channel 24

সর্বশেষ

  • মির্জা ফখরুল সংসদে থাকলে বিরোধীদল আরও শক্তিশালী হতো: কাদের

  • প্রিয়াংকা হত্যায় দোষীদের বিচার দাবিতে মানববন্ধন

  • ঢাকা মেট্রোতে টিকিট ছাড়া কোনো বাস চলবে না: সাঈদ খোকন

  • মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে আটক ১

  • ধানের ন্যায্য দাম নিয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

  • ধানের ন্যায্য দামের দাবিতে কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা দাহ

  • ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

  • রূপপুর প্রকল্পে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বেতন পান সরকারি স্কেলে

  • স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভেন্টিলেটর দিয়ে ফেলে দেয় পুলিশ!

  • খুলনায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে পাটকল শ্রমিকদের অবস্থান কর্মসূচি

  • সঠিক ওজন নিশ্চিতে ভালো মানের যন্ত্রপাতি ব্যহার করতে হবে: শিল্পমন্ত্রী

  • যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধে জড়ালে ইরান ধ্বংস হয়ে যাবে: ট্রাম্প

  • ফলের বাজারে কেমিক্যাল মেশানো রোধে মনিটরিং টিম গঠনের নির্দেশ

  • রূপপুর প্রকল্পে অনিয়মে তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

  • ভগ্নিপতি আয়ুষ শর্মাকে বড় পর্দায় আনছেন বলিউড ভাইজান সালমান

একগাদা বইয়ের চাপে চিড়েচ্যাপ্টা শৈশব

একগাদা বইয়ের চাপে চিড়েচ্যাপ্টা শৈশব

আনন্দের সাথে শিক্ষার যে মেলবন্ধন, তা অনেকটা ভুলতে বসেছে এই প্রজন্মের শিশুরা। একগাদা বইয়ের চাপে চিড়েচ্যাপ্টা শৈশব। এ যেন এক অসুস্থ্য প্রতিযোগিতা শিশুদের নিয়ে। আর বাবা-মায়ের আকাশচুম্বি প্রত্যাশার চাপ সামলাতে না পেরে অনেক শিক্ষার্থীর জীবনের চাকা ঘুরতে শুরু করে উল্টোপথে। হতাশায় কেউবা আবার বেছে নেয় আত্মহত্যার পথ। শিক্ষকরা বলছেন, কোনো কিছুই সন্তানের ওপর চাপিয়ে দেয়া উচিত নয়।

অ আ কিংবা ক খ গ ঘ ঙ আদর্শলিপিতেই শুরু হয় যে বর্ণ পরিচয় সময়ের স্রোতে পাঠ্যপুস্তকের সেই চাপ যেনো জেঁকে বসে শিক্ষার্থীর কাঁধে।

আরও জানতে: সাগরগর্ভে বিলীনের পথে কুয়াকাটা সৈকতের সবুজ বেষ্টনী

পরমাণু শক্তির ল্যাবে তৈরি হচ্ছে টিস্যু গ্রাফটিং, আইসোটোপ

মুক্তি পেল পাকিস্তানে আটক ভারতের পাইলট

এ যেনো ঠাকুরমার ঝোলা নয়, বরং নিজের ইচ্ছে-অনিচ্ছের বিপরীতে বাবা-মায়ের বেঁধে দেয়া একটি বৃত্তবন্দী জীবন। যেখানে সমাজ কিংবা কাছের মানুষের প্রত্যাশাও কাজ করে বাড়তি চাপ হিসেবে। আর প্রত্যাশিত সেই ফলাফল পূরণ না হলেই, শূণ্যস্থান জুড়ে বাসা বাঁধে হতাশা।

ঐন্দ্রিলা গোস্বামী তাদের মতই একজনের উদাহরণ তবে এমন আছে হাজার থেকে লাখো। নিজের ছেলে কিংবা মেয়েকেই হতে হবে সেরা মেধাকে বিবেচনা না করেই, এমন লক্ষ্যস্থির করা অভিভাবকের সংখ্যাটাও নেহাৎই কম নয়।

ভবিষ্যতের এমন দোলাচলে অনেক শিক্ষার্থীই হয়ে পড়ে কিংকর্তব্যবিমুঢ় কেউবা বিপথগামী কারো শিক্ষারই বেজে যায় বারোটা, আর কেউবা লিখে রেখে যায় সুইসাইড নোট।

শিক্ষকের মত কোনো কিছু চাপিয়ে নয়, বরং প্রত্যেক অভিভাবকেরই উচিত নিজেদের ইচ্ছের পাশাপাশি, সন্তানের ইচ্ছেটাকেও প্রাধান্য দেয়া।

প্রত্যেক বাবা-মাই আদতে ভালো চায় সন্তানের তবে সেই ভালোটা যেনো না হয়ে ওঠে তার মেধা আর মননকে ছাপিয়ে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর