channel 24

সর্বশেষ

  • উপজেলা নির্বাচন ছিল একতরফা, যা গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত: ইসি মাহবুব

  • রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে রাশিয়া থেকে ৫২৩ কোটি ৯০ লাখ টাকার...

  • ইউরেনিয়াম কেনার অনুমোদন সরকারের ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির

  • রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার ফেরাতে সৌদিতে ৬০ বিদেশি কূটনীতিকের কাছে...

  • সহায়তা চাইলো বাংলাদেশ; রিয়াদে ব্রিফ করেছেন রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ

  • খালেদা জিয়ার জামিন আটকে রেখেছে সরকার: মির্জা ফখরুল...

  • আদালত মুক্তি দিলে সরকারের কিছু করার নেই: ওবায়দুল কাদের

  • মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স নিয়ে হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছেন...

  • চেম্বার আদালত; আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি ২৩ জুলাই

দশ বছরে ঢাকার তাপমাত্রা বেড়েছে ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি

দশ বছরে ঢাকার তাপমাত্রা বেড়েছে ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি

১০ বছরের ব্যবধানে ঢাকার তাপমাত্রা বেড়েছে ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গড় তাপমাত্রা ছাড়িয়েছে ৩৩ থেকে ৩৫ ডিগ্রি। শুধু তাই নয়, যে কোনো বিভাগীয় ও জেলা শহরের চেয়ে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বেশি এই শহরে। তাপমাত্রার পারদের এই ঊর্ধ্বমুখিতার প্রভাব সরাসরি পড়ছে ব্যক্তিজীবনে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকৃতির এই বাড়াবাড়ির জন্য দায়ী মানুষ নিজেই।

ঠাস বুনটের শহর রাজধানী ঢাকা। ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে সবুজ, নিঃশেষ হচ্ছে জলাধার। গত এক দশকে রাজউকের ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যানের (ড্যাপ) আওতাভুক্ত ২২ শতাংশ জলাশয় ভরাট হয়েছে। জায়গা করে নিয়েছে ইট আর কংক্রিট।

বছর দশেক আগেও, গ্রীষ্মের এই সময়ে, ঢাকার গড় তাপমাত্রা থাকতো ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। এখন তা ঠেকেছে ৩৫ ডিগ্রী সেলসিয়াসের উপরে।

    সাল                                           তাপমাত্রা                      
১৯৯১-২০০০                             ২৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস
২০০১-২০১০                              ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস
মে, ২০১৯                                  ৩৩-৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে

প্রকৃতির এই উঞ্ষতায় নাগরিক কোলাহল যখন ভীষণরকম হাঁসফাস এমন সময় ক্লান্তমন চায় একচিলতে ছায়া, আর বিশুদ্ধ শীতল বাতাস। তবে প্রিয় শহর এই ঢাকা যখন, ঢাকা থাকে কংক্রিটে তখন স্বস্তির সেই একটুকরো আশাও বলে হতাশার গল্প।

তাপমাত্রার এই লাগামহীন বৃদ্ধির জন্য গবেষকরা দায়ী করছেন কংক্রিট আর কাঁচে ঢাকা ভবন বেড়ে যাওয়াকে।

গাছপালা না থাকায় ঘাটতি দেখা দিচ্ছে বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণেও। যার প্রভাব পড়ছে মানুষের আচার আচরণে।

এই যখন অবস্থা, তখন এর প্রতিকারে স্থপতিরা দিচ্ছেন কিছু সমাধান। এর মধ্যে যেমন রয়েছে ভবনগুলোর ছাদ কিংবা বেলকোনিতে সবুজায়ন। তেমনি বিল্ডিং কোডে পরিবর্তনের মতো বিষয়ও।

একটি সুস্থ পরিবেশে আগামীর প্রজন্মকে বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দিতে দায়িত্ব নিতে হবে এই তিলোত্তমার নাগরিকদেরকেই।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর