channel 24

সর্বশেষ

  • ইয়েমেনে সৌদি জোটের বিমান হামলায় নিহত ১০

  • বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ

  • পাম ডি' অর জিতলেন নির্মাতা বং জুন হো

  • বান্দরবানে আজ আধাবেলা হরতাল

  • সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে হিউম্যান সেফটি ফাউন্ডেশন

  • বারো লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বিকল্প বাজেট প্রস্তাব অর্থনীতি সমিতির

  • অপহরণের তিনদিন পর আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

  • ছাত্রলীগের বাঁধায় ডাকসুর ভিপির ইফতার মাহফিল পণ্ড

  • থাইল্যান্ডে জেমি ডে শিষ্যদের অনুশীলন

  • কাল বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করছে বাংলাদেশ

  • বিশ্বকাপে পাকিস্তান দলের পরিসংখ্যান

  • বিশ্বকাপে মাহমুদুল্লাহ হতে পারে ঠান্ডা মাথার ফিনিশার

  • এহসানুল হক সেজানের বিশ্বকাপ স্মৃতি

  • বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ক্রিকেটারদের ইনজুরির মিছিল

  • জুডিসিয়াল সার্ভিসের ইফতারে যোগ দিলেন প্রধান বিচারপতি ও আইনমন্ত্রী

২২ বছর বয়সে সিইও

২২ বছর বয়সে সিইও

যে বয়সে আর দশজন ঠিক করতে পারে না জীবনের লক্ষ্য, সেই বয়সেই একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। কাজের জন্যই দেখা হয়েছে দশটির বেশি দেশ। বলছি সাদমান সাদাবের কথা। প্রবল ইচ্ছাশক্তি আর বিনয় কাজে লাগিয়ে, মাত্র ২২ বছর বয়সে যিনি হয়েছেন ফিউচার সিটি সামিট লিমিটেড নামে হংকংভিত্তিক একটি উন্নয়ন সংস্থার সিইও।

কখনো সিঙ্গাপুর তো কখনো মালয়শিয়া, কখনো আবার ভারত, জাপান কিংবা শ্রীংলকা। গেল কয়েক বছরে সাদমান সাদাব ঘুরেছেন অন্তত ১০টিরও বেশি দেশ।

আরও জানতে: নিরাপত্তা প্রহরী: ১২ লাখ, সহকারী পদ: ২৫ লাখ; চলছে কর বিভাগে নিয়োগ বাণিজ্য

এবার সালমান মুক্তাদিরের বিরুদ্ধে ক্ষেপেছেন আইসিটি মন্ত্রী

মফস্বলের ভাষা সৈনিক আব্দুর রাশেদ মোল্লা

উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলোর শহরের সমস্যা খোঁজা ও সমাধানই সাদমানের কাজ। একা নয়, কাজ করছেন দেশগুলোর একাধিক তরুণ সাথে নিয়ে। কাজটি যেন আরও সহজ হয়, এ জন্য প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ের সহায়তা সবকিছুই করে থাকেন সাদমান।

কাজের প্রতি তার নিষ্ঠা, একাগ্রতা আর দূরদর্শী চিন্তাই তাকে বানিয়ে দেয় ফিউচার সিটি সামিট লিমিটেড নামে হংকংভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থার প্রধান নির্বাহি। তাও মাত্রই ২২ বছর বয়সে।

বিশ্বাস আর আস্থায় ভর করে জীবনের স্বপ্নের পথে সাদমান সাদাবের এগিয়ে চলার শুরু ক্লাস ফাইভ থেকেই। নারায়ণগঞ্জে স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে নটরডেম কলেজ। সেখান থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সবসময় নিজের মনের কথাই শুনেছেন। ছিলো বাবা-মার সমর্থনও। সন্তানের অর্জনে তাই বাবা-মাও গর্বিত।

জীবনে প্রাপ্তি যেমন আছে তেমনি আছে দায়িত্ববোধ আর কাজের চাপ। শুরুতে বাবা-মার দুশ্চিন্তার কারণ ছিল সন্তানের বিদেশ সফর, এখন অনেকটাই স্বাভাবিক মনে করেন।

এগিয়ে যাওয়ার জন্য সাদমান সাদাবের পরামর্শ, নিষ্ঠা আর বিনয়ের সাথে নিজের কাজ করা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর