channel 24

সর্বশেষ

  • কলকাতার ঈদের বাজারে বাংলাদেশিদের ভিড়

  • মৌলভীবাজারে আইনজীবী খুন, ভাড়াটিয়া পলাতক

  • মাগুরা, দিনাজপুর ও নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫

  • শান্তিচুক্তির দুই দশক পরও সন্ত্রাসের বলি পাহাড়ের সাধারণ মানুষ

  • সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত

  • আদালত পরিবর্তন: খালেদার রিটের শুনানি কাল

  • পোল্ট্রি খাতে অ্যান্টিবায়োটিকের ৩৫টি মিশ্রন বাতিল

  • ইইউ পার্লামেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ

  • মোবাইল চুরির বিরোধের জেরে কলেজ ছাত্রকে হত্যা, আটক ৩

  • রোহিঙ্গা হত্যার দায়ে সাজাপ্রাপ্ত মিয়ানমারের ৭ সেনা সদস্যকে গোপনে মুক্তি

  • কিশোরগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১

  • গাজীপুরে কারখানায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত ২

  • দুই সন্তানকে কিটনাশক খাইয়ে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা

  • বরিশালের রাস্তায় দেশের প্রথম থ্রিডি জেব্রাক্রসিং

  • ছাগলের ফসল খাওয়া নিয়ে দ্বন্ধ: ভাইয়ের হাতে ভাই খুন

প্রবাসী নারী শ্রমিকদের আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে

প্রবাসী নারী শ্রমিকদের আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে

বিদেশে বাংলাদেশি শ্রমিকের সাথে বাড়ছে, তাদের নিথর দেহে দেশে ফেরার সংখ্যাও। তারচেয়েও উদ্বেগের বিষয়, নারী শ্রমিকদের আত্মহত্যার প্রবণতা। যদিও এই মৃত্যুর আসল কারণ জানার উপায় নেই, পরিবারের। কারণ, বাংলাদেশে মরদেহের ময়না তদন্ত হয় না। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ সব আত্মহত্যার কারণ খুঁজে বের করা উচিত সরকারের।

বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই, ভেতরটায় কত ক্ষত। কিন্তু চৌকাঠ পেরুলেই চোখে পড়ে সন্তানহারা মায়ের অশ্রুসিক্ত চোখ। যে চোখের শূণ্যতা বোঝানোর ভাষা নেই।  

পরিবারের সবাইকে নিয়ে একটু ভালভাবে বাঁচতে মানিকগঞ্জের ঘিওরের ঠাকুরকান্দি গ্রামের নার্গিস আক্তার পারি জমিয়েছিলেন জর্ডানে। কিন্তু তার সেই স্বপ্ন ফিরেছে কফিনে ভরে। মৃত্যুর ২২ দিন পর দেশে ফেরে তার নিথর দেহ। হতভাগ্যা এই মায়ের কাছে তার মৃত্যু এখনও রহস্য হয়ে আছে। যদিও জর্ডানের ডেথ সার্টিফিকেটকেই সত্য বলে মানতে বাধ্য হচ্ছেন নার্গিসের পরিবার।   

বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক বলছে, বিদেশে নার্গিসের মত ৪৪ জন নারী শ্রমিক আত্মহত্যা করেছেন। এই সংখ্যা বাড়ছে-ই। ২০১৬ সালে যে সংখ্যা যেখানে ছিল মাত্র ১ জনে, ২০১৭ তে তা বেড়ে হয়েছে ১২ এবং ২০১৮ তে ২৩ জনে। চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে-ই লাশ হয়ে ফিরেছেন ৮ নারী শ্রমিক। মধ্যপ্রাচ্যের দেশেগুলোতে শ্রমিকের মৃত্যু হার বেশি।  

আত্নহত্যা ছাড়াও গেল তিন বছরে হ্যার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও বিভিন্ন দুর্ঘটনায় লাশ হয়ে ফিরেছেন ২৯৪জন শ্রমিক। যাদের কারো ময়না তদন্ত হয়নি বাংলাদেশে।

বায়রার মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমানের দাবি, বাংলাদেশের সাথে গন্তব্য দেশগুলোর এমন কোন চুক্তি কিংবা সমঝোতা নেই যার মাধ্যমে এসব মৃত্যুর কারণ জানতে চাওয়া যায়।  

তবে বিদেশে শ্রমিক মৃত্যুর ও ময়না তদন্ত বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর