channel 24

সর্বশেষ

  • জাতিসংঘের পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড পেলো ভূমি মন্ত্রণালয়

  • পুলিশ-চিকিৎসকসহ দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল

  • করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা যাবে ১ মিনিটেই!

  • করোনা থেকে বাঁচতে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম: প্রধানমন্ত্রী

  • সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও রেল ও নৌপথে যাত্রী কম

  • বরিশালে ইমামকে জুতার মালা পরিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা

  • করোনায় অনিশ্চিত এ বছরের হজযাত্রা

  • করোনায় মারা গেছেন রানা প্লাজার মালিক আব্দুল খালেক

  • যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ হত্যা: ৪ পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ গঠন

  • অর্থ সহায়তায় ও চাল বিক্রিতে অনিয়ম: এ পর্যন্ত ৮৭ ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্য বরখাস্ত

  • করোনায় প্রাণ গেল আরও এক পুলিশ সদস্যের

  • এএসপির বিরুদ্ধে নির্যাতন আর যৌতুকের অভিযোগ স্ত্রীর

  • পায়ের পেশির ইনজুরিতে লিওনেল মেসি

  • আম্পানে পটুয়াখালীতে ক্ষতিগ্রস্থ ৬ হাজার মাছের ঘের

  • সব বাধা পেরিয়ে চিকিৎসক হতে চায় হতদরিদ্র পরিবারের ছেলে মাসুদ

রাজধানীতে এডিস মশার প্রাদুর্ভাব, বেশি ঝুঁকিতে দক্ষিণ সিটি

রাজধানীতে এডিস মশার প্রাদুর্ভাব, বেশি ঝুঁকিতে দক্ষিণ সিটি

নির্ধারিত সময়ের তিন-মাস আগেই রাজধানীতে দেখা দিয়েছে এডিস মশার প্রাদুর্ভাব। বেশি ঝুঁকিতে আছে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার এক গবেষণায় উঠে এসেছে এমন তথ্য। বলা হচ্ছে, ঢাকার উত্তর-দক্ষিণ সিটি মিলে মোট ২২টি ওয়ার্ডে এখন অস্তিত্ব রয়েছে এডিস মশার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আতঙ্কিত না হয়ে, আশপাশে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিস্কার করলেই ঝুঁকি এড়ানো যাবে।

মার্চের ৩ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত ঢাকার দুই সিটির ৯৯৮টি বাড়ি ঘুরে জমে থাকা পানিতে জন্ম নেয়া মশার নমুনা সংগ্রহ করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার গবেষকরা। যেখানে পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের জার ফুলের টব কিংবা মেঝেতে জমে থাকা পানিতেই মেলে এডিস মশার লার্ভা।  

ওই গবেষণার রিপোর্ট সম্প্রতি প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা।

রিপোর্টে উঠে আসে ঢাকার দুই সিটির ২২টি ওয়ার্ডে রয়েছে এডিস মশার অস্তিত্ব। যার মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৫টি আর উত্তর সিটির ৭টি ওয়ার্ড। এরমধ্যে দক্ষিণ সিটির ৪১ নম্বর ওয়ার্ড অর্থাৎ পুরান ঢাকার দয়াগঞ্জ, নারিন্দা, করাতিটোলা এসব এলাকায় এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।  

আর উত্তর সিটির ৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড অর্থাৎ বড় মগবাজার, দিলু রোড ও নয়াটোলায় এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।

এরইমধ্যে রিপোর্টটি দেয়া হয়েছে সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে। যাতে এসব এলাকায় মশা নিধনে নেয়া হয় বিশেষ ব্যবস্থা।

এ নিয়ে নিজেদের আন্তরিকতার ঘাটতি নেই বলে জানান দুই সিটির কর্তাব্যক্তিরা।

এডিস মশা যেকটি রোগের বাহক তার মধ্যে চিকুনগুনিয়া আর ডেঙ্গুর অস্তিত্ব রয়েছে দেশে। চিকুনগুনিয়ায় মৃত্যু ঝুঁকি না থাকলেও, ২০০২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু জ্বরে প্রাণ গেছে ১৬০ জনের বেশি মানুষের। যারমধ্যে গেল বছরই প্রাণ গেছে ২৬ জনের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর