channel 24

সর্বশেষ

  • খালেদা জিয়ার মুক্তিতে দলীয়ভাবে ব্যর্থ হয়ে...

  • বিএনপি সরকারের ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছে: সেতুমন্ত্রী

  • সমঝোতা নয়, আইনি পথেই খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে: মওদুদ

  • মানহানির ২ মামলায় হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার ৬ মাসের জামিন

  • মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি বন্ধ ও ধ্বংসের নির্দেশ হাইকোর্টের...

  • একমাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ

  • শেষ ধাপে ২০ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে...

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী নাসিমার বাড়িতে দুর্বৃত্তের অগ্নিসংযোগ...

  • সিরাজগঞ্জে আ.লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ২...

  • কারচুপির অভিযোগে গাজীপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইজাদুরের ভোট বর্জন

  • বিশ্বকাপ: আফগানিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাট করছে ইংল্যান্ড

পদ্মা-যমুনা তীরের ২২টি পয়েন্টে ভাঙনের শঙ্কা

পদ্মা-যমুনা তীরের ২২টি পয়েন্টে ভাঙনের শঙ্কা

শরিয়তপুরের নড়িয়া ছাড়াও পদ্মা-যমুনা তীরের ২২টি পয়েন্টে ২০১৯-২০ সালে দেখা পারে নদী ভাঙন। যাতে বিলীন হতে পারে প্রায় ২ হাজার ৯শ' হেক্টর জমি। আর ২০২০ সালে সাড়ে ৪ হাজার হেক্টর জমি যেতে পারে নদীর পেটে। এমন পূর্বাভাস দিয়েছে, সরকারের প্রকৃতি-জলবায়ু বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান CEGIS।

নদী ভাঙনের কবলে পড়তে পারে শরীয়তপুরের নড়িয়া সরকারের কাছে এমন পূর্বাভাস ছিল অনেক আগেই। কিন্তু তারপরও নেয়া হয়নি কোনো ব্যবস্থা। পরিণতিতে গেলো বছর চোখের সামনে নদীগর্ভে হারিয়ে যায় নড়িয়া উপজেলার বিরাট অংশ। খোলা আকাশের নিচে ঠাঁই হয় প্রায় ৫ হাজার পরিবারের।

নড়িয়ার সেই ভয়াবহ ভাঙ্গন নাড়া দিয়েছিল রাষ্ট্রযন্ত্রকে। ভাঙ্গন রোধে নেয়া হয় নানা ব্যবস্থা। নদী ভাঙন পূর্বাভাসের তালিকায় এবারও আছে  নড়িয়ার নাম।

নড়িয়া ছাড়াও- আরও যেসব এলাকা ভাঙ্গনের শিকার হতে পারে এবছর ও আগামী বর্ষায়, সেবিষয়ে একটি আগাম তথ্য সংশ্লিষ্ট সবপক্ষকে দিয়েছে সরকারের প্রকৃতি ও জলবায়ু বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান- সিইজিআইএস। 

স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে দেশের প্রধান দুইটি নদীর উপর চালানো ওই রিপোর্ট বলছে, পদ্মা ও যমুনা তীরের ১৩টি জেলার প্রায় ২২টি পয়েন্টে হতে পারে এই ভাঙ্গন।

যমুনা নদীর ১৪টি পয়েন্ট যারমধ্যে বেশি ঝুঁকিতে রৌমারী, শাহাজাদপুর, ভুয়াপুর ও নাগরপুর এলাকা।পদ্মার রাজশাহী থেকে রাজবাড়ি পর্যন্ত এই অংশকে রিপোর্টে বলা হচ্ছে গঙ্গা নদী। এখানে ৫টি পয়েন্টের মধ্যে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে রাজবাড়ি জেলার পাংশা ও গোয়ালন্দ এলাকা।

পদ্মার অপর অংশের ৩টি পয়েন্টে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে চর জানাজাত ও নড়িয়া উপজেলা। এরফলে বাস্তুচ্যুত হতে পারেন নদী পাড়ের প্রায় ২৯ হাজার মানুষ।

২০১৯ এবং ২০২০ সালের নদী ভাঙ্গনে কি পরিমাণ ক্ষতি হতে পারে তারও একটি সম্ভাব্য হিসাব দিয়েছে গবেষণা সংস্থাটি।

বলা হচ্ছে, নদীভাঙ্গনের পূর্বাভাস আমলে নিয়ে সবপক্ষ যদি আগে থেকেই সমন্বিত পদক্ষেপ নেয়, তাহলে প্রাকৃতিক এই দুর্যোগ মোকাবিলার বড় নেয়া নেয়ামক হতে পারে এই রিপোর্টটি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর