের পেছনে অস্বাভাবিক খরচ।

যেমন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে কলগুলোতে ৩৯ হাজার স্থায়ী শ্রমিকের পদ থাকলেও বদলি ও মৌসুমী মিলিয়ে কাজ করেছেন ৬১ হাজারের বেশি। যারা মজুরি নিয়েছেন ৬৩৯ কোটি টাকা। অথচ উৎপাদিত পণ্যের বাজার দাম ছিলো সাড়ে ১৩শ কোটি টাকা। বিক্রি হয়েছে আরও দুইশ কোটি কমে। অর্থাৎ, যা বিক্রি তার ৫৫ শতাংশই গেছে শ্রমমজুরিতে। অথচ অর্থনীতির সরল সূত্র হলো উৎপাদনশীল প্রতিষ্ঠানে এই হার রাখা উচিত ১৫ শতাংশের নিচে।

বিজেএমসি চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ নাসিম বলেন, শ্রমিকরা কাজ করুক আর না করুক বাধ্যতামুলক পেমেন্ট দিতে হচ্ছে। হাজিরা দিলেই তাদের মজুরি হচ্ছে।

ড. জাহিদ হোসেন বলেন, মজুরি বিলটা পুরো খরচের এতো বেশি হওয়াটা অস্বাভাবিক।

অতিরিক্ত এ মজুরি গোণার পরও বাড়েনি উৎপাদন। বরং সক্ষমতা অনুযায়ী পণ্য তৈরি করতে না পারায় ২০১৭-১৮ তে লোকসান গেছে ১৮৩ কোটি টাকা। আর ২০১০-১১ মৌসুমে ১ টন পাটপণ্য ৯০ হাজার টাকায় উৎপাদন করা গেলেও গেলো বছর তা লেগেছে ৪০ শতাংশ বেশি।

আবার বাজারের চেয়ে বেশি দরে কাঁচা পাট কেনায়ও গুণতে হয়েছে মোটা লোকসান।

২০১৭-১৮ মৌসুমে দেড়শ কোটি টাকা লোকসান গেছে সিবিএ মিটিং, শ্রম আন্দোলন আর সামাজিক দায়বদ্ধতার মতো অনুৎপাদনশীল কাজকর্মে।

এছাড়া, সবশেষ পাঁচ বছরে পণ্য বিক্রি থেকে আয় ১৭শ কোটি থেকে নেমে গেছে সাড়ে এগারশ কোটিতে।

প্রতিবেদনটি দেখুন ভিডিওতে-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর