channel 24

সর্বশেষ

  • সাহেদ গ্রেপ্তার

  • ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে করোনার হানা, কলম্বিয়ায় ৪১ ফুটবলার আক্রান্ত

  • দুই আসনের উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীরা জয়ী

  • এখনো জাতীয় দলে ফেরার স্বপ্ন আশরাফুলের

  • ৩ সপ্তাহ পর করোনা মুক্ত হলেন মাশরাফী

  • রিজেন্ট গ্রুপের এমডি মাসুদ পারভেজ গ্রেপ্তার

  • স্বাস্থ্যমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করলেন মশিউর রহমান রাঙা

  • সাতক্ষীরায় কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপিদের মানববন্ধন

  • বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে, ছড়াবে ২৩ জেলায়

  • বেরিয়ে আসছে সাবরিনার অপকর্মের নানা নজির

  • এরশাদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

  • ভুয়া চিকিৎসক দম্পতির নৃশংসতা

  • বগুড়া-১ ও যশোর-৬ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা

  • অধিদপ্তরের ডিজির অনুরোধেই রিজেন্টের সাথে চুক্তি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • বিদ্যুৎ উৎপাদনে চীনা প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথ কোম্পানি গঠনে চুক্তি

প্রবাসী নারী শ্রমিকদের আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে

প্রবাসী নারী শ্রমিকদের আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে

বিদেশে বাংলাদেশি শ্রমিকের সাথে বাড়ছে, তাদের নিথর দেহে দেশে ফেরার সংখ্যাও। তারচেয়েও উদ্বেগের বিষয়, নারী শ্রমিকদের আত্মহত্যার প্রবণতা। যদিও এই মৃত্যুর আসল কারণ জানার উপায় নেই, পরিবারের। কারণ, বাংলাদেশে মরদেহের ময়না তদন্ত হয় না। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ সব আত্মহত্যার কারণ খুঁজে বের করা উচিত সরকারের।

বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই, ভেতরটায় কত ক্ষত। কিন্তু চৌকাঠ পেরুলেই চোখে পড়ে সন্তানহারা মায়ের অশ্রুসিক্ত চোখ। যে চোখের শূণ্যতা বোঝানোর ভাষা নেই।  

পরিবারের সবাইকে নিয়ে একটু ভালভাবে বাঁচতে মানিকগঞ্জের ঘিওরের ঠাকুরকান্দি গ্রামের নার্গিস আক্তার পারি জমিয়েছিলেন জর্ডানে। কিন্তু তার সেই স্বপ্ন ফিরেছে কফিনে ভরে। মৃত্যুর ২২ দিন পর দেশে ফেরে তার নিথর দেহ। হতভাগ্যা এই মায়ের কাছে তার মৃত্যু এখনও রহস্য হয়ে আছে। যদিও জর্ডানের ডেথ সার্টিফিকেটকেই সত্য বলে মানতে বাধ্য হচ্ছেন নার্গিসের পরিবার।   

বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক বলছে, বিদেশে নার্গিসের মত ৪৪ জন নারী শ্রমিক আত্মহত্যা করেছেন। এই সংখ্যা বাড়ছে-ই। ২০১৬ সালে যে সংখ্যা যেখানে ছিল মাত্র ১ জনে, ২০১৭ তে তা বেড়ে হয়েছে ১২ এবং ২০১৮ তে ২৩ জনে। চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে-ই লাশ হয়ে ফিরেছেন ৮ নারী শ্রমিক। মধ্যপ্রাচ্যের দেশেগুলোতে শ্রমিকের মৃত্যু হার বেশি।  

আত্নহত্যা ছাড়াও গেল তিন বছরে হ্যার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও বিভিন্ন দুর্ঘটনায় লাশ হয়ে ফিরেছেন ২৯৪জন শ্রমিক। যাদের কারো ময়না তদন্ত হয়নি বাংলাদেশে।

বায়রার মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমানের দাবি, বাংলাদেশের সাথে গন্তব্য দেশগুলোর এমন কোন চুক্তি কিংবা সমঝোতা নেই যার মাধ্যমে এসব মৃত্যুর কারণ জানতে চাওয়া যায়।  

তবে বিদেশে শ্রমিক মৃত্যুর ও ময়না তদন্ত বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর