channel 24

সর্বশেষ

  • বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের পরিসংখ্যান

  • অনুশীলনে বাংলাদেশ, কথা বললেন রুবেল হোসেন

  • বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে আফগানিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার জয়

  • পদ্মা সেতুতে বসানো হলো ১৩তম স্প্যান

  • মেঘনা ও গোমতী দ্বিতীয় সেতুসহ বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন

  • গুজরাটে কোচিং সেন্টারে অগ্নিকাণ্ডে ২০ স্কুলছাত্র নিহত

  • রাজধানীতে এডিস মশার প্রাদুর্ভাব

  • ঈদের ব্যস্ততায় কুষ্টিয়া ও সিরাজগঞ্জের দর্জিপাড়া

  • চতুর্থ দিনের মতো চলছে রেলের আগাম টিকিট বিক্রি

  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাড়ছে চোরাচালান ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম

  • জীবিকা নিয়ে দুঃচিন্তায় কক্সবাজারের জেলেরা

  • মাগুরায় দারিদ্র্য বিমোচনে কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজে অনিয়ম

  • উদ্বোধনের অপেক্ষায় দ্বিতীয় মেঘনা ও গোমতী সেতু

  • টাঙ্গাইলে পুলিশের নির্যাতনে ব্যবসায়ী মৃত্যুর অভিযোগ

  • গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কার্যকর হলে ভোগান্তি কমবেঃ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ভর্তি জালিয়াতির নতুন তথ্য নিয়ে ‘প্রশ্ন ফাঁসের আপডেট’

ভর্তি জালিয়াতির নতুন তথ্য নিয়ে ‘প্রশ্ন ফাঁসের আপডেট’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি জালিয়াতি নিয়ে গত বছর ‘সার্চলাইট’ এ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচারের পর ১৫ শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিস্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এ ঘটনার প্রায় এক বছর পর জানা গেল বহিস্কারের বিরুদ্ধে ৩ শিক্ষার্থী উচ্চ আদালতে রিট করেছেন। ভর্তি জালিয়াতির সাথে সংশ্লিষ্ট নয় দাবি করলেও, বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। রিটকারী শিক্ষার্থীদের জালিয়াতিতে জড়িত বিষয়ক তথ্য-প্রমাণ উঠে এসেছে শুক্রবার রাত সাড়ে আটটায় প্রচারিত অপরাধ অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান ‘সার্চলাইট’ এর ‘প্রশ্ন ফাঁসের আপডেট’ পর্বে।

প্রতিবেদনে আরও ২৮ শিক্ষার্থীর নাম প্রচারিত হয়, যারা জালিয়াতির মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন।
আদালতে রিটকারী শিক্ষার্থীরা হলেন- স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের ফারদিন আহমেদ সাব্বির, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মো: বায়েজিদ এবং শিক্ষা ও গবেষণার মুন্সী মোঃ সুজাউর রহমান সাম্য।

এই তিনজনই প্রশ্ন ফাঁসের মাধ্যমে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়েছিলেন। সিআইডির হাতে গ্রেফতারের পর তিনজনই আদালতে নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দী দিয়েছেন। এদের আজীবন বহিস্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এবারের পর্বে উঠে এসছে চলতি বছর ফাঁস হওয়া ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রসঙ্গও। প্রিন্টিং প্রেস থেকে প্রশ্ন নিয়ে বিদ্যুৎ আলী তার ছেলে মোহাইমিনুল ইসলাম বাঁধনের হাতে তুলে দেয়। বাধন হালে লেখা সেই প্রশ্ন সমাধান করায় মাইলস্টোন কলেজের এক শিক্ষককে দিয়ে। সেই শিক্ষকের দেখানো হয়েছে এবারের পর্বে। তিনি নিজের অবস্থান পরিস্কার করেছেন।
   
গত এক বছরের অনুসন্ধানে জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হওয়া অর্ধ শতাধিক শিক্ষার্থীর নাম প্রচার করে চ্যানেল টোয়েন্টিফোর। সার্চলাইটের এবারের পর্বে আরও ২৮ শিক্ষার্থীকে দেখানো হয়েছে, যারা অবৈধ পন্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে বলে জানা গেছে।

অনৈতিক পদ্ধতিতে ভর্তি হওয়া এসব শিক্ষার্থীর নাম আদালতে আসামিদের স্বীকারোক্তিমুলক জবানন্দিতে বেরিয়ে এসেছে। এদের মধ্যে ২০১৫-১৬ সেশনের ১৩ জন, ২০১৬-১৭ সেশনের ৬ জন এবং ২০১৭-১৮ সেশনের ৭ শিক্ষার্থী রয়েছেন।
 
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম বলেন, চলতি বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটসহ গত কয়েক বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি করছে কয়েকটি চক্র। এসব চক্রের মূল হোতাসহ অধিকাংশকেই আইনের আওতায় আনা হয়েছে। তদন্তে আরও বেশ কিছু নাম পাওয়া গেছে।

প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন ফাঁস সংক্রান্ত ৫টি মামলার তদন্ত করছে সিআইডি। এসব মামলায় এ পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছেন ৫৯ জন।

এর মধ্যে দুটি মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে, যে কোনো সময়ে চার্জশীট দেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর