channel 24

সর্বশেষ

  • জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা...

  • রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ভারসাম্য আনা...

  • নির্বাচনকালীন সরকারের বিধানসহ ১৪ প্রতিশ্রুতি...

  • পরপর দুবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকা যাবে না...

  • পুলিশ ও সামরিক বাহিনী ছাড়া সরকারি চাকরির বয়সসীমা তুলে দেয়া...

  • অনগ্রসর জনগোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধী ছাড়া সব কোটা বাতিল...

  • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করা এবং...

  • সংখ্যালঘুদের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের প্রতিশ্রুতি

প্রিন্টিং প্রেস থেকে ঢাবি'র প্রশ্ন ফাঁস করেতেন পিতা-পুত্র

প্রিন্টিং প্রেস থেকে ঢাবি'র প্রশ্ন ফাঁস করেতেন পিতা-পুত্র

অবশেষে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের অনুসন্ধানেই বেরিয়ে এলো চলতি বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁসের আদ্যোপান্ত।

শুক্রবার রাত সাড়ে আটটায় অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান সার্চলাইটের ‌‌'পিতা-পুত্রের প্রশ্ন ফাস' পর্বে দেখানো হয়, কিভাবে পিতা-পুত্র মিলে প্রশ্ন ফাঁসের একটি শক্তিশালী চক্র গড়ে তুলেছিল এবং ফাসকৃত প্রশ্ন কিভাবে শেষ পর্যন্ত ভাইরাল হয়ে যায়।

অনুসন্ধানে দেখানো হয়, চলতি বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্র ছাপা হয় সরকারি একটি প্রেসে। ওই প্রেসের সিটিপি টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করেন হাবিবুর রহমান জাভেদ। ঘ ইউনিটের প্রশ্ন ছাপার আগে তিনি এর একটি কপি নিজের কাছে রেখে দেন। পরে সেটি হাতে লিখে পৌঁছে দেন একই প্রেসের সিনিয়র কম্পিউটার অপারেটর স্যামুয়েল সুমিত মণ্ডলের কাছে।

এরপর সুমিত মণ্ডল সেই প্রশ্নপত্র পৌঁছে দেন সহকর্মী বিদ্যুৎ আলীর কাছে। যিনি সরকারি ওই প্রতিষ্ঠানে উচ্চমান সহকারী হিসেবে কাজ করেন। বিদ্যুৎ আলীর হাত থেকে সেই প্রশ্ন চলে যায় তার ছেলে মোহাইমেনুল ইসলাম বাঁধনের হাতে। এই বাঁধনের মাধ্যমেই ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের কাছে ভাইরাল হয় চলতি বছরের ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্নপত্র।

এই অনৈতিক কাজের জন্য বিদ্যুৎ আলীকে তার ছেলে বাঁধন দেয় ৩০ লাখ টাকা। সুমিত মন্ডল পায় ১৯ লাখ  এবং জাভেদ পায় ৫ লাখ টাকা।

এছাড়াও এই তিনজনের কাছ থেকে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের দেওয়া দুই কোটি সাতাশ লাখ টাকার চেক উদ্ধার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ, সিআইডি।  

অনুসন্ধানে দেখানো হয়, ফাঁসকৃত রাজধানীর প্রশ্ন পশ্চিম শ্যাওড়া পাড়ার এবং উত্তরার দুটি বাসায় পরীক্ষার আগের রাতে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ভর্তিচ্ছুদের পড়ানো হয়।

গত মাসে চলতি বছরও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে- তথ্য-প্রমাণসহ এমন রিপোর্ট করে চ্যানেল টোয়েন্টিফোর। এরপর পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে অনশন, স্মারকলিপি প্রদানসহ নানা কর্মসূচী পালন করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

এক পর্যায়ে উত্তীর্ণ সাড়ে আঠার হাজার শিক্ষার্থীর পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আগামী ১৬ নভেম্বর এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে।

এর আগে গত বছরও সার্চলাইটের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে রাজধানীর ইন্দিরা রোডের একটি প্রিন্টিং প্রেস থেকে ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে পর পর দুই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁস হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর